কবিতা

কবিতা

ফাঁকা ফাঁকা

সঙ্গীতা মুখার্জী মণ্ডল (দুর্গাপুর) তারপর যখন চোখ খুলে গেলোপাল্টে গেলো সবটাবুঝে নেওয়ার আগেই শেষতবুও জল দিলামখড় কুটো দিলামকিন্তু নাআমার লেখার কিছু নেইসবটা লেখায় ছিলোফলে দৃশ্য জানা পেহেচানা। এখনআবছা নয়এখন সবটা স্থিরগাছ পালা আর হাঁটে নাকারণ বাবার সাথে আমি ট্রেনে চাপি না। অনেক কিছু প্রকাশিতএখন শুধু মুছতে মুছতে ক্লান্তযেদিকে তাকাইসবই ধুলোহাতের মুঠো ফাঁকা ফাঁকা।

✍ Final Exposer
কবিতা

মায়ের কাছে প্রার্থনা

রাসমণি ব্যানার্জী (হরিপাল) কর্ম যদি করাও শ্যামাকর্ম কেন করবো না মা।তোমার কৃপায় চলছি আমিশুধু আমায় করো ক্ষমা। গঞ্জনা দেয় লোকে আমায়রুগ্ন বলে তানা মারেকি করি আর বল মা শ্যামাশরীর খানা ভালো নারে। কৃপা করে বোঝাস ওদেরকষ্ট ব্যথা দেয় না যেনরুগ্ন আমি তাইতো রাগীকষ্ট এতো দেয় যে কেন। কৃপা করে ও মা শ্যামাসবার ভালো করিস যেমনএকটু কৃপা করিস মাগোআমার উপর তুই মা তেমন।

✍ Final Exposer
কবিতা

স্নিগ্ধ জল ও জন্মান্তর

লিপিমিতা তনুশ্রী (কলকাতা) স্নিগ্ধ জলের আবেশ নিয়ে মুহুর্তরা সমুখে এসে দাঁড়ায় যখনপল্লবিত হয় সবুজ মন ক্ষণিকের অনুভব সিক্ত শিহরণ,অথচ দীর্ঘ যাপন পথে আসন্ন রাত্রি, গোধূলিবেলাপড়ন্ত ছায়াপথ ধরে এখনও যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলারণভূমে ক্লান্ত শ্রান্ত দেহ, নতজানু আভূমি প্রার্থনায়,এক কুশি জল, এক মুঠো ফুলের সুবাস প্রতীক্ষায়।অস্তমিত সূর্যের বিষণ্ণ আলোয় মুদিত পাপড়িদলবেহাগ সুরে বনতল কম্পিত কায় — ক্রমশঃ ভাঁটার টান,সন্ধ্যাদীপ

✍ Final Exposer
কবিতা

মা শান্ত হয়েছে আজ

মারুফ খাঁন (কলকাতা) বিচারের আশায় সুর বদলে মা শান্ত হয়েছে! মা শান্ত হয়েছে… অন্তঃদগ্ধ যন্ত্রণা বুকে! দেখুন দেখুন আজ মা শান্ত হয়েছেকামদুনির নিরুপায় মা শান্ত হয়েছেআনিসে'র অসহায় মা শান্ত হয়েছেনীরব তিলোত্তমার মা শান্ত হয়েছেউমার মা কেঁদে কেঁদে শান্ত হয়েছে। অজানা অচেনা কত হাজার হাজার মা এভাবে নীরবে কাঁদতে কাঁদতে শান্ত হয়েছে।। সেদিন দেখেছিলাম প্রতিবাদের রণ হুংকাররাত গভীর উপত্যকা! বিচারের পথ অন্ধ

✍ Final Exposer
কবিতা

যুবতী এক বৃদ্ধার কুমকুম লাবন্য ভেজা দিনে..

শ্রী র জ ত (কলকাতা) বসে আছি বসন্তের অদ্ভূত বেদনায়লালরং, হলুদে হলুদে ভেজা যুবক পাতারাটুপ টাপ ঝরে আছে, করমচা রঙের স্মৃতি মেখে-নীল চেতনায়। শোল মাছ ঘাই করে, মৃদু চন্দ্র আলো ভেজা বাঁশের মাথায়.. বসন্তের বাতাসে তবু শীতের আনা গোনা..যাকে আমি মৃত্যু বলে জানি,আবীরে ভেজানো এক আকন্ঠ মাতাল,চুমু দিয়ে মৃত্যু কে শিশু করে দেয়…বাধ্য করে - জীবনের ডাং গুলি নিয়ে বেদুইন হতে। একদা যুবতী - সেই বৃদ্ধার জীবনে অনাহুত বসন্তের

✍ Final Exposer
কবিতা

চেনা মানুষ অচেনা যখন

ববি সরকার (বারাসত) একই মানুষ এক একটা পরিবেশে তার আলাদা রূপ দেখতে পাবেন। রূপ বলতে সৌন্দর্যের কথা বলছি না। রূপ বলতে তার আচরণ আর ব্যবহার এর কথা বলছি।অনলাইনে যাকে আপনি ভীষণ চেনেন ,দেখা হলে দেখবেন সেই মানুষটি কিন্তু সেইরকম নয় যেমনটি আপনি ভেবেছিলেন। শুধু অনলাইন নয় বাস্তবের চেনা মানুষের কখনো কখনো অচেনা রূপ টা চোখে পড়বে।তখন মনে হবে আরে!! এ কে!! একে তো আমি চিনিনা। কেবল পরিবেশ নয় বিভিন্ন মানুষের কাছেও এ

✍ Final Exposer
কবিতা

ফাগুন

মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) "লাইচবি নাকি বিটি"..!পিছন ফিরে কুসুম দেখে, এত্তগুলো পলাশ মালা রিমলি দিদির হাতে।"কত্ত দিন পর দেখলাম রে বিটি তুকে!গেরামটাকে ভুললি বটে, ডাক্তার দিদিটো হয়ে "!কুসুমের চোখ ভরা নদী, অভিমানের ঢেউ,মনের নাগাল পেতেই ফেরে উড়োজাহাজ চড়ে। মাকে যে কথা দিয়েছে আসবেই এবার ঘরে !কুসুম বলে,"মাথার পাশে লাগিয়ে দেনা, একটা মালা তবে," মনের সুখে লাইচবো আজ তুদের সাথে হাটে!"রিমলির হাসি আকাশ মাতায়

✍ Final Exposer
কবিতা

নারী দিবসে

সোমা দেবনাথ দাস (হাওড়া) নারী তুমি স্নেহময়ী মমতাময়ীনারী তুমি সৃষ্টিদায়িনী,নারী তুমি জগৎ জননীনারী তুমি মহিষাসুরমর্দিনী। নারী তুমি স্রোতস্বিনী নদীনারী তুমি ভালোবাসার জোয়ারিনী,নারী তুমি ভোরের নির্মল আকাশনারী তুমি সন্ধ্যার দক্ষিণা বাতাস। নারী তুমি প্রজাপতির মতো মেলো পাখানারী তুমি বিহাঙ্গের মতো কখনো যে বালিকা,নারী তুমি সৃষ্টির আলোক দিশারীনারী তুমি ত্যাগের পূজারিণী। নারী তুমি কাটার মুকুটধারিনীনারী তু

✍ Final Exposer
কবিতা

একান্ত চাওয়া

সুজান মিঠি (পূর্ব বর্ধমান) কোনো নারী দিবস চাই না।ধর্ষণ মুক্ত দিন চাই।কোনোখানে কোথাও কোনো নারীর দিকে লোভ-চোখ উঠবে না। দৃষ্টিতে থাকবে না ধারালো অস্ত্র।মেপে ফেলা হবে না তার বুকের মাংসের পরিমাণ।পায়ের গোড়ালি উন্মুক্ত করে সে নারী নৃত্যে উন্মত্ত হবে। হাসবে। তার হাসিতে পাখি উড়বে। বাতাস গাইবে। বৃষ্টি সুখ সুখ গন্ধ দেবে মাটিকে। কোনো নারী দিবস চাই না।ধর্ষণ মুক্ত দিন চাই। ধর্ষণের আগে ধর্ষকের যেন মনে পড়ে যা

✍ Final Exposer
কবিতা

হাওয়া বদলের ডাক

শোভনা মিশ্র (নয়ডা) আজ তুমি গালে হাত দিয়েভাবতে বসেছো সমাজ ?ভাবতে তো হবেই, তুমিই যে দায়ি-হিসেবে গরমিল, সোজা মিলছে না কিছুই ।নর নারী প্রকৃতির সর্বোত্তম সৃষ্টিকিন্তু তোমার পক্ষপাতিত্বে আজতার অসামঞ্জস্যতা, বিষাদময় বৈষম্যতা। তোমার সংসারে কন্যা ভ্রুণের হত্যা হয়মাতৃজঠরে আগাছার মত উপড়ে ফেলোপৃথিবীর বাতাস তাদের জুটে না।কিন্তু তারই মাঝে যেসব ফুল ফুটছেকখনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিচ্ছোনা হয় জঙ্গলে জ্যান্ত ছুঁড়ে ফেলছো

✍ Final Exposer
কবিতা

আমি সেই নারী

মালবিকা পণ্ডা (পশ্চিম মেদিনীপুর) আমি সেই নারী,যার জন্ম ক্ষণে ছিলনা উলু ধ্বনি,ছিল না শঙ্খ ধ্বনি।শঙ্খ ধরা ছিল বাড়ির মহিলাদের হাতে,উলু দেবার জিভ ঠোঁট পর্যন্ত এসেভিতরে ঢুকে গেল।সবাই যখন ঠোঁট বাঁকিয়ে চেঁচিয়ে বললমেয়ে হলো গো!শঙ্খ মুখ পর্যন্ত গিয়েও ধীরে ধীরে নেমে এলো।যারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলতারা ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে গেল।আমি সেই সদ্য জন্ম নেওয়া এক নারী।যার বিছানা হয়েছিল খড়ের উপরচট বিছিয়ে।ধীর

✍ Final Exposer
কবিতা

নারী দি বস

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) আমি আদি নারীসৃষ্টির প্রথম লগ্ন থেকে লোভাতুর দৃষ্টি চিনিআমি নিজেই নিজেকে দীক্ষা দিয়েছি প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়তেআমি লড়তে জানি, আবার গড়তেও জানিআমার সহায়তায় পুরুষ হয়েছে স্রষ্টাআমার সাহচর্যেই পৃথিবী সম্পূর্ণআমি স্বয়ংসিদ্ধা। আমি প্রাগৈতিহাসিক নারীআমি কোমল হৃদয়াআমার সঙ্গীর কষ্টে আমি আকুলাযাযাবর জীবনকে গৃহমুখী করতে আমিই প্রথম শিখিয়েছি ফসল রোপনআমার হাত ধরেই সভ্যতা এগিয়ে চলেছ

✍ Final Exposer