কলকাতা ✍ Final Exposer

'দুর্গাঙ্গন'-এর শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী

অর্পিতা ঘোষ, কলকাতা -:

        তৃণমূলের ২১ শে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জী ঘোষণা করেছিলেন, বাংলায় তৈরি হবে ‘দুর্গাঙ্গন’। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী কলকাতা শহরের উপকন্ঠে  ইকো পার্কের-১ নং গেটের কাছে ১৭.২৮ একর এলাকা জুড়ে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির। মন্দির তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিডকোকে। খরচ হবে প্রায় ২৬২ কোটি টাকা এবং কাজ শেষ করা হবে  ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের।

       শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে মন্দিরে ১০৮ দেবদেবীর মূর্তি ও ৬৪ টি সিংহমূর্তি বসানো হবে। মন্দিরে থাকবে সিংহ দুয়ার, পবিত্র কুণ্ডু এবং শিব, গণেশ, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর জন্য আলাদা আলাদা মণ্ডপ। এছাড়া থাকবে প্রসাদ রান্নার ঘর এবং সাংস্কৃতিক মিউজিয়াম যেখানে থাকবে দুর্গাপুজোর সঙ্গে সম্পর্কিত শিল্পকলা ও পৌরাণিক কাহিনী। মূল গর্ভগৃহের উচ্চতা হবে ৫৪ মিটার। খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর গুরুত্ব দিয়ে মন্দির চত্বরে ৩০০ টির বেশি বড় গাছ এবং ১০০০টি ফুল গাছ লাগানো হবে। পুরো বিষয়টি দেখাশোনা করবে একটি ট্রাস্ট।

        ২৯ শে ডিসেম্বর প্রস্তাবিত 'দুর্গাঙ্গন' -এর শিলান্যাস করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জী বলেন, দুর্গাঙ্গন হবে এক সাংস্কৃতিক মিলনস্থল যা দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ পর্যটকের কাছে বাংলার বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য তুলে ধরবে। দর্শনার্থীরা  এখানে সারাবছর দুর্গা প্রতিমা দর্শনের সুযোগ পাবেন। পর্যাপ্ত জায়গা থাকার জন্য একসঙ্গে ১ লক্ষ দর্শনার্থীর জমায়েত হলেও কোনও অসুবিধা হবে না। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে বাংলায় পর্যটন শিল্পের প্রভূত উন্নতি হবে। প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। স্ব-নির্ভর গোষ্ঠীর লোকেরা এখানে নিজেদের জিনিস বিক্রি করতে পারবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা এই দুর্গাঙ্গন বিশ্বের ১ নম্বর দর্শনীয় স্থান হবে।

F

Final Exposer

Final Exposer এর রিপোর্টার