পরকীয়া
ববি সরকার (কলকাতা)

'পরকীয়া' মানে 'দক্ষিণ খোলা বারান্দা'
যদি ভাবো তাহলে শুনে যাও। জানালা হোক বা বারান্দা সেখানেও রোদ ওঠে, বৃষ্টি নামে।ঝড় জল সামলাতে হয়। তাই যদি জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে পরকীয়া তে আগ্রহ প্রকাশ করতে চাও তাহলে বলবো থেমে যাও।
বাড়িতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি তাই পরকীয়া ?
সে তোমাকে বোঝে না তাই এটাই একমাত্র পথ ভাবছো যারা তারা আসলে বাস্তব থেকে পালাতে চাইছো।
এই এইধরনের মানুষদের কখনো একটা বারান্দা থাকে না।
তাদের অসংখ্য প্রেম বা পরকীয়া থাকে। কারণ তারা প্রেমের শুরুর আবেগ টুকু গায়ে মেখে কেটে পরে।পরের দায়িত্ব তার নয়।
সে তো শুধু প্রেম চায়। বিপরীত দিকের মানুষের মনের অবস্থা বোঝার বিন্দুমাত্র আগ্রহ তার নেই।
তাই তখন নতুন প্রেমের সন্ধানে থাকে।আর অবশ্যই আগের গুলো কে ঝুলিয়ে রেখেই।
কারণ ওই যে সবার ই মন খারাপ হবে,রাগ হবে তখন যেটার মুড ঠিক আছে সেটার সাথেই টাইমপাস হবে।
এছাড়া বিকৃত শারিরীক চাহিদা মেটাতেও অনেকেই পরকীয়াতে জড়ায়। প্রথমে বুঝতে দেয় না পরে সময় সুযোগের সদ্ব্যবহার করে কেটে পড়ে।
বা বিপরীত দিকের মানুষ যাতে তার থেকে দূরে সরে যায় তার সমস্ত রকম চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।যাতে তাকে ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় মানুষটি।
তাই এটা মনে রাখবেন যে ঘরের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারেনি সে কখনোই বাইরের মানুষের মন নিয়ে ভাবতে যায় না।তার চাই কেবল নিজের স্বার্থসিদ্ধি।
এতে শিকারির বিশেষ কোনো ক্ষতি হয় না কিন্তু বিপরীত দিকের মানুষের মানসিক এবং শারীরিক এবং পারিবারিক সমস্ত রকম ক্ষতি হয়ে যায়। একসময়ে ডিপ্রেশনে চলে যায় সে।
তাই নিজের ক্ষতি করার আগে দশবার ভাবুন।কিংবা অন্যের ক্ষতি না করে শুরুতেই বলে দিন আপনি মানুষটার থেকে ঠিক কী চাইছেন। সম্পর্কে গন্ডিটা ঠিক কতোটুকু স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিন।
তারপর যতখুশি দক্ষিণ খোলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে হাওয়া খান
কথা প্রসঙ্গে এটা জানিয়ে রাখি কোনো বিবাহিত মানুষ কখনো অন্য একজন বিবাহিত মানুষের বিরুদ্ধে কেস করতে পারে না পরকীয়ার দোহাই দিয়ে।
বিবাহিতারা কখনোই দাবি করতে পারবেন না যে বিপরীত দিকের মানুষটি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কারণ আগের থেকে বিবাহিত জেনেই আপনি তার কাছে গেছেন তাই কেস আপনার বিরুদ্ধেই যাবে।
আর অবিবাহিতরা এই ফাঁদ থেকে দূরে থাকো নয়তো লাইফ শেষ।।
