কবিতা

কবিতা

রসদ

সোমা দেবনাথ দাস (হাওড়া) পড়ন্ত বিকেলের রোদ লাগে খুব মিষ্টিনতুন করে কিছু করা যায় সৃষ্টি,জীবনে চলার পথ যতই হবে কঠিনআসলেও আসতে পারে সুদিন। নতুন সকালের মিঠে রোদনতুন স্বপ্ন দেখায় যে কত,ভয় কে করে জয় এগিয়ে চলতে হয়।স্রোতের দিকে সবাই তো যায়-স্রোতের বিপরীতে ও মাঝে মাঝে হাঁটতে হয়। , না বলা কথা থাক না মেঘের ঘরেবৃষ্টি হয়ে ঝরুক শুধু তোমার অন্তরে,সবাই কেন বুঝবে তোমায়? কার আছে এত দায়নিজেকে ভালো রাখার ম

✍ Final Exposer
কবিতা

আজকের নারীর আবেদন

মায়া সাহা (কলকাতা) একবিংশ শতাব্দীর নারী'র সভ্য সমাজকে আবেদন : কন্যা সন্তানকে পরিবারের বোঝা ভাববেন না!ওদের কে পরিবারের অমূল্য রতন ভাবতে শিখুন।সুযোগ পেলে ওরা কিন্তু সোনার ডিমও হতে পারে !তাই ওদেরকে সযত্নে লালন-পালন করতে শিখুন। প্রেমিক এবং স্বামীদের উদ্দেশ্যে বলছি : নারীকে শুধুমাত্র মাংসের দলা ভাববেন না!নারী হলো সংসার জীবনের প্রধান ফুসফুস।যথাযথ সম্মান শ্রদ্ধা আর অকৃত্রিম ভালোবাসায়,সংসার মন্দিরে ওদের প

✍ Final Exposer
কবিতা

রঙিন আভা

বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) বসন্তে আজ মন ভিজেয়েরাঙলো পলাশ বন,কৃষ্ণচূড়ার ওই আভাতেইমন হলো উতল।আবির রঙে মন রাঙিয়েএলো যে আজ দোল,ছড়িয়ে দিয়ে রঙের বাহারমন হলো রঙিন।সেই সে দিনের রঙিন ফাগেরাঙালি যবে তুই,পুলকিত মনের আবেগরাখতে পারি কই!!মনে প্রাণে মিশে দোঁহেএই যে সমীরণেবলবি কবে রঙিন প্রভাতএনে দিবি কবে!!সেই প্রভাতের মিষ্টি আলোয়পলাশ রঙে মেতে,থাকবো দোঁহে পাশাপাশিরঙিন আবেশে।

✍ Final Exposer
কবিতা

টাকার মহিমা

সোমেন চ্যাটার্জী (কলকাতা) বন্ধু শোনোটাকাই পারে বদলে দিতেপোশাক বাড়ি গাড়ি,টাকাই পারে ইচ্ছেমতোযা খুশি তাই করি। টাকাই পারে মাঘের শীতেস্যান্ডো গেঞ্জি পড়াতে,টাকাই পারে ডান্স বারেবেপরোয়া ভাবে উড়তে। টাকাই পারে মূর্খের গলায়উত্তরীয় ঝোলাতে,টাকাই পারে এই বাজারেপুত্রসকও ভোলাতে। টাকাই পারে পাল্টি খেতেডিগবাজি দেয় চমৎকার,নির্দোষীদের হচ্ছে সাজাদোষী বেটা পগার পার, টাকাই হল সবার সেরাভালো-মন্দ চুলোয় যাকনির্দ

✍ Final Exposer
কবিতা

চলো বসন্ত হয়ে বাঁচি

মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) রৌদ্রনীল (রৌদ্র)….বৃষ্টি দেখো দেখো শিমুল পলাশ কৃষ্ণচূড়ায় লালে লাল হয়ে বসন্ত এসে গেছে,চলো না আমরা দু'জন আবারও ফাগুন রঙে রঙ্গিন হই।আমি তোমার খোঁপায় গুঁজে দেব পলাশের রোদ্দুর।দুপুর রোদে তুমি আমার হাতে হাত রেখে হাঁটবে,কবিগুরুর গানে গানে তুমি আমি একসাথে গলা মেলাই না কতকাল! বৃষ্টিরেখা (বৃষ্টি)….এই মরেছে!আবার তোমায় পাগলামিতে পেয়েছে রৌদ্র।তুমি জানো না ফাগুনের তপ্ত রোদে আমার গালে মুখে

✍ Final Exposer
কবিতা

বন্ধু কোথায় তুমি?

তোমাদেরই ইন্দু (কলকাতা) আমার কোনো বন্ধু নেইআমার কোনো বন্ধু নেই -যার কাছে আমি আমার ভাঙা দিনগুলোনিঃশব্দে রেখে আসতে পারি।যে আমার অগোছালো কষ্টগুলোধীরে ধীরে গুছিয়ে রাখবেকোনো যত্নের আলমারিতে।সত্যি বলতে আমার কোনো বন্ধু নেই।যাদের বন্ধু ভেবেছিলামতারা ছিল কেবল পথের সঙ্গী -দূরের ট্রেনযাত্রার মতো কিছু সময়,কিছু গল্প, কিছু হাসি।পথ শেষ হলেই,তারা নেমে গেছে আলাদা স্টেশনে,আমি রয়ে গেছিআমার নিজের দীর্ঘ পথের ভেতর।এই য

✍ Final Exposer
কবিতা

পুলিশ ডায়েরী

সমীরণ দাস (কলকাতা) ভোট আসে, ভোট যায়মানুষ তো রয়ে যায়পাওয়া না পাওয়ার খেদ নিয়ে । এ পার্টি ও পার্টিআসে কাছে হাঁটি হাঁটিঅনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে । কিছু মেলে, কিছু ঝোলেসব দাবী নাই মেলেকিছু বোঝে অন্তরযামী ! দলাদলি যাই করোদিন শেষে মনে করোপরিবারে তুমি বড় দামী।

✍ Final Exposer
কবিতা

"নিয়মের ঐকান্তিক অক্ষরেখা জুড়ে"

রাকা ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) আগমনী বসন্ত হরিদ্রাভ সরিষা প্রান্তর জুড়েজুড়িয়ে যাওয়া নয়নাভিরামে জড়িয়ে ধরেছিআশৈশবী এ উদাসী হলুদ আঁচল, হাত বুলিয়েবুলিয়ে ছুঁয়ে দেখেছি মা কে, আমার পৃথিবীকে…আমার আকাশ, আমাদের উন্মুক্ত স্বাধীন নীলাচল,হারিয়ে যেতে যেতে এ দেশ ও দেশ ছড়িয়ে ছিটিয়েমাতৃত্বের কোল ঘেঁষে আমাদের ই ভাই বোন….উত্তাল বাতাসে বিদেশী প্রেমিকের মর্মর স্মৃতি ..গঙ্গা পদ্মা যমুনা নর্মদা ত্রিবেণী সঙ্গমে

✍ Final Exposer
কবিতা

পাত্রী চাই

তিতলী রায় (কলকাতা) নীল সাদা কাপড় পড়ে খুব ধীর গতিতে মেয়েটি সামনে এগিয়ে এলো,হাতজোর করে সবাইকে প্রণাম জানিয়ে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে রইলোপাত্র পক্ষের সবাই নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বড্ড বেশিই ব্যস্তপ্রায় মিনিট পাঁচেক পর কেউ একজন বলে উঠলো আরে তুমি বোসো বোসো,মেয়েটি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকিয়ে সামনের চেয়ারে বসে পড়লো;শাড়ির আঁচলে আঙুল দিয়ে পাকাতে পাকাতে দু'টি পা মেঝেতে ঘষতে লাগলো।সুনয়না মনে মনে নিজেকেই বললো এরা কী

✍ Final Exposer
কবিতা

১৭ বসন্ত পার

সুমন বিশ্বাস (দুর্গাপুর) ১৭ বছর পার করে আজশুরুর সেদিন মনে পড়ে।লালবাড়িতে জয়েন করে,ATI এর ক্লাস ঘরে। মনে পড়ে ঢপের ক্লাসচায়ের কাপ আর বকুল তলা,পেরিয়ে এলাম অনেকটা পথ,তবুও চলুক এ পথ চলা। চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়েপথ হারিয়ে থামলো যারা।তারা থাকুক স্মৃতি জুড়ে,আকাশ জুড়ে দুটি তারা । কেউ সুখে কেউ দুঃখে আছি,যেমন আছি ভালই আছি।কেউ আছি সেই তেপান্তরে,কেউবা বাড়ির কাছাকাছি। মাঝে মধ্যে দেখা হয়কোলকাতাতে মিটিং হলে।প্রবেশনটা

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার রাই

গোপা মল্লিক (কলকাতা) মনটা যখন গুমোট ভারীবুকের কাছটায় তোকে ধরিসরে গিয়ে সব উদাসীনদিনটা হয় বড্ড রঙিন। বিপদ যখন মাথার পরেতোর হাসি জোছনা ধরেঅন্ধকারে পথ খুঁজে পাইবিপদ তখন পালাই পালাই। কুহু কুহু কোকিল ডাকেফুল ফোটে বাঁকে বাঁকেআলো আসে আঁধার চিরেআমার মনের মন্দিরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

সমাজের ইতিকথা

তৃপ্তি রায়চৌধুরী (কলকাতা) আজব দেশে মজার মানুষওড়ায় শুধু মিথ্যে ফানুস। আপন স্বজন মারামারিআমি তুমি'র কাড়াকাড়ি। ওপর ওপর দেখনদারিভেতরে সব ফুটো হাঁড়ি। সুখ বলে যায় গেলাম আমিতুই বুঝে নিস কোনটা দামি। কামাই টাকা ছলে বলেযাক না সমাজ রসাতলে! মন্দ কথা যতোই বলোপিঠটাকে ভাই চুলকে চলো। দেখলে বিপদ ঘাপটি মেরেউধাও হবে মুলুক ছেড়ে। সুখের পাশে ভিড় স্বজনেরদুঃখ মেটায় দায় ক'জনের? পরের ভাগ্যে চোখটা টাটায়সর্বনাশে

✍ Final Exposer