রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান-:
এলাকায় চারদিন ধরে ছট উৎসব পালিত হলেও এলাকায় দেখা যায়নি আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাকে। তাই ‘সাংসদ নিখোঁজ’ শিরোনামে বরাকর ও কুলটির বেশ কয়েকটি জায়গায় পোস্টার লাগানো হয় এবং পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা।
ঘটনা প্রসঙ্গে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্র পাল বলেন, দুর্গাপুজো, কালীপুজো এবং ছট উৎসব বাংলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রত্যেকক্ষেত্রে আসানসোলের সাংসদ অনুপস্থিত থাকেন। ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি বলেন, এবার হয়তো নিখোঁজ সাংসদের খোঁজে বিজেপিকে কলকাতার ভবানী ভবনের শরণাপন্ন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কীর্তি আজাদও বেশিরভাগ সময় দুর্গাপুর থেকে অনুপস্থিত থাকেন। এখন আসানসোলের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা শত্রুঘ্ন সিনহার মতো এমন একজন ব্যক্তিকে তাদের সাংসদ হিসেবে চান কিনা যিনি তাদের সুখ-দুঃখে অংশ নেননা।
বিজেপির সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে কুলটির ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কাঞ্চন রাই বলেন এটি বিজেপির একটি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করতে না পেরে বিজেপি এইসব সস্তা কৌশল অবলম্বন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, মন্ত্রী মলয় ঘটক, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ দলের স্থানীয় নেতৃত্ব সকলেই শত্রুঘ্ন সিনহার সাথে সমন্বয় করে এই এলাকার মানুষের জন্য সর্বদা কাজ করছেন। শত্রুঘ্ন সিনহা প্রতি মাসে আসানসোলে আসেন এবং মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেন। আসলে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে, তাই তারা এই ধরনের কাজ করছে।