আলতো ছোঁয়া
চিত্রা কুণ্ডু বারিক (কলকাতা) সমীর কর্মক্ষেত্রে ভীষণ ব্যস্ত মানুষ। কাজের সময় সে পৃথিবীর কাউকে চেনে না। বছর দুয়েক হয়েছে
চিত্রা কুণ্ডু বারিক (কলকাতা) সমীর কর্মক্ষেত্রে ভীষণ ব্যস্ত মানুষ। কাজের সময় সে পৃথিবীর কাউকে চেনে না। বছর দুয়েক হয়েছে
বানী পাল (কলকাতা) যার জন্য করলাম চুরিসেই বলছে চোর,আমি বলি আমি তোমারসে বলে আমি তোর। আমি বলি ডাইনে যেতেসে যায় ঠিক বাঁয়ে,
মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) যে যা বলছে শুনছি সেটাইযে যা দ্যাখাচ্ছে দেখছি তাইসত্যি মিথ্যার মাপকাঠিটাবদলে গেছে অনেকটাই--
অপর্ণা মুর্মু (বাঁকুড়া) আর্তনাদ ঘোর আর্তনাদ আর ছায়াচ্ছন্ন বিষাদের যন্ত্রণারাতের গভীরতা যেমন বয়ে চলেহাজার- হাজার আর্তনা
শারদীয়া সান্যাল (কলকাতা) "হ্যালো!""বাবা! একবারে ফোন ধরলে যে বড়?""কাজের মধ্যে যে ফোন ধরা যায় না, সেটা আর কবে বুঝবে এবং
মারুফ খাঁন (কলকাতা) পারবো না আমার দ্বারা হবে না!জানি না।বুঝিনাকই গো! জানিনা পারবোনা করে নাও আমাকে ভুলে যাওপ্রভু মনে হয়
স্মৃতি সাহা (কলকাতা) মহার্ঘ্য ভালোবাসায় নিজেকে সাজাই, নিজের মত তাকেও ভালো বাসি তাই।মনপর মত পেয়ে, যাকে মন মেনে নেয়,মন খু
সুমিতা সিনহা (দুর্গাপুর) অটোতে উঠে ফ্যালফ্যাল করে পিছনের দিকে তাকিয়ে রইলো নয়ন। দশ বছরে তিল তিল করে বুক দিয়ে ধ্বংসস্তূপ ঠ
মৌ চক্রবর্তী (হাওড়া) এই জীবনের রোজনামচায় যার নামটা সবার আগে,সবার সেবার জন্য যে জন নিদ্রাবিহীন রাত্রি জাগে,অসুখ- বিসুখে
পার্থ প্রতিম চট্টোপাধ্যায় (হলদিয়া) তবু মনে রেখো যেদিন যাব চলেস্মৃতিটুকু রেখো তব তপ্ত অশ্রুজলে,নিস্তব্ধ নীরব উপত্যকার শীত
মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) কর্পোরেট…!কিছুটা হলেও খানাখন্দ ঢাকা দেওয়া মেঝেতে পাতা কার্পেটের মতোন….একটা বিছানো শীতলপাটির শীত
বৃষ্টি নূপুর (কলকাতা) এই যে হাসি, এই যে এতো আনন্দ —আর কয়েকটা দিনের অতিথি মাত্র।তারপর সময় নিঃশব্দে ডেকে বলবে—"এবার ফিরত