কবিতা

কবিতা

শালিক

বানী পাল (কলকাতা) দিগন্তের শেষে একঝাঁক শালিকের ঘরআলপথে দেখা এক শাবকের প্রথম সূর্যোদয়,সদ্য প্রস্ফুটিত দুটি ডানায় রক্তাভ সকালপ্রকৃতির কোলে উড়তে চাওয়ার বড় ঝোঁক। নরম বাতাসের চুম্বন মুক্তির স্বাদ মেটায়বিকেলের ধুলোঝড়ে আরো মজবুত হতে শেখে,এক পা দু'পা করে হেঁটে চলে চৌকাঠ বরাবরপাখিটা তখনও তুফানের দাপট দেখেনি। গুল্মের উপর থেকে ঘাসফুল দেখেছেদেখেছে পাতার উপর নরম শিশিরের আদর।সে ভেবেছিলো জীবন বড় সরল অধ্য

✍ Final Exposer
কবিতা

আলাপ

সঞ্চিতা সিকদার (নদীয়া) কষ্ট কি জানি না, তবে মাঝে মাঝে বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে ওঠে।সাফল্য কী তাও জানি না, কারণ হাজার চেষ্টা করেও কখনো কেউ সফল হতে পারবে না। সত্যিই কি সফল হওয়া যায় এক জীবনে?একটা জিনিসে সফলতা পেলে আর একটা সফলতায় এগিয়ে যেতে ইচ্ছে করে।তবে ব্যর্থতা থাকলে জীবনে সফলতার আস্বাদ পাবে।সুখ কী আমি জানিনা, কখনো সুখি হতে চাইনি৷ তবে হ্যাঁ, একটা জিনিস আমি মনে প্রাণে চেয়েছি, সেটা হল ভালোবাসা৷ কি

✍ Final Exposer
কবিতা

নির্বাচন

রাজা চৌধুরী (হরিপুর) অবশেষে পশ্চিমবঙ্গেএলো নির্বাচন,নেতা খুশি নেত্রী খুশিখুশি ভোটার গন। জিততে ভোটে ভিড়ছে জোটেযে যেদিকে পারে,টাকা বেশি শক্ত পেশিটানছে সবাই তারে। মার্কা হাতে প্রার্থী সাথেগাইছে ভোটের গান,আকাশ ছোঁয়া প্রতিশ্রুতিনাইকো অভিমান। সুখে পাবে দুঃখে পাবেপাবে মানির মান,জেনে বুঝে ভোটার তারেইভোট'টি করো দান।

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার শৈশবের বিকাল

কবিতা মুখার্জি বিশ্বাস (কলকাতা) জানো মা গো ইচ্ছে করে আবার ফিরে যেতেফেলে আসা ছোট্ট বেলার সেই দিনগুলোতে,,দুপুর গড়িয়ে যখন হতো ঠিক বিকেল বেলাছাদের পরে শুরু হতো আমার বন্ধু বন্ধু খেলা। ছাদ ভর্তি ছিল কতো বাবার রঙিন ফুলের টববিকেলবেলা ওরাই তো হতো আমার বন্ধু সব,,আমার সঙ্গে গল্প করতো তারা মাথা নেড়ে নেড়েসেই গল্পে আসতো দোয়েল-টুনি দূ-র থেকে উড়ে। বকবকিয়ে আমি যখন খুব ক্লান্ত হয়ে যেতামমাদুর পেতে ছাদের পরে

✍ Final Exposer
কবিতা

তোমাতে মগ্ন

মালবিকা পাণ্ডা (পশ্চিম মেদিনীপুর) আমার কবিতা, কলমের খোঁচা দিয়ে যদি বোঝাতে পারতাম তোমার প্রেমে মগ্ন থাকে মন।সীমাহীন অনন্ত সাগরে ডুব দিয়ে শব্দরত্নকে তুলেএনেছি ….পেরিয়ে এসেছি অনেক গুলো বসন্ত ,শুনেছি ঝরে পড়া পাতার মর্মর ধ্বনি,আহ্বান করেছি অনাগত বসন্ত কে !শুষ্ক মন সিক্ত করার এক পশলা আবেগের বৃষ্টি !বসন্তের জৈষ্ঠ্যে দহনে সবকিছু পুড়ে খাক হয় পলকে! সব শব্দরত্ন গুলো এলোমেলো হয়ে গেলো পারিনিসাজাতে …সব শ

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার কবিতা

মধুছন্দা গাঙ্গুলী (কলকাতা) যাকে আমি খুঁজেছিলাম কত বছর ধরে…সেই তো তুমি এলে ওগো এতো বছর পরে,তোমার পরশে ফুটলো মন, শান্ত হলো দগ্ধ কায়া,যেখানে তাকাই সেখানেই দেখি, স্নিগ্ধ মেঘের ছায়া।মনে হয় আকাশের চাঁদ নেমে এলো বুঝি আমার এই হাতে,আলোর কাছে আজ নিশি হার মানে, ছেয়ে যায় উজ্জ্বল প্রভাতে।তপ্ত বালুকারাশির শুষ্ক মরু, আজ হলো যেন সবুজ বনভূমি…আমার আঙিনায় এলে ওগো কবিতা , আমি আজ তোমাকে চুমি।কখনও তুমি বিরহ বেদনা

✍ Final Exposer
কবিতা

অব্যক্ত নদী

জয়া ঘোষ (উত্তর চব্বিশ পরগণা) বুকের গভীরে আমি এক দীর্ঘ নদী গোপন রেখেছি,যার উৎস কোনো জন্ম নয়,কোনো নাম নয়,শুধু বুকের ভেতর থমকে থাকা জল। তাকে আমি শিখিয়েছিকিভাবে কাশফুলের গায়ে আঙুল ছুঁয়ে দিতে হয়,কিভাবে কুঁড়েঘরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষাণীআলো ফোটায় মাটির প্রদীপে।তাকে শিখিয়েছিনক্ষত্র কিভাবে আলো হয়ে ওঠেশব্দহীন শীতল রাত কেমন লাগে চাঁদের জোছনায়। এই নদী কথা বলে না,তবু সে জানেকোন বাঁশিটি শুধু একবারই ডাকে “প্রিয়

✍ Final Exposer
কবিতা

ভালোবাসা মানে

মহুয়া বিশ্বাস (উত্তর ২৪ পরগণা) ভালোবাসায় থাকে পবিত্র বন্ধন, অটুট স্পন্দন।ভালোবাসা মানে আটকে থাকা নয়,ভালোবাসা মানে আবদ্ধ থেকে মুক্ত হওয়া।ভালোবাসা মানে আকর্ষন নয়,ভালোবাসা মানে হৃদয় -মনকে উচ্চস্থানে বসানো।ভালোবাসা মানে বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, উন্নত ভাবনাকে বিকশিত করা।ভালোবাসা মানে চেতনার সলতে উসকে দেওয়া।ভালোবাসা মানে প্রদীপ নেভানো নয়ভালোবাসা মানে অন্ধকারে আলো জ্বালা।ভালোবাসা মানে নিম্ন থেকে উপরে

✍ Final Exposer
কবিতা

শূন্য ছুঁয়ে

ববি সরকার (কলকাতা) বারবার কেন ঘুরেফিরে আসেএকই অনুভূতি সব ?রাগ থেকে যত ভাগ হয়েছিলকরেছি তা অনুভব। আজন্ম কাল চলছে যেনযোগ বিয়োগ গুণ ভাগ,ভাগ চিরকাল একা থাকেনা,মাছ দিয়ে ঢাকে শাক। যোগ হলে বিয়োগ আসবেই ফের,ভালোবাসার চাদর মুড়ে,এ জীবন রোজ ভাগাভাগি দ্যাখেকতো শত হৃদয় জুড়ে। অনুভূতি নিয়ে আর কতো হবেমগজের ভুরিভোজ !সবটা বুঝেই বিবাগী মনপালাতে চাইছে রোজ। যন্ত্র হলে যন্ত্রণা কেকরবো জানি জয়,শূন্য ছুঁয়ে সুখ পে

✍ Final Exposer
কবিতা

মানুষকে ভালোবাসো

রুনা মুখার্জী (কলকাতা) বাবা যেদিন তোমাকে নিয়ে এসে আমাকে বলল, এটা তোমার বন্ধু,দুজনে মিলে মিশে থেকো,সেদিন আমি বলেছিলাম, ওরা তো গরিব আর আমাদের থেকে নিচু জাতের, তাই ও আমার বন্ধু হতে পারেনা।রেগে গিয়ে বাবা বলেছিল, ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো।আসলে অতি প্রিয় বন্ধু ও তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাদের সন্তানকে কেউ অপমান করবে বাবা এটা মেনে নিতে পারেনি।তুমি আমাকে বোনের মতোই ভালোবেসে আমার সব বদ আবদার কে মেনে নি

✍ Final Exposer
কবিতা

যাপন

মৌসুমী মুখার্জী (পশ্চিম মেদিনীপুর) তোমার যা অপারগতামানতে রাজি যে,তাকে অক্টোপাসের নাগপাশেজড়িয়ে নিও নিজে। ব্যস্ত দিনে ক্লান্ত হলেওআগলে রেখো তাকে,ভুল করলে শুধরে দিয়েহাতটা যে ধরে রাখে। তোমার আমার অক্ষমতায়যেন কষ্ট সে না পায়,মনের কাছে এগিয়ে যাওনেই কোনো সংশয়। হাতটা যখন ধরেছে তোমারআলগা করো না বাঁধন,জড়িয়ে থাকো ভালো মন্দয়ক্ষণস্থায়ী যে জীবন। ভুলের বোঝা বাড়ছে হুহুমানুষ নির্বিকার,মনের মত সাথী পাওয়

✍ Final Exposer
কবিতা

অবহেলার জ্বালা

শিউলি নন্দন (বর্ধমান) কতটা পরিমাণ অবহেলায় সারা শরীর জুড়ে ফোস্কা পরে?নীরবতার গুমোট হাওয়া জ্বালিয়ে ছারখার করে।অতিষ্ট হয়ে উঠে শীতল ছায়ায় আরাম পাওয়ার লোভ,দমবন্ধ করা পরিবেশে অসহ্য লাগে নাটকীয় ক্ষোভ।বরফের মতো ঠান্ডা ছোঁয়ায় কেটে ফালা হয় অনুভূতি,ঝলসানো চামড়ায় পোড়া গন্ধ আঘ্রাণে মেলে অসম তৃপ্তি।উপশমের বাহক ভেবেই সয়ে নেওয়া অদেখা তৃপ্তি,অবহেলার আঁচে পুড়ে ছাই হয়ে উড়ছে গোপন কথা।ক্ষতের গভীরতা যাচাই করে শুধুই সমব

✍ Final Exposer