কবিতা

কবিতা

ভালোবাসা মানে

মহুয়া বিশ্বাস (উত্তর ২৪ পরগণা) ভালোবাসায় থাকে পবিত্র বন্ধন, অটুট স্পন্দন।ভালোবাসা মানে আটকে থাকা নয়,ভালোবাসা মানে আবদ্ধ থেকে মুক্ত হওয়া।ভালোবাসা মানে আকর্ষন নয়,ভালোবাসা মানে হৃদয় -মনকে উচ্চস্থানে বসানো।ভালোবাসা মানে বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, উন্নত ভাবনাকে বিকশিত করা।ভালোবাসা মানে চেতনার সলতে উসকে দেওয়া।ভালোবাসা মানে প্রদীপ নেভানো নয়ভালোবাসা মানে অন্ধকারে আলো জ্বালা।ভালোবাসা মানে নিম্ন থেকে উপরে

✍ Final Exposer
কবিতা

শূন্য ছুঁয়ে

ববি সরকার (কলকাতা) বারবার কেন ঘুরেফিরে আসেএকই অনুভূতি সব ?রাগ থেকে যত ভাগ হয়েছিলকরেছি তা অনুভব। আজন্ম কাল চলছে যেনযোগ বিয়োগ গুণ ভাগ,ভাগ চিরকাল একা থাকেনা,মাছ দিয়ে ঢাকে শাক। যোগ হলে বিয়োগ আসবেই ফের,ভালোবাসার চাদর মুড়ে,এ জীবন রোজ ভাগাভাগি দ্যাখেকতো শত হৃদয় জুড়ে। অনুভূতি নিয়ে আর কতো হবেমগজের ভুরিভোজ !সবটা বুঝেই বিবাগী মনপালাতে চাইছে রোজ। যন্ত্র হলে যন্ত্রণা কেকরবো জানি জয়,শূন্য ছুঁয়ে সুখ পে

✍ Final Exposer
কবিতা

মানুষকে ভালোবাসো

রুনা মুখার্জী (কলকাতা) বাবা যেদিন তোমাকে নিয়ে এসে আমাকে বলল, এটা তোমার বন্ধু,দুজনে মিলে মিশে থেকো,সেদিন আমি বলেছিলাম, ওরা তো গরিব আর আমাদের থেকে নিচু জাতের, তাই ও আমার বন্ধু হতে পারেনা।রেগে গিয়ে বাবা বলেছিল, ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো।আসলে অতি প্রিয় বন্ধু ও তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাদের সন্তানকে কেউ অপমান করবে বাবা এটা মেনে নিতে পারেনি।তুমি আমাকে বোনের মতোই ভালোবেসে আমার সব বদ আবদার কে মেনে নি

✍ Final Exposer
কবিতা

যাপন

মৌসুমী মুখার্জী (পশ্চিম মেদিনীপুর) তোমার যা অপারগতামানতে রাজি যে,তাকে অক্টোপাসের নাগপাশেজড়িয়ে নিও নিজে। ব্যস্ত দিনে ক্লান্ত হলেওআগলে রেখো তাকে,ভুল করলে শুধরে দিয়েহাতটা যে ধরে রাখে। তোমার আমার অক্ষমতায়যেন কষ্ট সে না পায়,মনের কাছে এগিয়ে যাওনেই কোনো সংশয়। হাতটা যখন ধরেছে তোমারআলগা করো না বাঁধন,জড়িয়ে থাকো ভালো মন্দয়ক্ষণস্থায়ী যে জীবন। ভুলের বোঝা বাড়ছে হুহুমানুষ নির্বিকার,মনের মত সাথী পাওয়

✍ Final Exposer
কবিতা

অবহেলার জ্বালা

শিউলি নন্দন (বর্ধমান) কতটা পরিমাণ অবহেলায় সারা শরীর জুড়ে ফোস্কা পরে?নীরবতার গুমোট হাওয়া জ্বালিয়ে ছারখার করে।অতিষ্ট হয়ে উঠে শীতল ছায়ায় আরাম পাওয়ার লোভ,দমবন্ধ করা পরিবেশে অসহ্য লাগে নাটকীয় ক্ষোভ।বরফের মতো ঠান্ডা ছোঁয়ায় কেটে ফালা হয় অনুভূতি,ঝলসানো চামড়ায় পোড়া গন্ধ আঘ্রাণে মেলে অসম তৃপ্তি।উপশমের বাহক ভেবেই সয়ে নেওয়া অদেখা তৃপ্তি,অবহেলার আঁচে পুড়ে ছাই হয়ে উড়ছে গোপন কথা।ক্ষতের গভীরতা যাচাই করে শুধুই সমব

✍ Final Exposer
কবিতা

রসদ

সোমা দেবনাথ দাস (হাওড়া) পড়ন্ত বিকেলের রোদ লাগে খুব মিষ্টিনতুন করে কিছু করা যায় সৃষ্টি,জীবনে চলার পথ যতই হবে কঠিনআসলেও আসতে পারে সুদিন। নতুন সকালের মিঠে রোদনতুন স্বপ্ন দেখায় যে কত,ভয় কে করে জয় এগিয়ে চলতে হয়।স্রোতের দিকে সবাই তো যায়-স্রোতের বিপরীতে ও মাঝে মাঝে হাঁটতে হয়। , না বলা কথা থাক না মেঘের ঘরেবৃষ্টি হয়ে ঝরুক শুধু তোমার অন্তরে,সবাই কেন বুঝবে তোমায়? কার আছে এত দায়নিজেকে ভালো রাখার ম

✍ Final Exposer
কবিতা

আজকের নারীর আবেদন

মায়া সাহা (কলকাতা) একবিংশ শতাব্দীর নারী'র সভ্য সমাজকে আবেদন : কন্যা সন্তানকে পরিবারের বোঝা ভাববেন না!ওদের কে পরিবারের অমূল্য রতন ভাবতে শিখুন।সুযোগ পেলে ওরা কিন্তু সোনার ডিমও হতে পারে !তাই ওদেরকে সযত্নে লালন-পালন করতে শিখুন। প্রেমিক এবং স্বামীদের উদ্দেশ্যে বলছি : নারীকে শুধুমাত্র মাংসের দলা ভাববেন না!নারী হলো সংসার জীবনের প্রধান ফুসফুস।যথাযথ সম্মান শ্রদ্ধা আর অকৃত্রিম ভালোবাসায়,সংসার মন্দিরে ওদের প

✍ Final Exposer
কবিতা

রঙিন আভা

বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) বসন্তে আজ মন ভিজেয়েরাঙলো পলাশ বন,কৃষ্ণচূড়ার ওই আভাতেইমন হলো উতল।আবির রঙে মন রাঙিয়েএলো যে আজ দোল,ছড়িয়ে দিয়ে রঙের বাহারমন হলো রঙিন।সেই সে দিনের রঙিন ফাগেরাঙালি যবে তুই,পুলকিত মনের আবেগরাখতে পারি কই!!মনে প্রাণে মিশে দোঁহেএই যে সমীরণেবলবি কবে রঙিন প্রভাতএনে দিবি কবে!!সেই প্রভাতের মিষ্টি আলোয়পলাশ রঙে মেতে,থাকবো দোঁহে পাশাপাশিরঙিন আবেশে।

✍ Final Exposer
কবিতা

টাকার মহিমা

সোমেন চ্যাটার্জী (কলকাতা) বন্ধু শোনোটাকাই পারে বদলে দিতেপোশাক বাড়ি গাড়ি,টাকাই পারে ইচ্ছেমতোযা খুশি তাই করি। টাকাই পারে মাঘের শীতেস্যান্ডো গেঞ্জি পড়াতে,টাকাই পারে ডান্স বারেবেপরোয়া ভাবে উড়তে। টাকাই পারে মূর্খের গলায়উত্তরীয় ঝোলাতে,টাকাই পারে এই বাজারেপুত্রসকও ভোলাতে। টাকাই পারে পাল্টি খেতেডিগবাজি দেয় চমৎকার,নির্দোষীদের হচ্ছে সাজাদোষী বেটা পগার পার, টাকাই হল সবার সেরাভালো-মন্দ চুলোয় যাকনির্দ

✍ Final Exposer
কবিতা

চলো বসন্ত হয়ে বাঁচি

মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) রৌদ্রনীল (রৌদ্র)….বৃষ্টি দেখো দেখো শিমুল পলাশ কৃষ্ণচূড়ায় লালে লাল হয়ে বসন্ত এসে গেছে,চলো না আমরা দু'জন আবারও ফাগুন রঙে রঙ্গিন হই।আমি তোমার খোঁপায় গুঁজে দেব পলাশের রোদ্দুর।দুপুর রোদে তুমি আমার হাতে হাত রেখে হাঁটবে,কবিগুরুর গানে গানে তুমি আমি একসাথে গলা মেলাই না কতকাল! বৃষ্টিরেখা (বৃষ্টি)….এই মরেছে!আবার তোমায় পাগলামিতে পেয়েছে রৌদ্র।তুমি জানো না ফাগুনের তপ্ত রোদে আমার গালে মুখে

✍ Final Exposer
কবিতা

বন্ধু কোথায় তুমি?

তোমাদেরই ইন্দু (কলকাতা) আমার কোনো বন্ধু নেইআমার কোনো বন্ধু নেই -যার কাছে আমি আমার ভাঙা দিনগুলোনিঃশব্দে রেখে আসতে পারি।যে আমার অগোছালো কষ্টগুলোধীরে ধীরে গুছিয়ে রাখবেকোনো যত্নের আলমারিতে।সত্যি বলতে আমার কোনো বন্ধু নেই।যাদের বন্ধু ভেবেছিলামতারা ছিল কেবল পথের সঙ্গী -দূরের ট্রেনযাত্রার মতো কিছু সময়,কিছু গল্প, কিছু হাসি।পথ শেষ হলেই,তারা নেমে গেছে আলাদা স্টেশনে,আমি রয়ে গেছিআমার নিজের দীর্ঘ পথের ভেতর।এই য

✍ Final Exposer
কবিতা

পুলিশ ডায়েরী

সমীরণ দাস (কলকাতা) ভোট আসে, ভোট যায়মানুষ তো রয়ে যায়পাওয়া না পাওয়ার খেদ নিয়ে । এ পার্টি ও পার্টিআসে কাছে হাঁটি হাঁটিঅনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে । কিছু মেলে, কিছু ঝোলেসব দাবী নাই মেলেকিছু বোঝে অন্তরযামী ! দলাদলি যাই করোদিন শেষে মনে করোপরিবারে তুমি বড় দামী।

✍ Final Exposer