সুলেখা চক্রবর্তী ,হাওড়া:-
এখনো এস আই আর ফর্ম না পৌঁছানোর আতঙ্কে দিনকাটাচ্ছেন হাওড়া শ্যামপুর এক ব্লকএলাকার ২৭ জন ভোটার। এদের কাছ থেকে জানা গেছে বাবা মায়ের ভোট থাকলেও নিজেদের নাম যেমন ২০০৫ এর ভোটার লিস্টে নেই তেমনি নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে উধাও এদের নাম। কয়েকজনের আবার মা কিংবা বাবা মারা যাবার পর মা বাবার নাম থাকলেও নিজেদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে উধাও হয়ে গেছে। মৃত ভোটারের নাম থাকলেও জীবিত ভোটারের নাম উধাও। অথচ প্রত্যেককেই শ্যামপুরে স্থায়ী বাসিন্দা এবং ভোটার কার্ড রয়েছে বলে জানা গেছে। আর এর ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ওই সব ভোটাররা। তবে কি নতুন করে আবার ৬ নম্বর ফরম ফিলাপ করে নতুন ভোটারের তকমা পেতে হবে? উঠছে প্রশ্ন। ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯০ অংশের ১৭৯বুথে। অর্থাৎ শ্যামপুর গার্লস স্কুল বুথে। বলাই বাহুল্য এইসব ভোটারদের নিয়ে নাস্তানাবুদ বি এল থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারাও। শ্যামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে শ্যামপুর এক বিডিও অফিস হওয়ায় প্রতিদিনই ওই ভোটাররা বিডিও অফিসের দরজায় ঘুরছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও প্রশাসনিক সূত্রে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আবার কোনরকম সদুত্তর না পেয়ে সরাসরি আলোতে নির্বাচন কমিশনের কাছে কি করনীয় জানতে চেয়ে মেল পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে শ্যামপুর জুড়ে। এখন কি হয় তাই দেখার।