কবিতা

কবিতা

মা

রুনা মুখার্জী (কলকাতা) মা আমার প্রাণের প্রিয়আমার সব আশামা ছাড়া জীবন বৃথাথাকে না বাসা। মা আমার নয়ন তারানেইকো তার তুল্যজীবন ভর দিয়ে যাবোমায়ের ঠিক মূল্য। মা আমার সুখের খনিদেয় শুধু আলোমাকে সব দেবো আমিযা কিছু ভালো‌ মা ডাকটা বড়ই মধুরমনে দেয় ভক্তিমা আবার দুঃখের দিনেযোগান দেয় শক্তি। দূর থেকে মাকে ভেবেমন কেঁদে মরেমা ছেড়ে গভীর রাতেঅশ্রুরা ঝরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

ভালোবাসার খোঁজে

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) সামনে দাঁড়িয়ে আছে অগভীর জীবন সমুদ্রদুহাতে ঘৃণা সরিয়ে সাঁতার কেটে এগিয়ে চলেছিক্লান্ত অবসন্ন দেহতার থেকেও বেশি ক্লান্ত মনজীবনকে প্রশ্ন করলামভালোবাসা কোথায় থাকে?সে বললো সময় নাও, সন্ধান করোসেই থেকে খুঁজে চলেছিপ্রতিটি বাঁকে বাঁকেদেখা হলো বিবাহ বয়স উত্তীর্ণা রাবেয়া দিদির সাথেতার টই টুম্বুর চোখআষাঢ়ের বৃষ্টির মতোডেকে বললাম তুমি জানো ভালোবাসা কোথায় থাকে?উত্তর দিলো আরে সে তো না

✍ Final Exposer
কবিতা

সাক্ষাৎ

মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) সেদিন জানা ছিলোনা পূর্বার, অথচ বসন্ত উৎসবে কাকতালীয়ভাবে প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর পর আবার দেখা হয়ে গেলো প্রত্যয়ের সাথে।ঐ যে কথায় বলেনা মুখোমুখি হলে অনেক বিবাদের বিসর্জন হয়, ঠিক তেমনই মুখ দেখাদেখি বন্ধ থাকলেও মুখোমুখি দুজনেই মুচকি হাসে….তবে বছর বত্রিশের অভিযোগ এখন পাললিক শিলায় রূপান্তরিত।কলেজের সেই ভালোলাগার দিনগুলো একসাথে সময় কাটানোর কথা দুজনের চোখে একে একে ভিড় করে..অস্

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার স্বর্গভূমি

শুভা রায় (কলকাতা) এই বাড়ির প্রতি ইঁট,কাঠ,পাথরেলেগে আছে আমার ছোট্ট আমি,এই বাড়ি আমার স্বর্গভূমিআমি জানি, আর জানেন অন্তর্যামী! এই বাড়িতেই হামাগুড়ি দিতে শেখাহাঁটতে শেখা বাবার হাতটি ধরে,এই বাড়িতেই মায়ের আঁচল থেকেঅপার স্নেহ সদাই পড়তো ঝরে! এই বাড়ির প্রতিটি কোণায় আমারবেড়ে ওঠার গল্প আছে লেখা,এই বাড়িতেই দাদুর কোলে বসেছোট্ট আমি'র অ আ ক খ শেখা! এই বাড়িটার আজও আছে মনেআমার প্রথম স্কুলে যাবার ক্ষণ,এই

✍ Final Exposer
কবিতা

কাঞ্চু

রাসমণি ব্যানার্জী (হরিপাল) এই কাঞ্চু এই কাঞ্চু এলাম তোদের পাড়াতেতোদের বাড়ি যাবো না আজকে বিকেল বেলাতে।এই কাঞ্চু আয় না চলে দেখা করে যাবিআমার জন্য বেগুন আনিস এটা আমার দাবি।সেদিন ভোরে তোদের বাড়ি এসেছিলাম আমিস্বপ্ন সেটা ছিল রে দি জানেন অন্তর্যামী।এই কাঞ্চু তোদের পাড়ায় কবিতা পাঠ করিআয় চলে আয় শুনতে পেলে দেখতো কেমন পড়ি।এই কাঞ্চু ঘুগনি মুড়ি আনিস সাথে করেতোদের পাড়ায় এসেছি আজ টোটো গাড়ি চড়ে।কাঞ্

✍ Final Exposer
কবিতা

বাসন্তী ছোঁয়া

পার্থ প্রতিম চ্যাটার্জী (পূর্ব মেদিনীপুর) ফাগুন বাতাস বইলে পরে বড্ড মনে পড়েতোমার আমার প্রেম কেমনে উঠলো গড়ে!তখন আমি পঞ্চদশী পরেছি প্রথম শাড়িদোলের দিনে এলে হঠাৎ তুমি আমার বাড়ি।সারা মুখে তোমার বাঁদুরে রং আবির সারা গায়েবাড়ির সামনে দাঁড়ালে এসে ভয় জড়ানো পায়ে।তোমার সাথে ছিলো সেদিন আরো ছেলের দলভূত সেজে দাঁড়িয়ে তারাও রং মাখানোর ছল।দরজায় এসে দাঁড়িয়ে তুমি ডাকলে নাম ধরেআমার নাম শুনেই আমি লুকিয়ে গেছি ঘরে।এদিক

✍ Final Exposer
কবিতা

নীলকন্ঠী

পূজা প্রামানিক (হাওড়া) যেখানে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শক্তির সম্ভার,তিনিই স্বয়ং আদিদেব।যিনি স্বয়ং অতীত এবং স্বগুণ ও নির্গুণ উভয় রূপে বিরাজমান,যাকে পৃথিবীর শক্তির উৎস বলে মনে করা হয়।যার মস্তকে স্বয়ং গঙ্গার স্থান,যার হৃদয়ে স্বয়ং পার্বতী।যার আরাধনা বরফে ঢাকা পর্বতের চূড়ায়,পূর্ণিমার আলোর ক্ষেত্রে স্বয়ং বিরাজমান।যিনি স্বয়ং গাড়ওয়াল হিমালয়ের রক্ষা কর্তা,তিনি স্বয়ং ভূমির অধিপতি।যিনি স্বয়ং চন্দ্র

✍ Final Exposer
কবিতা

বোবাকান্না

বাণী চক্রবর্তী (মধ্যপ্রদেশ) শ্রাবণী পূর্ণিমার চাঁদ!গ্রহণ লাগুক তোমার অঙ্গে,ভাঙা আকাশের শরীরে বসে কষ্ট মাপুক তারারা।ভাঁজে ভাঁজে জমে থাকুক হারিয়ে যাওয়া কথারা। বোবাকান্নায় চিতার আগুনে যতই পুড়ে যাকঅতলান্ত হৃদয়,অর্ধেক ভুবন,গভীর ছোঁয়া,তবুওছলাৎ ছলাৎ জল সরিয়ে ডাঙা খোঁজে জীবন। এক ঝলক রোদ,এক পশলা বৃষ্টি অথবা বিলাপ,হৃদয়ের ক্ষত অথবা শূন্যতা,সব কষ্টেরবোঝা নিয়ে আঁখিপল্লবে ঝুলে থাকে…একফোঁটা অশ্রু!

✍ Final Exposer
কবিতা

বলা হয়নি

পূজা দাস বোস (কলকাতা) আজও অনেক কিছু বলার ছিলবলা হয়নি,মুখ নামিয়ে বসে রইলাম একা।কিছু না বলেই তুমি চলে গেলেআলো মুছে যাচ্ছে পশ্চিমের জানালায়!ঘরের পাশে নদী,দুজনের কথার পাহাড় ভেঙেযে ঝর্ণা একদিন নদী হয়েছিল,সেই জলের শব্দ ভেসে আসছে।দরজায় ধাক্কা লাগছে ঠান্ডা হাওয়ার,দূরে ভেসে যাচ্ছে সব কথাদের ঢেউ!এগিয়ে আসছে জল।আজও অনেক কিছু বলার ছিলবলা হয়নি,বুঝতেই পারিনি কখন তুমি ফুরিয়ে গেছ!আমার রাতের ঘরে প্রদীপ জ্

✍ Final Exposer
কবিতা

বাবা মা

ছবি বিশ্বাস (নদীয়া) গর্ভধারিণী জননী তুমিনয়কো তুমি ক্রীতদাসী ,জানো নাকো ছলাকলা সরল রীতি -তোমায় অতি ভালোবাসি। হাস্যমুখে দাও আশীষ,তুলে লয়ে বক্ষ মাঝেসন্তানরা সমান ভাবেসুখে থাক জগৎ মাঝে । বক্ষ মাঝে ছিন্ন আশাছিন্ন বীণায় বাজে সুর,হোলির রঙে সজল চোখেরসকল দুঃখ হোক দূর হোক দূর। লাল পলাশের আশা নিয়েএল হোলি এল হোলি এল হোলি ,নত হোক নত হোক উদ্ধত শির উদ্ধত শিরনয়ন জলের প্রেম সুধায় তোমার চরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি। খু

✍ Final Exposer
কবিতা

এক নারীর গল্প

মমতা রায় (চন্দননগর) সে ছিল না রাজকন্যা, ছিল না কোনও গল্পের নায়িকা।সে ছিল খুব সাধারণ — হয়তো পাশের বাড়ির মেয়ে, অথবা ভীড়ের মধ্যের কেউ। কিন্তু তার জীবনটা ঠিক সিনেমার মতো ছিল না… বরং ছিল একটা কঠিন বাস্তবতা।প্রেমের নামে প্রতারণা,ভালোবাসার নামে শোষণ,স্বপ্নের নামে ভেঙে যাওয়া — সব সে দেখেছে। সবাই যখন ভাবল, সে ভেঙে পড়বে…সে ঠিক তখনই নিজেকে গড়ে তুলল।সে বুঝে গিয়েছিল,"এই পৃথিবীতে মেয়েদের কান্না কেউ মনে রাখে না

✍ Final Exposer
কবিতা

আতঙ্ক

শিবানী চক্রবর্তী (শ্রীরামপুর) ছাড়া ছাড়া ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাড়িঘর,বাঁশ বাগান, গ্রামাঞ্চল,বড়দিঘী তাল গাছে ঘেরা।সন্ধ্যার পর এখানে শিয়ালের উপদ্রব বেশি।একটু দূরে জলাভূমি।দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কাছাকাছি দোকানপাট আছে। বিশেষ প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য তিন ,চার মাইল দূরে যেতে হয়।এখনো এত উন্নতির পরও গাড়ির যাতা য়াত এর ব্যবস্থা খুব কম। সাইকেল স্কুটার নিয়ে যাতায়াত হয় বেশিরভাগ। রাস্তার গায়ে লাইটপোস্ট ছ

✍ Final Exposer