স্বাতী ব্যানার্জী (কলকাতা)
সেদিন পুরোনো কিছু শাড়ি গোছাতে বসে ছিলাম।চোখ গেলো আমার সব থেকে দামি শাড়িটার দিকে, দাম বললাম না কারণ, হয়ত ওই দামটা তোমাদের সব চেয়ে কম দামের শাড়িটার ।
ওটাকে হাত বুলিয়ে যত্ন করে তুলে রাখলাম।
ভালো জিনিস তোলাই থাকে।।বেশি গায়ে ওঠে না যে।।
আমি তো আলনায় রাখা আটপৌরে রঙচটা ওই রোজকার ব্যবহারের শাড়িতেই স্বচ্ছন্দ্য ।
ওই শাড়িগুলোর মত আমিও যে আমার জীবন, না ভুল বললাম, যাপনটাকে আঁকতে শিখেছি মাথা নত করে । বেশ ‘আমি আমি’ একটা অনুভূতির গন্ধ মাখতে গিয়ে একদিন দেখি জীবনটা একটা কয়েক শব্দের অণুগল্প বানিয়ে দিয়েছি, যার মধ্যে কোনো নায়িকার অস্তিত্বই নেই।
বার বার ভেঙেছে স্বপ্ন।
আবার মোমের মতো ওগুলো গলিয়ে নতুন আকার দিয়ে যাপনকে আলগোছা করে আগলে রেখে .. নিজেকে অন্যের মনের মতো করে অপূর্ণতার তেঁতো ট্যাবলেট গিলে, বেঁচেও থেকেছি…. হয়ত এই ভাবেই আরও বহু বহু বছর…
হিসাব মেলেনি, অঙ্ক বিষয়টা বুঝি কম, তাই ঠকতেই হয়ছে, হবেও…
আজও ঘুমন্ত চোখ খুলে বৃষ্টি ভেজা সকালে উদাসী
শ্যাওলার মতোই আমার নিভু নিভু বেলায় সকাল থেকে বিকেল গড়িয়ে যায়।