জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
আড়ম্বর নয়, অকৃত্রিম ভালোবাসাকে সম্বল করেই পালিত হলো কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্বজিৎ যশ ও সুপ্রভাত ব্যানার্জীর উদ্যোগে মঙ্গলকোটের উজিরপুর কমলাকান্ত কালী মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছিল এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন গ্রামবাসীরা।
শনিবারের এই অনুষ্ঠানে ছিল না কোনো আধুনিক মঞ্চ, চোখধাঁধানো আলোর রোশনাই কিংবা উচ্চমানের সাউন্ড সিস্টেম। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে ছাপিয়ে জয়ী হয়েছে শিল্পীদের আন্তরিকতা। স্থানীয় শিল্পী শিবম, শ্রীতমা, দিয়া, পরী, মিষ্টি প্রমুখের সাবলীল রবীন্দ্রসঙ্গীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বিশ্বকবির জীবনদর্শন ফুটে ওঠে। মন্দিরের শান্ত পরিবেশে গ্রামের মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য মাত্রা দান করে।
উপস্থিত দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে এই পরিবেশনা উপভোগ করেন। আয়োজক সুপ্রভাত ব্যানার্জী জানান, “বড় আয়োজনের চেয়েও কবিগুরুর আদর্শকে সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। আড়ম্বরহীন এই ঘরোয়া আয়োজনটি প্রমাণ করল, শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের জন্য বড় মঞ্চের চেয়েও বড় মনের প্রয়োজন বেশি।”
