শারদীয়া সান্যাল (কলকাতা)

“হ্যালো!”
“বাবা! একবারে ফোন ধরলে যে বড়?”
“কাজের মধ্যে যে ফোন ধরা যায় না, সেটা আর কবে বুঝবে এবং টন্ট করাটাই বা কবে ছাড়বে?”
“এতো চটছ কেন? কতদিন বাদে ফোন করলাম। আর তুমি কিনা…”
“কেন ফোন করেছ বল।”
“যদি বলি মনে পড়ছিল। বিশ্বাস করবে?”
“বলছ, করা উচিত হবে?”
”মাঝরাতে ঠিক মাঝরাতে আজ তোমায় মনে পড়ছিল…”
“প্লিজ থাক এসব। এত রাতে ফোন কেন বল?”
“আচ্ছা! তুমি আর প্রেমের কবিতা লেখ না কেন?”
“কী ব্যাপার বলত? কবিতার কথা তোমার মুখে, তাও মধ্যরাতে?
কোনো সুন্দরীর প্রেমে পড়েছ নাকি?”
“প্রেম! সেতো হতেই পারে। না হওয়াই তো বরং অনুচিত।”
“বাহ্ ভালো বললে.. প্রেম না হওয়াই তো অনুচিত।
তবে ঠকিও না আর কাউকে… সেটাও কিন্তু অনুচিত।
আচ্ছা বললে নাতো আমায় ফোন কেন?”
“একটা কনফেশন ছিল! বিশ্বাস করবে?”
“এতোদিন পরে কনফেশন? যাইহোক বল কী বলবে?”
“তোমার থেকে দূরে সরে, বা তোমাকে সরিয়ে দূরে..
বুঝলাম বেঁচে থাকা দুরূহ তোমাকে ছেড়ে।”
“হ্যালো! হ্যালো!”
“হুম! শুনছি বলো…”
” আর একবার ভরসা করবে?”
“কাকে? মাঝরাতের এই ফোনের তুমিটাকে?”
“যদি বলি হ্যাঁ তাই।”
” তাহলে বলি…বারবার বিশ্বাস করে ঠকলেও, তোমায় বিশ্বাস না করে পারি না যে। আবারো করলাম তাই।”
“পাগলী… এখন আমি তোমার শহরে”
“কী!”
“হুম! গাড়িতে অপেক্ষায় তোমার বাড়ির বাইরে।”