শরীর বেচা
কৃষ্ণকলি কৃষ্ণা (সোদপুর, উত্তর চব্বিশ পরগণা) গতর বেচা হরি দাসী পাঁচ বাড়ী কাজ করেকাদম্বরীর যশের জীবন সবই মেধার বরেমেছুনী
কৃষ্ণকলি কৃষ্ণা (সোদপুর, উত্তর চব্বিশ পরগণা) গতর বেচা হরি দাসী পাঁচ বাড়ী কাজ করেকাদম্বরীর যশের জীবন সবই মেধার বরেমেছুনী
দীপশিখা পাত্র খান (হাওড়া) একটা নরম সবুজ ভোর।একমুঠো নরম কমলা আলোর আলতো ছোঁয়া।নগ্ন সবুজ ঘাসের চাদর জড়িয়েপ্রকৃতির সবটুকু
মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) একটা পরিকল্পনাএকটা ভবিষ্যতএকটা সম্পর্কএকটা ভালোবাসাএকটা দায়িত্ববোধএকটা আশাএকটা ভরসাএকটা তাগিদএক
জয়া সান্যাল (কলকাতা) পাহাড় থেকে সমুদ্র কিংবা নদীর মোহনায়একটা গর্ভিনী কবিতায় ভালোবাসি তোমায়বলেছিলে তুমি _ _ _কথা টা ম
রাণু মজুমদার (ব্যাঙ্গালোর, কর্ণাটক) যদি চাও আগলে রেখো হৃদমাঝারেযদি চাও মনের মাঝে রেখো তুলেআমার গোপন কথাগুলি..!! যদি চাও
ববি সরকার (বারাসত, কলকাতা) মেঘলা বিকেল তোমার জন্যনতুন শব্দ খুঁজি,আমি কী আর তোমায় বলোতোমার মতো বুঝি ?কখন তোমার কাজের তাড
উজ্জ্বল দাস (কলকাতা) সেদিনও আমি লিখবো কবিতাপ্রতিবাদী এক সুখে,কেউ যদি ধরে কপালে’তে নল-বেয়নেট গাঁথে বুকে। কেউ যদি বলে রাজদ
লোপামুদ্রা মুখার্জী (কলকাতা) ভাবায় অনেক কথা তা সবই অব্যক্ততাফিরতে চাওয়ার পাখারা কাটায় হতাশাযে গান গেয়েছিল বাঁশিরা তারা আ
মালবিকা পণ্ডা (ডিরোজিও নগর, পশ্চিম মেদিনীপুর) আজকে নাকি হাসি দিবস হাসতে হবে তাই ,দুঃখের মাঝে হাসবো আমি কেমন করে ভাই !করো
নদেরচাঁদ হাজরা (মধ্যমগ্রাম, উত্তর চব্বিশ পরগণা) গালভরা বড় বুলিআওড়াই সর্বদাবলে যাই বারবারনীতিকথা গাদাগাদা ৷ শিশুরাই আমাদে
সমীরন দাস (কলকাতা) সব চাইলে সবাই সব পায়নাকিছু লোকের অল্প কিছুতেই সুখআমি ও তাহাদের দলেঅল্প সুখেই সুখীতবে আমার জন্যে যারা
কৃষ্ণা গুহ (কলকাতা) অন্ধকারে হাতড়ে বেরিয়েছি ,সুখকে নিজের করে পাব বলে !!অনেক চাপা দুঃখ আর্তনাদে ডেকেছি বারবার সুখকে!! ম