কবিতা

কবিতা

খোলা চিঠি

রিতা শ্রীমানী (আন্দুল, হাওড়া) কি লিখবো আমি নিজেই জানিনা, জীবনে যে মুখোশধারী বাস্তবতা দেখতে হবে বুঝতে পারিনি। তুমি চলে গেছো তিন বছর হয়ে গেল। তুমি বলেছিলে বেশ কিছু পথ আমরা একসাথে হাঁটবো। হঠাৎ কাল বিপর্যয় সে তোমাকে নিয়ে চলে গেল। আমি একা রয়ে গেলাম, সবাই চার পাশে আছে, কিন্তু আমার ভিতরে একাকীত্ব রয়ে গেল। এখন ভাবি তুমি আমার প্রতি একটু কঠোর হতে পারতে। একটু অভাব বোধ জাগাতে ভালোবাসার। তাহলে এত কষ্ট হতো

✍ Final Exposer
কবিতা

তিন হাজারী বিয়ে

উজ্জ্বল দাস (কলকাতা) বেকার ভাতা মিলছে ঢেরদুধ কেনা যায় কয়েক সের।বউটিও তার লক্ষ্মীমন্তমাস গেলে পায় হাজার ডেড়। দুই জনেতে পাচ্ছে ভাতাটোনা টুনির ছোট্ট ঘর -নিন্দুকেতে যে যাই বলুকতিন হাজারেই উঠছে দর। একশ দিনের কাজটা পেলেওফাটকা বাজার বাড়বে নোটজয় মা বলে বাবার কোলেদে গুঁজে দে সবার ভোট। ওহ কিছু ভুল বলেছিকান মুলিনি ভুল করে !ও দিদিগো ও দাদাগোকেস দিও না খুব জোরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

তিন হাজারী বিয়ে

উজ্জ্বল দাস (কলকাতা) বেকার ভাতা মিলছে ঢেরদুধ কেনা যায় কয়েক সের।বউটিও তার লক্ষ্মীমন্তমাস গেলে পায় হাজার ডেড়। দুই জনেতে পাচ্ছে ভাতাটোনা টুনির ছোট্ট ঘর -নিন্দুকেতে যে যাই বলুকতিন হাজারেই উঠছে দর। একশ দিনের কাজটা পেলেওফাটকা বাজার বাড়বে নোটজয় মা বলে বাবার কোলেদে গুঁজে দে সবার ভোট। ওহ কিছু ভুল বলেছিকান মুলিনি ভুল করে !ও দিদিগো ও দাদাগোকেস দিও না খুব জোরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

সময়ের ভাঙা আয়না

প্রবীর চৌধুরী (কলকাতা) আমরা এখন আয়নার সামনে দাঁড়াই নাকারণ আয়নাগুলো সত্য কথা বলতে শিখে গেছে।আর সত্য এখন বিপজ্জনক। রাস্তার মোড়ে মোড়ে নিয়ন আলো আছে,কিন্তু মানুষের চোখে অন্ধকার জমা ।এতো যে হাসির ইমোজিতে ভরে ওঠে স্ক্রিন,কিন্তু ভিতরে ভিতরে শুকিয়ে গেছে উচ্ছল নদী। মুখগুলো উজ্জ্বল,মুখোশগুলো আরও উজ্জ্বল।বেকার ছেলেটি প্রতিদিন সকালকে সাক্ষাৎকার দেয়,সন্ধ্যায় ফিরে আসে পরাজয়ের নীরবতা নিয়ে।তার বাবার চোখে অনিদ্রা,ম

✍ Final Exposer
কবিতা

সময়ের ভাঙা আয়না

প্রবীর চৌধুরী (কলকাতা) আমরা এখন আয়নার সামনে দাঁড়াই নাকারণ আয়নাগুলো সত্য কথা বলতে শিখে গেছে।আর সত্য এখন বিপজ্জনক। রাস্তার মোড়ে মোড়ে নিয়ন আলো আছে,কিন্তু মানুষের চোখে অন্ধকার জমা ।এতো যে হাসির ইমোজিতে ভরে ওঠে স্ক্রিন,কিন্তু ভিতরে ভিতরে শুকিয়ে গেছে উচ্ছল নদী। মুখগুলো উজ্জ্বল,মুখোশগুলো আরও উজ্জ্বল।বেকার ছেলেটি প্রতিদিন সকালকে সাক্ষাৎকার দেয়,সন্ধ্যায় ফিরে আসে পরাজয়ের নীরবতা নিয়ে।তার বাবার চোখে অনিদ্রা,ম

✍ Final Exposer
কবিতা

আয়নার মতো পরিষ্কার

মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) হয়রানি ভোগ করে যখন দেশের আপামর জনগণবাংলা আবার পথ দেখাতে এগিয়ে আসে তখন।অন্যান্য নেতারা যখন রুটিনমাফিক বিরোধ করেমমতা একাই কাঁপিয়ে দিতে মাঠে ময়দানে লড়ে।সুপ্রিম কোর্টে আমজনতার হয়ে প্রশ্ন করেন তিনিলাইভ স্ট্রিমিং দেখল সবাই, বিরোধিতা করেন মূর্খ যিনি।কেউ তাঁর ইংরেজিতে ভুল ধরে, কেউ হিন্দি বলা নিয়ে হাসেআমবাঙালি বিশ্বাস করেন দিদি আছেন তাঁদের পাশে।ভুলভাল ব্যাখ্যা করে যারা ত

✍ Final Exposer
কবিতা

আয়নার মতো পরিষ্কার

মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) হয়রানি ভোগ করে যখন দেশের আপামর জনগণবাংলা আবার পথ দেখাতে এগিয়ে আসে তখন।অন্যান্য নেতারা যখন রুটিনমাফিক বিরোধ করেমমতা একাই কাঁপিয়ে দিতে মাঠে ময়দানে লড়ে।সুপ্রিম কোর্টে আমজনতার হয়ে প্রশ্ন করেন তিনিলাইভ স্ট্রিমিং দেখল সবাই, বিরোধিতা করেন মূর্খ যিনি।কেউ তাঁর ইংরেজিতে ভুল ধরে, কেউ হিন্দি বলা নিয়ে হাসেআমবাঙালি বিশ্বাস করেন দিদি আছেন তাঁদের পাশে।ভুলভাল ব্যাখ্যা করে যারা ত

✍ Final Exposer
কবিতা

চাঁদ

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) চাঁদ তুমি আছো কত দূরেতবু তোমার আলোয় সকলের মন যে ভরে।তুমি নিঃশব্দে নীরবে দূরের থেকে আলো দিয়েআকাশের বুকে আছো তো বেশ সুখে দুখে। তোমার স্নিগ্ধ শীতল কোমল আলোমায়াবী হয়ে দূর করে রাতের আছে যত কালো।শহরের কংক্রিটের ভিড়ে তোমার আলো যায়না দেখা,গ্রামে গঞ্জে এখনো তোমার আলোয় এখনো অনেকে স্বপ্ন যে আঁকে। চাঁদ তুমি সুন্দর তুমি অপরূপ তুমি কল্পনার কন্যাতবুও তোমার আছে কলঙ্কের বন্যা,চ

✍ Final Exposer
কবিতা

চাঁদ

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) চাঁদ তুমি আছো কত দূরেতবু তোমার আলোয় সকলের মন যে ভরে।তুমি নিঃশব্দে নীরবে দূরের থেকে আলো দিয়েআকাশের বুকে আছো তো বেশ সুখে দুখে। তোমার স্নিগ্ধ শীতল কোমল আলোমায়াবী হয়ে দূর করে রাতের আছে যত কালো।শহরের কংক্রিটের ভিড়ে তোমার আলো যায়না দেখা,গ্রামে গঞ্জে এখনো তোমার আলোয় এখনো অনেকে স্বপ্ন যে আঁকে। চাঁদ তুমি সুন্দর তুমি অপরূপ তুমি কল্পনার কন্যাতবুও তোমার আছে কলঙ্কের বন্যা,চ

✍ Final Exposer
কবিতা

ভাইরাস

কাকলি ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) ঝঞ্ঝা হয়ে এসেছিলে তুমিউদ্দাম এক শ্রাবণেআলগা হয়েছে শিকড় আমারদুঃস্বপ্নের প্লাবনে। ভাগাড়ের যত মৃতের গন্ধছড়িয়ে পড়েছে বাতাসেচ্যাটচ্যাটে সব বিষাক্ত রসজলোচ্ছাসে মিশেছে। জীবনের ওই ঘিনঘিনে ঘাখারের প্রলেপে পুড়ছেপ্রেমের ক্ষততে বিকৃত মনজীবাণুতে বসে খাচ্ছে। ভালোবাসা এক মোহময়ী নাম,আসলে ভাইরাস ভরা কেমিকেলশরীরে প্রবেশে বাড়বে যেনোরক্তে জলের মিশেল। খুনি ভাইরাস, দগ্ধ শরীররাসায়ন

✍ Final Exposer