রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিম বর্ধমান জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে ধরপাকড়। দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও কর্মী গ্রেপ্তারের ঘটনায় জেলা তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ মহলে আতঙ্কের ছায়া। সম্প্রতি পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক সভাপতি শতদ্বীপ ঘোষ ও প্রধান রামচরিত পাসোয়ানের গ্রেপ্তারের পর নরেন চক্রবর্তী ভিডিও বার্তায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।
নরেন চক্রবর্তীর দাবি, সাধারণ কর্মীদের হয়রানি না করে প্রশাসন তাকে সরাসরি গ্রেপ্তার করুক। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগও এনেছেন। তবে জেলা সভাপতির এই অবস্থানকে ঘিরে দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
পান্ডবেশ্বরের ব্লক সভাপতি সুজিত মুখোপাধ্যায় সরাসরি নরেন্দ্রনাথের সমালোচনা করে বলেন, জেলা সভাপতির ভুল কৌশলেই দলের এই দুরবস্থা। তিনি নরেনবাবুর এই মন্তব্যকে দলের কর্মীদের আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া বলে আখ্যা দিয়েছেন।
নেতৃত্বের এমন প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ও পরস্পরবিরোধী মন্তব্যে পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও দলাদলি প্রকাশ্যে চলে এসেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

