স্বপ্ন
সঞ্চিতা সিকদার (নদীয়া) ব্যথাতুর হৃদয়ের স্বপ্নেরা সব,জাগ্রত বুকে আছড়ে পড়ে৷কোনোটা রঙিন, কোনোটা কালো,একটু আঁধার, একটু আল
সঞ্চিতা সিকদার (নদীয়া) ব্যথাতুর হৃদয়ের স্বপ্নেরা সব,জাগ্রত বুকে আছড়ে পড়ে৷কোনোটা রঙিন, কোনোটা কালো,একটু আঁধার, একটু আল
মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর, পশ্চিম বর্ধমান) ওরে, মায়ের মুখের হাসি যদি দেখতে তুই চাসতুই মায়ের বুকে কষ্ট দিয়ে বলনা কি
স্বপ্না ব্যানার্জী তিয়াসা (শিলিগুড়ি) ইটা কি ধরনের লিশ্শা বুঠেক?শরীল টায় ঢেউ লাই ক্যেনে?ভাইবলুম লিশ্শা কইরে সব ভুইলা থাকু
সঙ্গীতা কর (কলকাতা) এখনও কি মেঘ করলে জানালার কাছে ছুটে যাও যাই তো, বৃষ্টি ভেজা হওয়ায় তোমার গায়ের গন্ধ পাই যে রামধনুর
প্রদীপ কুমার মাইতি (খেজুরী, পূর্ব মেদিনীপুর) যদি তুমি মানুষ হও,তোমার ধমনীতে মনুষ্যত্বের রক্ত কনিকার জন্ম দাও,জাত-ধর্ম ভে
সাবিত্রী দাশ (নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর) গ্রামের এক মাষ্টারমশাই ছিলেন বেশ হাসিখুশি। শরীরটা হাস্যস্পদ হলেও মাষ্টারমশাই
অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) একটা ফাঁকা সাজিয়ে রাখি রোজএকটা কমা দুটো নামের মাঝেএকটা ড্যাসের দুইপাশে হাইফেনকিছু চুপচাপ ফুটকির
তিতলী রায় (কলকাতা) মেয়ের পরে ছেলে যেদিন হলোআদর কমলো হঠাৎ কেমন করে,কমলালেবুর মতো গায়ের রঙ বলেসবাই ডাকতো কমলা বড়োই আদরে। ত
মৌসুমী মুখার্জী (খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর) ঝরিয়ে পাতা আমলকী বনে শীতের বিদায়বন বীথিকার আঁচল জুড়ে বসন্ত মালা গাঁথায়। আ
শুভা রায় (কলকাতা) মেঘ বালিকা তুমি আমার বন্ধু হবে ?অনন্ত ওই আকাশটাতে ডানায় জুড়ে নিয়ে যাবে ?দিনের আলোয় খুঁজবো আমি লুকি
ববি সরকার (বারাসত, উত্তর চব্বিশ পরগণা) মেঘলা বিকেল তোমার জন্যনতুন শব্দ খুঁজি,আমি কী আর তোমায় বলোতোমার মতো বুঝি ?কখন তোম
তুহিনা চক্রবর্তী (কোলাঘাট, পূর্ব মেদনীপুর) সময় সব হিসেব নেয় —নোটবুকের পাতায় পাতায় জমে থাকেঅমিল ঘুম, বকেয়া ভালোবাসা,অর্ধে