মমতা রায় (চন্দননগর)

সে ছিল না রাজকন্যা, ছিল না কোনও গল্পের নায়িকা।
সে ছিল খুব সাধারণ — হয়তো পাশের বাড়ির মেয়ে, অথবা ভীড়ের মধ্যের কেউ।
কিন্তু তার জীবনটা ঠিক সিনেমার মতো ছিল না… বরং ছিল একটা কঠিন বাস্তবতা।
প্রেমের নামে প্রতারণা,
ভালোবাসার নামে শোষণ,
স্বপ্নের নামে ভেঙে যাওয়া — সব সে দেখেছে।
সবাই যখন ভাবল, সে ভেঙে পড়বে…
সে ঠিক তখনই নিজেকে গড়ে তুলল।
সে বুঝে গিয়েছিল,
“এই পৃথিবীতে মেয়েদের কান্না কেউ মনে রাখে না… শুধু সাফল্য মনে রাখে।”
সে বদলে গেল —
তার চোখের জল শুকিয়ে গেল,
তার ঠোঁটের হাসি গভীর হলো,
তার মন শক্ত হলো।
আজ সে আর আগের মতো নেই।
সে জানে, বিশ্বাস ভেঙে গেলে আবার বিশ্বাস করা যায়,
স্বপ্ন ভেঙে গেলে নতুন করে গড়া যায়,
আর নিজেকে কেউ যদি ভেঙে দেয় — তাহলে নিজেকেই আবার জোড়া লাগাতে হয়।
সে এখন হেঁটে চলে, হাসে, কাজ করে —
কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে এক আগুন…
যে আগুন আর কখনও নিভবে না।
কারণ সে জানে —
নারী শুধু চোখের জল নয়, নারী নিজেই আগুন।
