কলকাতা

শুধুই তাই চাই

বন্দে বন্দিশ (কলকাতা)

তোমার হয়তো খোঁজেও নেই সন্ধ্যানেও নেই। অথচ কিভাবে তোমার জয়! তুমি বিজয়ী।
প্রতিসেকেন্ড অনিবার্য জয় তিলক তোমার ভাগ্য লেখায়।
তোমার মত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমন বিজয়ী দ্বিতীয় একজন বুঝি কেউ জন্মায়নি ।

তোমার মত এমনি বিজয়ী কেউ হবেনা। আবার কেউ জানবেনা কস্মিন কালে।
সাক্ষী থাকে শুধুই তমসঘনরাত আর শিশিরভেজা ভোর।
বালিশের গায়ে জবজবে ভেজা শিশিরকণা।চোখ গড়িয়ে অজস্র জলবিন্দু,গাল বেয়ে নেমে আসা দেখলে বুঝতে,তোমার পেছনে বয়ে চলা ঝর্ণার অমিল হবেনা।
কি প্রচন্ড ভালোবাসার জন্ম নিলেই কি-
হারের মধ্যে জয়ের আনন্দ হয়!।
বার বার নত যখন হই, ঠিক তখনি বুঝি, কি করে মাঝের সময় এতটা নিশ্চুপ কথার সারা না পেয়ে কাটলো?
কি করে রইলাম এতটা সময় করে পার?
দেখছি চোখের পাতায় দাঁড়িপাল্লার ওজন!
রাতভর ঝরা জলে ভিজে ফুলেফেঁপে উঠছে।কি ভীষণ ওজন চোখের পাতার।
কাটাতে গিয়েই কি চোখ দুটো অজান্তেই শাস্তি পায়! তাই বুঝি-
তাই আমি হেরে যাই, ফিরে আসি বার বার, তোমাকে জিতিয়ে হেরে যেতেই ধরেছিলাম তোমার হাত।
আমি বার বার হেরে গিয়ে তোমাকেই জিতিয়ে যাবো।
এমনি কথা দিয়ে ধরে ছিলাম তোমার হাত।
তুমি হেরেছো অনেকবার, কেউ একবার তোমায় জিতিয়ে দিক।
আমি জিতেছি বহুবার, জয়ী হয়েও আনন্দ ছিলোনা তার।
তাই বেলাশেষে এই একবার আমি হেরে গিয়ে খুঁজে নিতে চাই-
হারের মধ্যে জেতার যে আনন্দ সীমাহীন।সেই হারমেনে নিয়ে তোমাকেই জিতিয়ে ফিরবো আমি এইবার।