কবিতা

কবিতা

চাঁদ

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) চাঁদ তুমি আছো কত দূরেতবু তোমার আলোয় সকলের মন যে ভরে।তুমি নিঃশব্দে নীরবে দূরের থেকে আলো দিয়েআকাশের বুকে আছো তো বেশ সুখে দুখে। তোমার স্নিগ্ধ শীতল কোমল আলোমায়াবী হয়ে দূর করে রাতের আছে যত কালো।শহরের কংক্রিটের ভিড়ে তোমার আলো যায়না দেখা,গ্রামে গঞ্জে এখনো তোমার আলোয় এখনো অনেকে স্বপ্ন যে আঁকে। চাঁদ তুমি সুন্দর তুমি অপরূপ তুমি কল্পনার কন্যাতবুও তোমার আছে কলঙ্কের বন্যা,চ

✍ Final Exposer
কবিতা

ভাইরাস

কাকলি ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) ঝঞ্ঝা হয়ে এসেছিলে তুমিউদ্দাম এক শ্রাবণেআলগা হয়েছে শিকড় আমারদুঃস্বপ্নের প্লাবনে। ভাগাড়ের যত মৃতের গন্ধছড়িয়ে পড়েছে বাতাসেচ্যাটচ্যাটে সব বিষাক্ত রসজলোচ্ছাসে মিশেছে। জীবনের ওই ঘিনঘিনে ঘাখারের প্রলেপে পুড়ছেপ্রেমের ক্ষততে বিকৃত মনজীবাণুতে বসে খাচ্ছে। ভালোবাসা এক মোহময়ী নাম,আসলে ভাইরাস ভরা কেমিকেলশরীরে প্রবেশে বাড়বে যেনোরক্তে জলের মিশেল। খুনি ভাইরাস, দগ্ধ শরীররাসায়ন

✍ Final Exposer
কবিতা

বিবশতা

তৃপ্তি রায়চৌধুরী (কলকাতা) দিগন্তের ওপারে সাজো সাজো রব।সূর্যের পদার্পণে রক্তিম হবে সে প্রান্তর!সিংহাসনে আরূঢ় সূর্যদেবধ্যানে হবেন মগ্ন।বলয় ঘিরে থাকবেনা তখন, কোনো জ্যোতি।বিশ্ব চরাচর হবে ধীরে ধীরে ঘন অন্ধকারে নিমজ্জিত।ঠিক এসময়__তরঙ্গের হাতছানিতে দিগন্ত- তরঙ্গের মধ্যে চলে নিশ্চুপে খেলা।মেখলায় সুশোভিত রাতপরী নামে ধরায়।এইতো তার নৃত্যের বেলা।নিকষ কালো আঁধারে হারাই তোমার ঠিকানা।শেষে, জলপরীদের সাথে দে

✍ Final Exposer
কবিতা

হৃদয় ছোঁয়া দৃষ্টি

অনুশ্রী দত্ত (পশ্চিম মেদিনীপুর) ভালো লাগার দৃষ্টি যখন যত্ন নিবিড় হয়,তখন প্রিয় মানুষটা হয়ে ওঠেপৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ।কারণ, যত্ন ছাড়া দৃষ্টিতেএকরাশ মুগ্ধতা থাকে না।আর যে দৃষ্টি কেবল চোখেই নয়!হৃদয়ে পৌঁছে যায়,সেখানেই মানুষের মনেতৃপ্তির স্বাদ জাগে।বাহ্যিক রূপ নয়,সুন্দর মন মানুষকে ভেতর থেকেএক অনন্য রূপ ও মনুষ্যত্বের সাজ দেয়।যা সবার মধ্যেখুঁজে পাওয়া যায় না।অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকা মানুষ

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার আমি

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) আমি নিজেই নিজেকে যত ভেঙেছি,আবার নিজেই নিজেকে তুলে ধরেছি।আমিও বলতে পারতাম অনেক কথা,কিন্তু আমি চাইনি তোমাদের দিতে ব্যথা। তোমরা আমাকে বারবার বানিয়েছো হাসির খোরাক,আমি বুঝেও তোমাদের করিনি কোনো আঘাত।আমি শান্তিতে বিশ্বাসী, আমি ভালোবাসার পূজারী;আমি চাই না কেউ হোক হিংসার ভিখারি। আমি চাই সব সময় করতে কিছু সৃষ্টি,আমি কখনো চাই না হোক কোনো অনাসৃষ্টি।আমাকে তোমরা যতই করেছো অপমান,আমার

✍ Final Exposer
কবিতা

রাবণ কথন: সত্যযুগ আর কলিযুগ

সৌরভ দেব (কলকাতা) (১) আমি লঙ্কাধিপতি, দানবেশ্বর মহাজ্ঞানী রাবণ,অপরাজেয় বীর, আমি রণক্ষেত্রে অমর, মৃত্যুর যম| শিবপূজারি মহাযোদ্ধা, ত্রিলোক জয়ী বেদজ্ঞানী,কম্পিত সকল দেবতা, অস্ত্র ফেলি সম্মুখ মোর নাম শুনি। উত্থিত করি মহাবাহু, তুলি মহাদেব সহিত কৈলাশ,স্তোত গাহিনু শিব চরণে, নাম দিলেন রাবণ সাথে চন্দ্রহাস| করতলে মহাশক্তি- দশ মস্তক লহি করি স্বর্গরাজ্য আক্রমণ,বজ্র হস্তে দেবরাজ পরাজয় স্বিকারী , বিরাজিলাম স

✍ Final Exposer
কবিতা

নাকছাবি

শোভনা মিশ্র (পুণে) তুমি লাল ছাপা শাড়িতে মুখ ঢাকোআমি চাঁদ খুঁজি ঘোমটার আড়ালে।মনে পড়ে সেই কবেকার কথাসেদিনও লজ্জার ঘোমটা ছিল মাথার উপরআজের মতো একই ভঙ্গিমায়।মাঝখানে এতগুলো বছর গেল কোথায়?আমি যখন প্রতিটি আঁধার রাতেএক ঝলক দেখতে চেয়েছিকেন ভিড় ঠেলে বাইরে আসলে না?যেভাবে চাঁদ মেঘ সরিয়ে উঁকি মারেতুমি নাহয় এক টুকরো আলো আনতেআমি আশার আলোয় ঘর বাঁধতাম।পড়ন্ত বেলাতে এসে মনে হয়ও চাঁদ বুঝি ছিল না আমারতাই চ

✍ Final Exposer
কবিতা

ভালোবাসা হারিয়ে গেল

চিত্রা কুণ্ডু বারিক (কলকাতা) জানি না কেন কেমন যেন সব উলোটপালট হয়ে গেছে। যতই লিখিছি কিন্তু ততটাই ভুল হয়ে যায়। বারবার মুছি কিন্তু মোছার দাগ গুলো ফিরিয়ে দিচ্ছে। পাতার পর পাতা ওলটাই অথচ হালকা করে বুঝিয়ে দেয় আমি এটাই করেছি। নতুন করে শুরু করতে যাই নতুন খাতায় কিন্তু ভুলে যাই কলম বলে দেয় সেই আমাকেই ব্যবহার করেছো নতুন করে পাবে না কিছু। অনেক চেষ্টা করেও ভুল ঠিক করতে পারছিলাম না, সেখানেই ডুবে যায় সব

✍ Final Exposer
কবিতা

দমসম

মৌসুমী মুখার্জী (খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর) জীবন এখন ছন্নছাড়া মেঘকোথাও জমাটি কোথাও খাপছাড়া,ঘোলাটে কুয়াশা।কোলাহল খুব বেশি ভালো লাগে না আরদূষণ মুক্তি চাইতে গিয়ে আরো ব্যাপক বৃদ্ধিসহানুভূতির অন্তরালে কাঁটার আঘাত।কী ভীষণ বিষন্নতা গ্রাস করেছে পৃথিবী…..,ক্ষয়ে যাচ্ছে নদীর নাব্যতাপলি জমে উঠেছে জেলা উপজেলায়,নষ্ট হয়ে যাবে অর্জিত স্বাধীনতাজাত জাত করেই শেষ হয়ে যাবে সমগ্র জাতি,নদীর পাড়ে তর্ক বিতর্কের কা

✍ Final Exposer
কবিতা

মা

সুজান মিঠি (পূর্ব বর্ধমান) সরস্বতী বাগদি পুষ্পাঞ্জলি দিতে এসেছে।তার কাঁধের নীচ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে ভিজে চুল।জল চোঁয়াচ্ছে।পুরোহিতের ছিবড়ে মার্কা গলার স্বর,বলি ও সরো, তোদের বাগদি পাড়ায় বুঝি আজ খুব কাজ ছিল?একেবারে শেষে এলি যে বড়! নে নে ফুল নে… ফুল দেওয়ার অছিলায় বুকের ভাঁজ ছুঁয়ে দেওয়া পুরোহিতের হাত মুচড়ে ধরলো সরস্বতী, থুক করে থুতু ছুঁড়ে মারলো পুরোহিতের মুখে। বাগদি পাড়ার থুতু হাত দিয়ে মুছে

✍ Final Exposer