কবিতা

কবিতা

তুমি বসন্ত

মধুছন্দা গাঙ্গুলী (কলকাতা) হে ঋতুরাজ, হে বসন্তবছরের শেষ মধুমাসে,মর্ত্যে এসেছো তুমিরূপের মধুর অভিলাষে। দখিনা বাতাস জানান দিয়েছেতুমি এসেছো দ্বারে,কুহু কুহু স্বরে কোকিলের তানবাতাসে ভাসে বারে বারে। তোমায় বরণ করতেগাছ ফুলে ফুলে ভরা,শিমুল পলাশের লালে লাল রঙেসেজে উঠেছে ধরা। গুনগুন সুরে ভ্রমর গুঞ্জনগাইছে মধুর গান,ডালে ডালে ভরেছে আমের মুকুলবইছে খুশির বান। পুলকিত সারা আকাশ বাতাসতারার বসেছে মেলা,চন্দ্রকিরণে

✍ Final Exposer
কবিতা

তোর বক্ষে অন্যের আধিপত্য

মায়া সাহা (কলকাতা) তোর এলাকায় রাখলাম পা বছর আটেক পর !দূর থেকে দেখলাম তোর সুন্দর সাজানো ঘর। শুনেছিলাম অনাকাঙ্খিত মানুষটার সাথে,তুই দিব্যি গুছিয়ে করছিস ঘর সংসার ! এ ও শুনেছি তোর সাথে বেশ মানিয়েছে ওকে !বলনা তবে কি ওই -ই তোর যোগ্যতম রাধে? শুনেছি ও নাকি তোর ই মতোন ভীষণ সঞ্চয়ী ।তবে তো নিশ্চয়ই দুজনে মিলে বইছিস সুখের তরী ! সত্যি বলবি, ও..ও কি আমার মতো বড্ড কেয়ারিং?তুইও বুঝি অন্তর দিয়ে কেয়ার করিস ওকে? ও..ও

✍ Final Exposer
কবিতা

নারী

মমতা শঙ্কর সিনহা পালধী (নিউ ব্যারাকপুর) আমি চাই স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার,,,যেখানে থাকবে না কোনো পৌরুষত্বের বঞ্চনা,,যেখানে সর্বক্ষেত্রে থাকবে নারী-পুরুষের সমান স্বাধীনতা,,,থাকবে না ঘর্মাক্ত নারী শরীরের প্রতি কোনো লোলুপতার দৃষ্টি,,থাকবে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সন্মান, বন্ধুত্বের অঙ্গীকার।।আমাকে পণ্য করে নয় যথাযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সন্মানের সাথে দিতে হবে এ সমাজে শিক্ষার ও পুরুষের সহোযোদ্ধার অধিকার।।আমি

✍ Final Exposer
কবিতা

শৈশবের বসন্ত

অনীতা প্রামানিক (কলকাতা) বসন্ত মানে সুমিষ্ট গন্ধে পাগল হাওয়ায় ভেসে যাওয়া কোকিলের কুহুতানে প্রেমের আবেশ মেখে মনছুঁয়ে হারিয়ে যাওয়া,বসন্ত মানে দখিনা হাওয়া। শিমুল,পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া,অশোক পলাশের টুকটুকে লাল রঙে সেজে ওঠে প্রকৃতি। গাছে গাছে নতুন পত্রপল্লব ও মুকুলে ভরে থাকা। হলুদ ফুলে ভরে থাকা মাঠের পর মাঠ,গুনগুনিয়ে ভ্রমরের খেলা। কি অপূর্ব সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি।ঋতু মায়ের অপরূপ সাজ।আঁকাবাঁকা মেঠো

✍ Final Exposer
কবিতা

স্বাধীনতা তুমি এই বাংলায় আসো

মৃগয়া পাণ্ডে (বাংলাদেশ) ফাগুনের প্রথম প্রাতে জখমে রক্তাক্ত শব্দেরা,পলাশের দলের মতো যেনো ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে,আঁশটে গন্ধের মতো বাতাসে লাসের ঘ্রাণে ভারী হয়ে উঠেছে।কারণ;গোটা বাংলা আত্মচিৎকার করে স্বাধীনতা চাইছে!ভগ্নস্তুপের পাশে অপেক্ষারত ক্ষুধার্ত কুকুরের মতো চিৎকার করে বলছেস্বাধীনতা এই বাংলায় আসো।গুচ্ছ গুচ্ছ রক্ত করবীর তোড়ায় একটা স্বাধীন সোনালি সূর্য নিয়ে আসো।ডালিম ফুলের শোভিত আভা নিয়েস

✍ Final Exposer
কবিতা

"২১শে শ্রদ্ধা"

সমীরন দাস (কলকাতা) একুশ আমার নাড়ির বাঁধনএকুশ রক্ত ক্ষরণএকুশ যেন বাংলা ভাষীরআনলো মহা মিলনদেশ আমার হোকনা দুভাগজাতি ষোলয়ানাপদ্মা - গঙ্গার দুইপারে বাহোকনা বসত খানাসেই ঘরের দালানে মাদেয় যে বাছা ডাকরবী -নজরুল ,হাসন - লালনগল্পে ,গানে থাকভরা নদী ছলাৎ ছলাৎবদর বদর বাণীশস্য শ্যামল দুই বাংলারশঙ্খ ,আজান ধ্বনিদোয়েল ,শালিক ,কোকিল ফিঙেসবুজ ধানের ক্ষেতদীনদুঃখিনি মায়ের আঁচলনাইকো মোদের খেদএক ভাষাতে রাম ও রহিমউঠবে ডে

✍ Final Exposer
কবিতা

স্মরণীয় বরণীয়

মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) বাক স্বাধীনতা ফিরে পেতে যাঁরা ছেড়েছিলেন ঘরবাড়ি--কোন অজুহাতে বলতো আমরা তাঁদেরকে ভুলতে পারি?মাতৃভাষার অধিকারে যাঁরা খেয়েছিলেন গুলি, লাঠি--হার না মানা সেই গল্পই আমাদের বলে বাংলার মাটি;অত্যাচারীর সামনে যাঁরা বাজি ধরেছিলেন জীবনমাতৃভাষা দিবসে তাঁদের আদর্শই তুলে ধরে মন।হায়নার কবল থেকে ছিনিয়ে এনেছিলেন যাঁরা ভাষার অধিকারতাঁদের কিভাবে ভুলে যাব আমরা, তাঁরা তো নন পর।হতে পারে

✍ Final Exposer
কবিতা

বাংলা ভাষা

বেবী পাত্র (গুড়াপ, হুগলী) চর্যাপদ হল বাংলা ভাষায় প্রথম গীতিকাসাধনতত্ত্বের মধ্যেই আছে সাহিত্যের প্রীতিকা‌। চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রেমের উপাখ‍্যানমিলন, যন্ত্রণায় রচিত রাধা, কৃষ্ণের আখ‍্যান। ভারত চন্দ্র গাইলেন অন্নদামঙ্গলের গানমাটির ঘরে দেবতা বসে গঞ্জিকায় দেন টান। রামপ্রসাদের শাক্ত পদে উমা যে ঘরের কন‍্যাআগমনী বিজয়া গানে বাৎসল‍্য রসের বন‍্যা। যুগে যুগে মিলনে নয় ,বিচ্ছেদ‌ প্রেমের সম্বল,মহুয়া, মলু

✍ Final Exposer
কবিতা

দরদী মাতৃভাষা

তৃণা মুখার্জী (গণপুর) হৃদয়ের এক আন্তরিক স্বরের যোগসূত্রে বাঁধা তুমি।আবেগে ,আনন্দে,কোলাহলে এক-পা,এক-পা করে কি পরম তৃপ্তি প্রদান করো।প্রথম ডাকা আত্মিক স্বরধ্বনি …..ভুলতে বসেছে আধুনিক কায়দারা।মশাল জ্বালিয়ে অন্ধকার দূর করতে চাওয়া সন্তানেরা, হারিয়ে যায় অজ্ঞতার ভেলায়।দরদীয়া ভাষার দরদ বোঝে কয়জনে?আগাম আধুনিক ভাষার দরে বেমানান বাংলা ভাষা।কবে, কোন কালে লড়াই এর স্বর ভুলে ভুলে পর্বত শিখার ভিত গড়েছ।

✍ Final Exposer
কবিতা

ধূসর গোধূলি

তিতলী রায় (কলকাতা) তখনও অর্ধেকের বেশি আলো নেইদু’চোখে ক্লান্তি হতাশা নিয়ে অপেক্ষা মন,চারিদিকে শুধু মহাশূন্যে পরিভ্রমণ করাএখনও কিছুটা সময় বাকী তাকিয়ে কিছু জনগণ। দেখতে দেখতে ধেয়ে আসছে দিনের শেষ সূর্য কিরণজেগে আছো তুমি, নাকি আজও সেই ঘুমন্ত,মাঝে মাঝে মৃদু পায়ে এগিয়ে আসার শব্দ,ফিরে দেখি শুধুই মনের অন্তঃপুরের সুপ্ত কামনায় মন জব্দ। এ কোন ভালোবাসা খুঁজে ফেরে অলিগলিযন্ত্রণায় ছটফট করে বুকের ভিতর চাপা উত্তেজন

✍ Final Exposer
কবিতা

প্রেমময় নববসন্ত

রাই প্রিয়া (ক্যানিং) বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। যেন প্রাচীন ঋষি মন্ত্রচ্চারণে জাগায় নিদ্রিত পৃথিবী,শীতের ধূসর চাদর সরিয়ে বিস্তৃত তার সবুজ অঞ্চল,পাতার শিরায় শিরায় যে নবরক্তধারা তা যেন প্রেমেরই গোপন বারিসিঞ্চন।শালবনের স্তব্ধতা ভেঙে কোকিল তোলে মধুর কুহুতান,তার সুরে দোলে নবপল্লব, প্রেম পায় পূর্ণতার গান।লাল পলাশের শিরায় শিরায় জমে থাকা অভিমানী রক্তের আর্তি,যেন আগুন হয়ে ফুটে ওঠা প্রেমেরই সাহসী স্বীকার

✍ Final Exposer
কবিতা

একুশে বাংলা

পূজা প্রামানিক (আন্দুলে, হাওড়া) যে ভাষা ডাক শেখালোগান শেখালো হৃদয় জুড়েসেই ভাষাই জন্ম পেলমাতৃভাষা নামে।যে ভাষায় শব্দ বর্ণ ঝরনাতথা নিত্য করে আপন মনেবাংলার নদী আপন স্রোতেবইতে থাকে সে কোন আবেগে?যে ভাষা শিরায় শিরায়বাংলা ভাষার রক্ত বয়যে ভাষার নিত্যদিনেমুক্ত চোখে স্বপ্ন দেখায়।যে ভাষা যুদ্ধ শেখায়প্রতিবাদ তথা মুক্তি খোঁজেযে ভাষাই নিরব কোণেশান্ত মনে শান্তি খোঁজা।বাংলা ভাষা শুধু হৃদয়ে নয়কন্ঠে বাজুক

✍ Final Exposer