একলার অক্সিজেন
মধুরিমা মুখোপাধ্যায় রায় (কলকাতা) নৈশব্দও একটা সুন্দর অনুভূতি,তবে বুঝতে হবে -তিরতির বাতাস,কুলকুল নদীর জল,কখনও শনশন বাতাস
মধুরিমা মুখোপাধ্যায় রায় (কলকাতা) নৈশব্দও একটা সুন্দর অনুভূতি,তবে বুঝতে হবে -তিরতির বাতাস,কুলকুল নদীর জল,কখনও শনশন বাতাস
পলি সরকার ভট্টাচার্য্য (হলদিয়া) কর্তা বললো,বলো কি তোমার অভিমত?গিন্নী বললো,দরকার নেই,শেষ অবধি তোতোমার মতেই মত। জল বললো, শ
কণিকা বর্মন (বালুরঘাট) এক ছাদের তলায় থাকা হল নামেঝে বরাবর উঠে এল বর্ণভেদ ও সংস্কারতাই তৈরির আগেই ভেঙে পড়ল গৃহ ভিত তুমি
গোপা মল্লিক (কলকাতা) কেঁদে কেঁদে মেয়েটার হয়েছে মাছের চোখমুখটা ফ্যাকাশে চলছে কিসের একটা শোকখোঁজ নিয়ে জানলাম ওর নাম জ্যোৎস
মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) প্রকট!কখনো আঁধারের রঙ আলো চেনায়….যেমন ধরো বড্ড অন্ধকারচিকমিক জোনাকি, মিটমিটে তারাআড়ালের বৈভব
পার্থ প্রতিম চ্যাটার্জী (হলদিয়া) বিশিষ্ট সমাজসেবী অকৃতদার শুভঙ্কর বাবুর বিভিন্ন দিকে ব্যস্ততার শেষ নেই। শরীরের পৌঢ়ত্বের
সোমা মৌ ঘোষ (কলকাতা) শান্তিতে বয় নদীশান্তিতে পথঘাটছাত্রছাত্রী আশাবাদীনির্বিঘ্নে পাবে পাঠ। ক্ষত সারাতে পারবেনএই ভরসায় প
জয়া সান্যাল (কলকাতা) আর্দ্র দুপুর আলুথালু বেশে মেঘ খোঁজেপরন্ত গোধূলির রাঙা তাপে পুড়েফটিক জলে তীব্র পিপাসার আর্তনাদ শুন
সুমিতা সিনহা (দুর্গাপুর) সারাদিন টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছিলই। সন্ধ্যার পর বিশাল আকার ধারণ করে। একেবারে শ্রাবণের বাদল ধারাপ
মালবিকা পণ্ডা (পশ্চিম মেদনীপুর) রবিবার। বেশ কয়েকজন বন্ধু একসঙ্গে আড্ডা মারছে। অঙ্কিত এখনও আসে নি । আড্ডাটা যেন ঠিক জমছে
রনিতা মল্লিক (হুগলী) আষাঢ়ের বিকেল,আস্তে আস্তে অন্ধকার হয়ে আসছে আকাশ টা।বাইরে থেকে একটা চিৎকার ক্রমশ সামনে ভেসে আসছে…..।ক
অন্তরা চ্যাটার্জ্জী (কলকাতা) কে শেখালো মুখের বুলিকে শেখালো মা ?তুমিই আমার আদি গুরুপ্রথম শিক্ষিকা। তোমার হাতেই বর্ণ শেখাহ