আমাদের বিন্দু বিন্দু অশ্রুধারা
মারুফ খাঁন (কলকাতা) বুঝবে কি ওরা বিশ্বকবি রবি তুমি নয়ন তারা…চিনবে কি ওরা জাতীয় সংগীতের মূল ধারা… গ্রামের পথে পথে আমি খ
মারুফ খাঁন (কলকাতা) বুঝবে কি ওরা বিশ্বকবি রবি তুমি নয়ন তারা…চিনবে কি ওরা জাতীয় সংগীতের মূল ধারা… গ্রামের পথে পথে আমি খ
সোমা নায়ক (কলকাতা) মা জানো, এখন না আমিও ঠিক তোমার মতোই বটবৃক্ষ হওয়ার চেষ্টা করি। আশ্রয় হয়ে আগলে রাখি আমার সংসার, সন্ত
রুমকী দত্ত (কোলাঘাট) জানো রবি ঠাকুর…বেশ কিছুদিন কবিতা লেখার পরএকদিন খুব সাহস করে বাবার কাছেআমার কবিতার খাতাটা নিয়ে গিয়
কৃষ্ণা গুহ (কলকাতা) "প্রভু তোমার লাগি আঁখি জাগে ,দেখা নাহি পাইপথ চাই ..সেও মনে ভালো লাগে"।গুণ গুণ সুরে গাইতেই দাঁড়ালে দ
সঞ্চিতা পোদ্দার (মালদহ) হে মোর প্রাণের ঠাকুর রয়েছো তুমি অন্তরে। সমগ্র বাঙালি জাতির রয়েছো হৃদয় সরোবরে। তুমি চন্দ্র তুমি স
মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) চুপটি করে শোনো,বলি ঘটনা এক সত্যিবুজরুকি বা বানানো নয়,মিথ্যে নয় এক রত্তি। দুপুরবেলা সবাই যখন ভাত-ঘু
রুনা মুখার্জী (কলকাতা) তুমি যখন রাগ করোতখন উত্তাল সমুদ্রের ভয়ঙ্কর গর্জনও ভয় পেয়ে শান্ত হয়ে যায়।তুমি যখন অভিমান করে
নীহার চক্রবর্তী (নদীয়া) ভোলাদা আমার চেয়ে বয়সে বেশ বড় ছিল। শিক্ষিত বেকার। ক্রিকেট বলতে পাগল। আবার সিপিএম করত। ওই স্কুলের
রাসমণি ব্যানার্জী (হুগলী) কর্তা আমার মিষ্টি ভারিকেবল একটু কিপ্টেসংসারে সব কিছুই আনেটাকায় থাকে লেপ্টে। ক'দিন আগে আমার থে
মৌসুমী মুখার্জী (খড়গপুর) যদি বলতে পারতাম তোমাকে খুব ভালোবাসি আমি,,,,অকপটে নির্দ্বিধায়….খুব ভালো হতো জানো, সেদিনের আমি,জা
শিবানী চ্যাটার্জী (উত্তরপাড়া) সত্যের বাকল গায়ে জড়িয়ে পথ চলার মধ্যে ইতিহাস দেখিয়ে দিয়ে গেছে দৃষ্টান্ত। একটু একটু করে
অর্পিতা কামিল্যা (কলকাতা) ধিকি-ধিকি রোজ,জ্বলে পুড়ে মরছিল। একদিন…নিজেকে জ্বালিয়ে ….…….খাক্ করল!আর………ছেড়ে দিল……! ছাড়ল…কার