বোধের সূর্য বারোটা বাজলে….
মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা)

খসে পড়তে গিয়েও শেষ উক্তিতে সেই দীর্ঘশ্বাস ;
বোধকরি সেটাই অনেক দূরে গিয়েও শুরুর গল্প মনে করেই,
বসন্ত হোক বা এক পশলা শ্রাবণ অঝোরে, বর্ষপঞ্জীর ব্যাকরণে সময়মতো সময়কে ঘিরেই !
কখনও তীব্র তাপপ্রবাহে দহন, কখনও অবগাহন,
অসুখটা সুখের, হয়তো সুযোগের মন নাগাল
পেলেই ঘন কুয়াশায় ঢাকে এক জীবন। কথোপকথন সেড়েই খানিক গুছিয়ে ফেলে নিজেকে আবারও একবার।
ভবিষ্যতের গল্প লিখবে সময় ;__
দেওয়াল বেয়ে তেমন পরাশ্রয়ী কিছু লতানো গাছ ,বেয়ে ওঠা গুল্ম নাগপাশে বাঁধবে জেনেও
বৃক্ষ মাথা উঁচু করে আলোর ঠিকানায় পৌঁছাতে উদ্যত হয়,
কেবল শিকড়ের পরিচয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতেই তীব্র তাপ কিংবা প্রবল ঝড়ের মুখোমুখি হয় বারবার…
তবুও,
জীবনের গল্পে ঝরে পড়াগুলো খানিক এগিয়ে নিয়ে চলে একরকম নিজের জন্য নিজেকে,
না ভেঙে রোজের গল্পে নিজেকে সময়ের মুখোমুখি রেখে।
