ধারালো অস্ত্রের কোপে যুবকের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য চিত্তরঞ্জন মিহিজামে

কৌশিক মুখার্জী: চিত্তরঞ্জন:-

মড়া পুড়িয়ে আসার পর ধারালো অস্ত্রের কোপে এক যুবকের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় চিত্তরঞ্জন-মিহিজাম সীমানায়। আজ চিত্তরঞ্জন কেজি হাসপাতাল থেকে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে চিত্তরঞ্জন থানা। সূত্রে খবর অনুযায়ী জানা গেছে পাড়ার এক পরিচিত ব্যক্তির মৃত্যু হলে চিত্তরঞ্জন শ্মশানে তার দাহকার্য সারার পর পাঁচ ব্যক্তি রাত আড়াইটা নাগাদ চিত্তরঞ্জন স্টেশন সংলগ্ন চায়ের দোকানে পৌঁছান। সেখানে চা খেয়ে তারা মিহিজাম কুর্মিপাড়া এলাকার রামু খাটাল অঞ্চলে নিজেদের বাড়ির কাছে পৌঁছে পারস্পরিক কথাবার্তা বলছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বাইকে চেপে দুই যুবক সেখানে পৌঁছান এবং পুরনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এবং তাদের মধ্যেই সামান্য হাতাহাতিও হয়। এর মধ্যেই বাইক আরোহী এক ব্যক্তি একটি ধারালো অস্ত্র চালিয়ে দেয় প্রেমকুমার পান্ডের শরীরে। এবং সেই মুহূর্তেই তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় অস্ত্র চালকের নাম উল্লেখ করে মিহিজাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ‌অস্ত্রচালকের সঙ্গেই তার আর এক সঙ্গীও ছিল বলে প্রেম কুমারের বাড়ির লোকজন অভিযোগে জানিয়েছেন। ‌ এদিকে । প্রেম কুমারের সঙ্গীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে মিহিজামের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যান, কিন্তু নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নেননি। এর পরেই প্রেম কুমারকে নিয়ে তারা চিত্তরঞ্জন কেজি হাসপাতালে পৌঁছান। আজ সকাল থেকেই কেজি হাসপাতালে দফায় দফায় পৌঁছায় আরপিএফ ও মিহিজাম এবং চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ। প্রেম কুমারের বুকের বাঁ দিকে পাঁজরের নিচে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে। মিহিজাম ও চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজে গভীর তল্লাশি শুরু করেছে। ‌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে এর আগে চিত্তরঞ্জনে গুলি করে এক যুবককে খুনের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল এদিনের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্যাংয়ের। খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত হয়ে জেলেও যেতে হয়েছিল গ্যাংয়ের মাথাকে। পশ্চিমবঙ্গের কুলটি, মালদা, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় এদের জাল ছড়িয়ে আছে বলে পুলিশ বিশেষ সূত্রে জানতে পেরেছে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *