বাসন্তী ছোঁয়া
পার্থ প্রতিম চ্যাটার্জী (পূর্ব মেদিনীপুর) ফাগুন বাতাস বইলে পরে বড্ড মনে পড়েতোমার আমার প্রেম কেমনে উঠলো গড়ে!তখন আমি পঞ্চদ
পার্থ প্রতিম চ্যাটার্জী (পূর্ব মেদিনীপুর) ফাগুন বাতাস বইলে পরে বড্ড মনে পড়েতোমার আমার প্রেম কেমনে উঠলো গড়ে!তখন আমি পঞ্চদ
পূজা প্রামানিক (হাওড়া) যেখানে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শক্তির সম্ভার,তিনিই স্বয়ং আদিদেব।যিনি স্বয়ং অতীত এবং স্বগুণ ও নির্গুণ
বাণী চক্রবর্তী (মধ্যপ্রদেশ) শ্রাবণী পূর্ণিমার চাঁদ!গ্রহণ লাগুক তোমার অঙ্গে,ভাঙা আকাশের শরীরে বসে কষ্ট মাপুক তারারা।ভাঁজে
পূজা দাস বোস (কলকাতা) আজও অনেক কিছু বলার ছিলবলা হয়নি,মুখ নামিয়ে বসে রইলাম একা।কিছু না বলেই তুমি চলে গেলেআলো মুছে যাচ্ছ
ছবি বিশ্বাস (নদীয়া) গর্ভধারিণী জননী তুমিনয়কো তুমি ক্রীতদাসী ,জানো নাকো ছলাকলা সরল রীতি -তোমায় অতি ভালোবাসি। হাস্যমুখে
মমতা রায় (চন্দননগর) সে ছিল না রাজকন্যা, ছিল না কোনও গল্পের নায়িকা।সে ছিল খুব সাধারণ — হয়তো পাশের বাড়ির মেয়ে, অথবা ভীড়ের
শিবানী চক্রবর্তী (শ্রীরামপুর) ছাড়া ছাড়া ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাড়িঘর,বাঁশ বাগান, গ্রামাঞ্চল,বড়দিঘী তাল গাছে ঘেরা।সন্ধ্যার
মধুছন্দা গাঙ্গুলী (কলকাতা) হে ঋতুরাজ, হে বসন্তবছরের শেষ মধুমাসে,মর্ত্যে এসেছো তুমিরূপের মধুর অভিলাষে। দখিনা বাতাস জানান
মায়া সাহা (কলকাতা) তোর এলাকায় রাখলাম পা বছর আটেক পর !দূর থেকে দেখলাম তোর সুন্দর সাজানো ঘর। শুনেছিলাম অনাকাঙ্খিত মানুষটার
মমতা শঙ্কর সিনহা পালধী (নিউ ব্যারাকপুর) আমি চাই স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার,,,যেখানে থাকবে না কোনো পৌরুষত্বের বঞ্চনা,,যেখ
অনীতা প্রামানিক (কলকাতা) বসন্ত মানে সুমিষ্ট গন্ধে পাগল হাওয়ায় ভেসে যাওয়া কোকিলের কুহুতানে প্রেমের আবেশ মেখে মনছুঁয়ে
মৃগয়া পাণ্ডে (বাংলাদেশ) ফাগুনের প্রথম প্রাতে জখমে রক্তাক্ত শব্দেরা,পলাশের দলের মতো যেনো ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছ