রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা মেনে লাউডস্পিকার ব্যবহার সংক্রান্ত সচেতনতামূলক বার্তা দিতে গিয়ে চরম ক্ষোভের মুখে পড়ল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে আসানসোলের রেলপাড় সংলগ্ন জাহাঙ্গিরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে একদল দুষ্কৃতীর আচমকা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল শিল্পাঞ্চলে। হামলায় ফাঁড়ির ভেতরের আসবাবপত্রসহ পুলিশ ও সাধারণ মানুষের একাধিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলেও খবর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মসজিদ ও মন্দিরে নির্দিষ্ট ডেসিবেল ও সময়সীমা মেনে মাইক বাজানোর নিয়ম প্রচার করতে পুলিশ এলাকায় গিয়েছিল। এরপরই বিভিন্ন মহলে বৈঠক ও আলোচনার মাঝেই রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একদল উত্তেজিত যুবক ফাঁড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি তাণ্ডব শুরু করে। আতঙ্কে মুহূর্তের মধ্যে এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে রাতেই বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবারও গোটা এলাকা থমথমে থাকায় কড়া নজরদারি চলছে।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, “যারা এসি রুমে বসে এই ধরনের ঘটনার উস্কানি দিচ্ছে, তাদেরও চিহ্নিত করা হবে। আইন অনুযায়ী কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে।” সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।






