কবিতা

কবিতা

পুরানো সেই দিনের কথা

রুনা মুখার্জী (কলকাতা) জানো মা, আজ তোমাদের কথা খুব মনে পড়ছে।হয়তো অনেকদিন দেখিনি তাই।তোমার মনে আছে মা ছোটবেলায় আমি যেটা খেতে ভালোবাসতাম সেটা তুমি নিজে না খেয়ে,আমাকে বেশি করে খাওয়াতে।তারপর বলতে তুই খেলেই আমার পেট ভরবে।তোমার হাতে বানানো আমার প্রিয় খাবার গুলো আমি নিজেও তো কত সুন্দর ভাবে রান্না করি কিন্তু তোমার বানানো খাবারের মত এত সুন্দর স্বাদ পাই না কেন মা?কোন সময় আমাকে যদি একটু বকতে,তারপর জলে

✍ Final Exposer
কবিতা

সমকক্ষ

চৈতী চ‍্যাটার্জী (কলকাতা) একা থাকতে চাওয়ানয়তো কোনো অপরাধ,তবে সকলের এই কথাতেকেনো এতো প্রতিবাদ?বড়ো হলে শেষ হলেই পড়াহয়ে যায় না মেয়ে অরক্ষণীয়া,দাওনা থাকতে নিজের মতইচায়নি তো তারা কারোর দয়া।মেয়েরাও মানুষ সবার মতইপাক না তারা নিজের অধিকার,দাওনা একটা সুযোগওদেরও কিছু করে দেখাবার।দায়িত্ব তারাও নিতেই পারেসাবলম্বি হওয়ার প্রতীক্ষা,মানুষ হয়ে দেখাবে তারাওএকটু শুধুই অপেক্ষা।মেয়েদের আজ দুর্বল ভাবাসত্যি বড় নিষ্প্রয়

✍ Final Exposer
কবিতা

উন্মুক্ত বক্ষ

তোমাদেরই ইন্দু (কলকাতা) প্রেমিকার বুকের স্তন তুমি খুবলে খেয়েছ৷ তার পিঠে নখের দাগ বসিয়ে দিয়েছ ৷ সেখানে তুমি কেবলই দেখেছ কামুকতা আর লকলক করা নেশা৷ অথচ তার অন্তর্বাসের নিচে শুধু স্তন না৷ স্তনের নিচে চামড়ার ওপাশে একটা সুপ্ত হৃদপিন্ড থাকে৷ সেটার খোঁজ নেওনি৷ তাঁর বুকে কখনও কান পেতে শোনোনি প্রতি মিনিটে ৭২ বার স্পন্দিত করে কি বলে৷ তুমি শুধু দেখেছ তার উন্মুক্ত বুকের স্তন৷ তাঁর চুলের মুঠি ধরে তাকে প্রহার ক

✍ Final Exposer
কবিতা

জীবন মৃত্যু

লিপিমিতা তনুশ্রী (কলকাতা) তোমার কোনো চেতনা নেই জানিশুধু কালে-অকালে ছিনিয়ে নিতেই জানোস্বপ্ন দেখছে যে সব নয়নগুলোসেই নয়নেই চিরনিদ্রা ঢালো,হঠাৎ করেই আসলে তুমি ধেয়েসাঙ্গ করলে নিমেষে সবকিছুএই কি তোমার ধর্মসুলভ কাজনিঠুর খেলায় মত্ত, হে মৃত্যুরাজ!জীবন কেবল ছোট্ট একটা শ্বাসনিমেষে সে শ্বাস রুদ্ধ করো তুমিরশি টানলেই যেতে হবে সব ছাড়িপৃথিবী ছেড়ে তারার দেশে পাড়িজানি না সেখানে কোন্ সে আসন পাতাভালো-মন্দের বিচার কি

✍ Final Exposer
কবিতা

পলাশ

রুমকী দত্ত (কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর) সেদিন বসন্তে,আমি আনমনাতুমি নাম ধরে ডেকে পাশে এসে বসলে,টুকটাক আলাপচারিতা…সিগারেট আর পারফিউমের গন্ধেমাতাল দখিনা বাতাস…ফাগুনের আগুন নেশায়পুড়ে যাচ্ছিল পলাশ,তাইতো নানা আছিলা আর অজুহাতেআবেগকে পাশ কাটাতেএ চেয়ার থেকে ও চেয়ার!আর তুমি?সেই পলাশফুল গাছ থেকে পেড়েমালা গেঁথে সাজিয়ে দিলে খোঁপায়…এখনও এত ভালোবাসো আমায়?জানো,আরো হাজার বছরএই প্রেমেই আমি বাঁচতে চাই!কথা দাওস

✍ Final Exposer
কবিতা

প্রত্যাশা

ববি সরকার (কলকাতা) অভিমানী মনযখন তখনআলতো ছুঁয়ে যায়, ভালোবাসি তাইপাই বা না পাই,তোকে ভুলে থাকা দায়। মেঘ কুয়াশারআসাযাওয়া ছাড়থেকে যা স্বপ্ন হয়ে। কথা কাটাকাটিআমি নই খাঁটিতবুও তো নিলি সয়ে। পুরোনো সময়,যন্ত্রনাময়,চল,সব ভুলে ভালো থাকি। আয় তোর নামেরঙিন খামেভালোবাসা লিখে রাখি।।

✍ Final Exposer
কবিতা

ভুলে যাওয়া

বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) আসলে কেউ কাউকে ভুলে যায়না।আমরা নিজেকে জোর করে বোঝাই -যে ভুলে গেছি।একটা ফোন নাম্বার মুছে ফেললেই কিসব আবঝা হয়ে যায়? সে থেকে যায় সেই চেনা সুরে,থেকে যায় পরিচিত সেই গন্ধে।কিছু পিছু টান থেকে ই যায়সেই কথায়, যে কথা বলবো বলেও হয়নি বলা। সেই ব্যস্ত ট্রেনে পাশে থাকে অনেকেই,গন্তব্যে সবাই সরে যায়,আবার নতুন মানুষ এসে সাথ দেয়।আমরা নিত্যদিন এই চলে যাওয়াটাঅনুভব করি।চেনা ছায়া কে দেখে সরে যাইচে

✍ Final Exposer
কবিতা

কবিতার প্রেম

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) কবিতা তোর প্রেমেপড়েছি যে আমিতুই তো আমার অন্তর্যামী।তোকে নিয়ে কত স্বপ্নউড়িয়ে দি ই আকাশে,শব্দের উপর শব্দ সাজিয়েগড়ে তুলি কথার মালা। খাতার পাতার শব্দ মিলিয়েসাজাই কবিতা তোর থালাউড়িয়ে দিই পাঠকের কাছেতোর বরণ ডালা। কবিতা তুই আমার নিঃশ্বাসকবিতা তুই আমার বিশ্বাস,কল্পনায় তোকে নিয়েকত ছবি আঁকি-তুই যে আমারসুখের দুঃখের চাবিকাঠি।তুই আমাকে কোনদিন,দিসনা যেন ফাঁকি। কবিতা তুই

✍ Final Exposer
কবিতা

"বালিকা হতে বধূ"

মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) গল্পের নাম শুনেই কি একটু খাবারের সুগন্ধ নাকে আসছে বন্ধুদের? ??ভাবছো বুঝি এক রন্ধনবিদ্যায় পারদর্শী নারীর গপ্পো করবো তোমাদের সাথে!!তোমাদের সুবিধার্থে বলে রাখি এই গল্পের নায়িকা স্বয়ং আমি। আমার মা বাবা আমাকে খুব অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছিলেন। তরকারিতে কি ফোড়ন দিতে হয় বা এক কাপ চা করতে ক'চামচ চা পাতা দিতে হয় সেটাও জানতাম না। কি জানি ওই সময় বোধহয় মা বাবার কাছে আমি কন্যাদায়গ্রস্থ

✍ Final Exposer
কবিতা

ভোট, তুই কবে সত্যি হবি

মহ ফরিদুল জামান (পূর্ব বর্ধমান) হায়রে ভোট, তুই ভাগ্যিস এলি,তাই পেলাম সেলিব্রিটির দেখা।পেলাম হাজার প্রতিশ্রুতি,শুনলাম নেতাদের মনভরা কথা।দেখিস ভোট, মারিস না আরকোনো অজানা বাণ,স্বপ্ন দিয়ে ব্যথা দিস না,বড় কষ্ট পায় প্রাণ।করিস না মানুষের হৃদয়টুকরো টুকরো খান,মিথ্যে আশায় ভাঙিস না আরসাধারণ মানুষের প্রাণ।কয়েক বছর অন্তর এনে দিস নতুন স্বপ্ন,ঝুলি ভরে সুখের বুলি,দিস শুধু আশার গল্প,থাকে না তার কোনো মূলই।তু

✍ Final Exposer
কবিতা

অস্তিত্ব

করবী সাঁতরা (হরিপাল, হুগলী) আমি দেবদাসী নইনই সেবাদাসীনই আমি রক্ষিতানই বারবনিতা,আমি শুধু নারীসকলের মঙ্গলকামী। আমি জননী,দিদি,বোনপিসি,মাসি,দিদা,সম্বোধনে থাক যে নামআমি থাকি সাধাসিধা। আমি অবলা,সহ্যশীলাগোপনে বালিশ ভেজেকখনও পাথর প্রতিম শীলাসারারাত রয় জেগে। কখনও মনের অগ্নিপাতআগুনের ফুলকি ঝরেবিদ্রোহী মনে রক্তপাতমুখে বাক্য না সরে। উপোসী মন শুভকামনায়উদরের জ্বালায় নীরবসবাই পরিতৃপ্তির বাসনায়বোবামন হয় না স

✍ Final Exposer
কবিতা

সভ্যতার উপাখ্যান

রাই প্রিয়া (ক্যানিং) অলক্ষ্য নক্ষত্রের মতো ম্রিয়মাণ মানবিকতার আলোকমালা,নগরীর নিয়ন-আলোয় আজ বিবেক যেন নির্বাসিত এক তপস্বী।অভিলাষের অগ্নিগর্ভ লোভে আমরা নির্মাণ করি কংক্রিট সাম্রাজ্য,তবু অন্তঃস্থ শূন্যতার গহ্বরে প্রতিধ্বনিত অদৃশ্য হাহাকার দিবানিশি। সময়ের এই ক্যালেন্ডারে জমে ওঠে অসংখ্য অনুলিখিত পাপ,অবচেতনের আর্কাইভে সঞ্চিত যত অবদমিত অনুতাপ।আমরা ইতিহাসের প্রান্তরে লিখি উন্নতির দীপ্ত উপাখ্যান,তথাপি

✍ Final Exposer