কবিতা

কবিতা

ফসিল ইতিহাস

সোমা ঘোষ (কলকাতা) দেওয়ালে পিঠ ঠেকছে যাদেরকপালে ভাঁজ তাদেরইতুমি আমি আম জনতামিলবে স্বস্তি আমাদেরই। ভয় পেওনা ভয় পেওনামিথ্যে তো নয় রটনাধোঁয়া যখন আছেআগুন মেলাটা মিথ্যে না। অনেক হলো এডাল ওডালসবই দেখছে প্রকৃতিখড়া বন্যা আসবে যেদিনঅপকর্মের নেই নিষ্কৃতি। ভাবছো বসে টাকার খেলাছড়িয়ে দেব মুঠো ভরে..কাক আসবে ছুঁক ছুঁকিয়ে,তারাই এবার দিবা নিদ্রায় নাও ঝিমিয়ে। কালের হাওয়া জেনে রেখো২০০ বছরের ও হয়েছে বিনাশ

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার ফাগুন

মিষ্টু চৌধুরী মজুমদার (কলকাতা) আবির রাঙা আকাশেতে এলো রে ওই ফাগুনমনেতে আজ লেগলো যে দাবানলের আগুন। সবাই বলে ফাগুন আমার ফাগুন তোমারবাসন্তিকা বয়ে আনে বিষাদের স্মৃতি ভোলার। আম্রমুকুল গাছের ডালে ভরিছে নিজ সাজেআমার কবিতা পরিপূর্ণ ছন্দের ভাঁজে ভাঁজে। পলাশ শিমুল ভরিয়েছে মম শুভ্র আঁচলঅভিমানের কালিমা তুলে চোখে পড়া কাজল। ধূসরতা পারবে না হৃদয় করতে মলিনস্নিগ্ধ হৃদয় চিরতরে ঈশ্বরের তরে বিলীন। ফেরারী মন কোকিলের সু

✍ Final Exposer
কবিতা

কেউ কথা রাখে না

তন্দ্রা বোস (মেমারি) সুনীল বাবু আপনি ঠিক বলেছেনসত্যি "কেউ কথা রাখেনি"যে প্রেমিক বলেছিল তোর জন্য এক দুই নয় সাত জন্ম অপেক্ষা করবো --সে আজ নাতি নাতনি নিয়ে দিব্যি সুখে করছে ঘরপিতৃসম নবীন কাকু বলেছিল - চিন্তা কি মা আমি আছি তোদুর্দিনে টাকার ব্যবস্থা করতে নাহয় --বসত বাড়িটা ---কথা রাখতে পারেনিতার সাত শরিকের গররাজিতেসে যাক গে গিয়েযে মামা বলেছিল ওরে বিয়েতে ভালবাসা নষ্ট হয়দূরে থাকলে প্রেম অটুট থাকেবাব

✍ Final Exposer
কবিতা

জীবনচক্র

শ্রীমতি পান্না দাস (শিলিগুড়ি) প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবন প্রবাহিত ,দেহ নশ্বর হলেও জীবনচক্র অব্যাহত।সন্তান জন্মদানের এক স্বর্গীয় আনন্দতম,অব্যক্ত অনুভূতি ভাষায় প্রকাশে কঠিনতম।পিতা-মাতার হৃদয়ে অপার ভালোবাসা,দায়িত্ববোধ এক গভীর সংযোগের আশা।নামকরণ, অন্নপ্রাশন নতুন সদস্যের আগমন,পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়, নতুন জীবনের সূচনা উদযাপন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবন প্রবাহিত ,দেহ নশ্বর হলেও জীবনচক্র অব্যাহত।

✍ Final Exposer
কবিতা

অস্ফুট

শ্রাবণী মুখার্জী (লালবাজার, বাঁকুড়া) তোমার কাছে আমি সহজলভ্য _তাই বরাবরই গুরুত্বহীনথাইল্যান্ডে রোদের ছায়া পৌঁছায় নাবেদনায় নীল সামিয়ানা । এক পা এক পা অগ্রসর হওয়া ঝরাপাতাসত্য জানে না পরিস্থিতিবিবর্ণতা পুলক জাগিয়ে ছুটছে _অবগাহনের উদ্দেশে মিলন পিয়াসী মুখখানি এখনো চোখ ভর্তি হয় পলকেইতারায় ভাসে পূর্ণ প্রতিচ্ছবিতোমার হয় নি পরিবর্তন।বিশ বসন্ত একই চাদরে ঢেকে রাখা অবমাননা ।আমিই শুধু মাত্র সহজলভ্যজা

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার রাই

গোপা মল্লিক (কলকাতা) মন কেমনের বিকেলবেলাহারিয়ে গেছে ছেলেবেলাআদুল গায়ে ল্যাংটো পায়েহাডুডু খেলা ছোট্ট মেয়ে। কানামাছি ভোঁ ভোঁযাকে পাবি তাকে ছোঁএলাডিং বেলাডিং শৈলকিসের খবর আইল! কুমির ডাঙ্গা কাবাডি খেলাসঙ্গীহীন সূর্য ডোবার পালাধূসর যখন পাণ্ডুলিপিবদলে গেল দিনলিপি। ছোট্ট রাই ফিরিয়ে দিলোমাটির সোদা গন্ধ ধুলোছেলেবেলা মিললো পাখাশুরু আমার স্বপ্ন দেখা।

✍ Final Exposer
কবিতা

রোজ ডে

সোমা নায়ক (কলকাতা) -- এ্যাই, শোনো না… কি বলছি! আরে শুনছো? এ্যাই…-- হুম। বলো? কি হয়েছে?-- ভীষণ অন্যমনস্ক দেখাচ্ছে তোমায়। কি এতো ভাবছো শুনি? সেই তখন থেকে ডেকেই যাচ্ছি।-- আমি? কই! কিছু না তো। এমনিই।-- বললে হবে? দিব্যি দেখছি, আমার দিকে ধ্যান না দিয়ে তুমি অন্য কোথাও ডুব দিয়েছ …পরম নিশ্চিন্তে-- অন্য কোথাও! অন্য কোথাও কেন হবে? এই তো… তোমাকে দেখছি, দ্যাখো-- তাই? তা কি দেখছো শুনি?-- কত কি, কত্তো কিছু।

✍ Final Exposer
কবিতা

ফুটপাতের ইতিকথা

অনামিকা ঘটক (রায়না, পূর্ব বর্ধমান) রাতের আঁধার জানে ফুটপাতের ইতিকথা।কত স্বপ্ন গুমরে কাঁদে কত নিরব গল্প গাঁথা।ঝুপড়ির আনাচে-কানাচে জমে কত দুঃখ ব্যাথা।শৈশব যত খুন হয় ওই শহরের গলিপথে।কত ফুল হায় ঝরে যায় ফোটার অপেক্ষায়।ক্ষুধার্ত ফুটপাতের বুকে জমেছে অন্ধকার।রাতের আঁধারে বিকায় স্বপ্ন আলোর জলসায়।কত সন্তান ক্ষুদায় কাতর জীবনের যন্ত্রণায়।হাজার যুবতীর স্বপ্ন বেয়াব্রু আজ এই শহরের রাজপথে।পাইনি বিচার হা

✍ Final Exposer
কবিতা

খোলা চিঠি

রিতা শ্রীমানী (আন্দুল, হাওড়া) কি লিখবো আমি নিজেই জানিনা, জীবনে যে মুখোশধারী বাস্তবতা দেখতে হবে বুঝতে পারিনি। তুমি চলে গেছো তিন বছর হয়ে গেল। তুমি বলেছিলে বেশ কিছু পথ আমরা একসাথে হাঁটবো। হঠাৎ কাল বিপর্যয় সে তোমাকে নিয়ে চলে গেল। আমি একা রয়ে গেলাম, সবাই চার পাশে আছে, কিন্তু আমার ভিতরে একাকীত্ব রয়ে গেল। এখন ভাবি তুমি আমার প্রতি একটু কঠোর হতে পারতে। একটু অভাব বোধ জাগাতে ভালোবাসার। তাহলে এত কষ্ট হতো

✍ Final Exposer
কবিতা

তিন হাজারী বিয়ে

উজ্জ্বল দাস (কলকাতা) বেকার ভাতা মিলছে ঢেরদুধ কেনা যায় কয়েক সের।বউটিও তার লক্ষ্মীমন্তমাস গেলে পায় হাজার ডেড়। দুই জনেতে পাচ্ছে ভাতাটোনা টুনির ছোট্ট ঘর -নিন্দুকেতে যে যাই বলুকতিন হাজারেই উঠছে দর। একশ দিনের কাজটা পেলেওফাটকা বাজার বাড়বে নোটজয় মা বলে বাবার কোলেদে গুঁজে দে সবার ভোট। ওহ কিছু ভুল বলেছিকান মুলিনি ভুল করে !ও দিদিগো ও দাদাগোকেস দিও না খুব জোরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

সময়ের ভাঙা আয়না

প্রবীর চৌধুরী (কলকাতা) আমরা এখন আয়নার সামনে দাঁড়াই নাকারণ আয়নাগুলো সত্য কথা বলতে শিখে গেছে।আর সত্য এখন বিপজ্জনক। রাস্তার মোড়ে মোড়ে নিয়ন আলো আছে,কিন্তু মানুষের চোখে অন্ধকার জমা ।এতো যে হাসির ইমোজিতে ভরে ওঠে স্ক্রিন,কিন্তু ভিতরে ভিতরে শুকিয়ে গেছে উচ্ছল নদী। মুখগুলো উজ্জ্বল,মুখোশগুলো আরও উজ্জ্বল।বেকার ছেলেটি প্রতিদিন সকালকে সাক্ষাৎকার দেয়,সন্ধ্যায় ফিরে আসে পরাজয়ের নীরবতা নিয়ে।তার বাবার চোখে অনিদ্রা,ম

✍ Final Exposer
কবিতা

আয়নার মতো পরিষ্কার

মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) হয়রানি ভোগ করে যখন দেশের আপামর জনগণবাংলা আবার পথ দেখাতে এগিয়ে আসে তখন।অন্যান্য নেতারা যখন রুটিনমাফিক বিরোধ করেমমতা একাই কাঁপিয়ে দিতে মাঠে ময়দানে লড়ে।সুপ্রিম কোর্টে আমজনতার হয়ে প্রশ্ন করেন তিনিলাইভ স্ট্রিমিং দেখল সবাই, বিরোধিতা করেন মূর্খ যিনি।কেউ তাঁর ইংরেজিতে ভুল ধরে, কেউ হিন্দি বলা নিয়ে হাসেআমবাঙালি বিশ্বাস করেন দিদি আছেন তাঁদের পাশে।ভুলভাল ব্যাখ্যা করে যারা ত

✍ Final Exposer