শিশুদের বই মুখী করতে বিবেকানন্দ কালচারাল ফোরাম ও পাঠাগারের অভিনব উদ্যোগ

বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:- দ:২৪, পরগনার উস্থি রাজবল্লভপুর স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ফোরাম এর নিজ উদ্যেগে শিক্ষা,ক্রীড়া,সাহিত্য,সংস্কৃতি ও পরিবেশে পাঁচ লাখ চারা রোপনের পাশাপাশি,বইমুখী করার জন্য পাঠাগার স্থাপন করা হয়। গত আট মাসে প্রায় 700 বই সংগ্রহ করতে পেরেছে এই পাঠাগার এবং এর পাঠক সংখ্যা প্রায় 100 উপরে। নিদিষ্ট সময় করে দিনে দু ঘন্টা এই পাঠাগারে পাঠক বন্ধুরা আসেন,বই পড়েন,তাদের জন্য,চা,বিস্কুটের ব্যাবস্থা ও করেন স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ফোরাম।পাশাপাশি এই পাঠাগার দোকানে,অফিসে,ও পাঠাগার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে,এবং ভ্রাম্যমান পাঠাগার করার চেষ্টাও চালাচ্ছে। সাথে এই ফোরাম দু:স্থ শিক্ষার্থীদের বই খাতা দিয়ে থাকার কাজ আরো জোরদার করেছে,বহু শিক্ষার্থী পাঠ্যবই পেয়ে জীবনে সাফল্য অর্জন করেছে ,এবং আগামীতে আরো বই প্রদান করতে চাই এই ফোরামে। পাঠাগারটি বেশ জনমুখী হয়ে উঠেছে,শান্তি নিকেতন পরিবেশের মতো প্রকৃতির কোলে ও বই পড়ার সু ব্যাবস্থা আছে,উল্লেখ্য এই ফোরামে সারা বাংলা থেকেই বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন। কর্ম প্রনালীতে সহায়তা প্রদান করেন,এই ফোরামের সহ সভাপতি উস্থি থানার ওসি আবুল মার্জান বাবু জানান,আমাদের নৈতিক কর্তব্য হল সমাজের উন্নতি সাধন করা,পরিবেশ সমাজ সংস্কৃতির উন্নতি আমরা বিবিধ ভাবে করার চেষ্টা করি।এর মধ্যে দিয়ে মানুষের ভালোবাসা আমাদেরকে খুব অনুপ্রানিত করেছে। সম্পাদক পঞ্চানন ব্যানার্জী বলেন বর্তমান জেনারেশন মোবাইল মুখী হয়ে যে ভাবে শারীরিক মানসিক ও বোধ শক্তি হারাচ্ছে,তা সত্যিই আগামীতে চরম সহনীয় পরিস্থিতি তৈরি করবে।এই স্রোত হয়তো খুব জোরাল, কিন্তু বিপরীত মুখী ভাবে চলে আমরা পাঁচটি শিক্ষার্থীকে মানুষ করতে পারলে আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি। ফোরামের সহ সম্পাদক মাসুদ হাসান গায়েন জানান,বই জীবন মুখী করতে হবে,আজ WBCS ,NEET পড়তে আট নয় ঘন্টা পড়া দরকার,সেই অভ্যাস যদি উঠে যায় তাহলে তারা সফলতা পাবে কি ভাবে?   ফোরামের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও পরিবেশ বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক সত্যব্রত জানাও জানান,জীবনের সবচেয়ে বড়ো বন্ধু হল বই,একটি ভালো বই এক হাজার ভালো বন্ধুর সমান, তাই বই যত পড়া যাবে জীবন বোধ তত জাগ্রত হবে। পাশাপাশি এই ফোরামটি নিজ কাঁধে যে যুবকটি টেনে নিয়ে যাচ্ছে ,তরুন যুবক নিজের স্কোলার্স সিপ থেকে এই কর্ম গুলি করে ফোরামের সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলাপন ব্যানার্জী জানান, A best book is the good friend for a person really a best book gives a ideology ,knowledge , কিন্তু আজকের জেনারেশন এর চলাচল খুবই উদ্বিগ্ন সম, পিতা মাতা ও তাদের ব্যাবহারে উদাসীন,আমি মনে করি এটি সামাজিক ক্ষয়িস্নু , এই ভাবে চললে অনেক প্রতিভা হারিয়ে যাবে নষ্ট হবে সমাজ,তাই আমাদের উচিত বই মুখী হোক,বই জীবন সাথী হোক,আমরা আশা করব,আরো পাঠক সংখ্যা বাড়ুক। স্কুল ছুটির পরে ও কিছু শিক্ষার্থী ত্রিশ,চল্লিশ মিনিট করে বই প্রতিদিন পাঠাগারে পড়ে যায়, এইভাবেই মোবাইল বিরত থেকে বইয়ের প্রবনতা বাড়ুক,এই কামনা করি। পাঠাগারের দায়িত্বে আসেন বিশিষ্ঠ কবি শিক্ষক,সমাজসেবী মৃন্ময় সাহা তিনি এই ফোরামের সাহিত্য বিভাগীয় প্রদান,তিনি ও জানান আমরা চাই শিশু কিশোর ও যুবকদের মানসিক বিকাশ হোক,তাঁরা স্বামীজী,নেতাজী ,রবীন্দ্র নজরুল কালাম স্যারের আদর্শে জেগে উঠুক,পাশাপাশি কবি পরিতোষ হালদার আক্ষেপ করে জানান,কলম যদি না হয় জীবনের সাথী,তবে এ জীবন কালিমা ছাড়া আর কি !! এই ফোরাম বই মুখী করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে তা প্রশংসার দাবি রাখে।এই ফোরামে বুক স্লেফ প্রদীন করেন বিশিষ্ঠ পুলিশ কর্মী শবনম্ পারভিন,বই প্রদীন করেন মহাসীন সরদার সহ আরো অনেকেই। তাঁদের সবাইকে ফোরামের পক্ষ থেকে হার্দিক কৃতজ্ঞতা ও একরাশ ভালেবাসা জানানো হয়েছে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *