চিত্রা কুণ্ডু বারিক (কলকাতা)

জন্মের পর থেকে প্রতিটি মানুষের শুরু হয় লড়াই তাও নিজের সঙ্গে। প্রথমেই শুরু হয় নিজেকে ভালো রাখার। নিজের স্বাস্থ্য, খাওয়া দাওয়া, শরীর চর্চা, খেলাধুলা, পড়াশোনা। শরীরটা যত্নে মেতে থাকি একটা সময়।
কিছুটা সময় থাকি বন্ধু বান্ধব নিয়ে সময় কাটানো। ভালোই লাগে কিন্তু তাতে কিছু মিশে থাকে মতান্তর কিছু মুখ ফিরিয়ে চলা। কথা বলার ইচ্ছে থাকলেও নিরব হয়ে যাওয়া। হয়তো কোনো দিন দেখা না হতে হতে কষ্ট পেতে পেতে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে যাওয়া। তখন মনে হয় এমন তো কিছু হয়নি একটু হাসি মুখে এগিয়ে গিয়ে দেখা করলে কি এমন হতো।
আর তো দেখা হবে না কখনো অথচ মনে মনে অঢেল ভালবাসা ছিল তার প্রতি শুধু বোঝানো যায় নি। বলতে পারা যায় নি হৃদয় খুলে একবার যদি দেখানো যেত দেখো হয়তো অনেকটাই ভুল ছিলাম কিন্তু ভালোবাসার জায়গায় কম ছিল না।
চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলতে চেয়েছি ফিরে এসো আবার আগের মতো মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবো। কিন্তু শুনতে পেলেনা হৃদয়ের ডাক। তুমি চলে গেলে অনেক দূরে, যেখান থেকে হাতটা ধরে টেনে আনার ক্ষমতা নেই। তবে আমি ও যেদিন যাবো সেদিন রাগ অভিমান ভুলে আগলে নিও। আমি জড়িয়ে ধরে বলবো বড় ভালবাসি।
যত্ন করা শরীরটা আজ দুমড়েমুচড়ে চলে গেলে হা করা সেই অগ্নির মুখে। সবসময় হা করে বসে থাকে কখন কাকে গ্রাস করবে। ভীষণ খিদে তার। আর আজ সেই মুখে তুমি ও পড়লে।
আজ আর কাউকে ভালোবাসতে ইচ্ছে যায় না। পৃথিবী বড় কঠিন গো। কেউ বুঝিনা কারো কথা এখন শুধুই নিজেকে বুঝি। এই জীবন যুদ্ধে থাকে নিজের লড়াই। কার কি মান অভিমান, কতটা কষ্ট এই নিয়ে কেউ ব্যস্ত থাকে না, কারণ সময় থেমে নেই এগিয়ে যেতে হবে।
সময়কে কাজে লাগাও
আর কিছু করতে হবে না। দেখবে একদিন সময় সব হিসেব মিলিয়ে দেবে। আজকাল চুপ থাকতে শিখে গেছি, নিজেকে স্থির রেখে নিজের পথে শুধুমাত্র এগিয়ে চলেছি।
