যুবতী এক বৃদ্ধার কুমকুম লাবন্য ভেজা দিনে..

শ্রী র জ ত (কলকাতা)

বসে আছি বসন্তের অদ্ভূত বেদনায়
লালরং, হলুদে হলুদে ভেজা যুবক পাতারা
টুপ টাপ ঝরে আছে, করমচা রঙের স্মৃতি মেখে-
নীল চেতনায়।

শোল মাছ ঘাই করে, মৃদু চন্দ্র আলো ভেজা বাঁশের মাথায়..

বসন্তের বাতাসে তবু শীতের আনা গোনা..
যাকে আমি মৃত্যু বলে জানি,
আবীরে ভেজানো এক আকন্ঠ মাতাল,
চুমু দিয়ে মৃত্যু কে শিশু করে দেয়…
বাধ্য করে – জীবনের ডাং গুলি নিয়ে বেদুইন হতে।

একদা যুবতী – সেই বৃদ্ধার জীবনে অনাহুত বসন্তের মত
হঠাৎ চমকে ওঠা স্মৃতি,
ছাই হয়ে যাওয়া হিসাবের খাতায়, শুধু বেদনার জল-
রঙ হয়ে হৃদয়কে রাঙিয়ে দেয় শান্ত লাবন্যে।
সব মমি জেগে ওঠে, পিরামিড ঘৃণা লাগে তার-
জীবনের অধ্যায় গুলো আর একবার ছুঁয়ে দেখার
জীর্ণ চেতনায়-
লাল পাতা, নীল পাতা, ঝরা পাতা হলুদের দেশে
ইতিহাস ফেরি করে যায়।

বসে আছি রঙ মেখে,
আনন্দ অথবা নির্লিপ্ত, অর্ধ চন্দ্র আলো ভেজা অনিমেষ বেদনায়।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *