জয়া সান্যাল (কলকাতা)

আর্দ্র দুপুর আলুথালু বেশে মেঘ খোঁজে
পরন্ত গোধূলির রাঙা তাপে পুড়ে
ফটিক জলে তীব্র পিপাসার আর্তনাদ শুনতে শুনতে
জীবন ধাপে ধাপে সিঁড়ি বেয়ে ওঠে।
মেঘেদের ছাড়পত্র হয়তো
কোনো টেবিলে সাইনের অপেক্ষায়
হাওয়ার গতি মাপে।
জলদের দানের ভাণ্ডারে জলের অর্ঘ্য সাজিয়ে
বসে থাকে পূজারিণী মেঘ
অজাতশত্রুর অনুশাসনে ,পূণ্য সঞ্চয়ে ভাটার টান
মেয়েটা চেয়ে থাকে আকাশের দিকে।
কৃপণ মেঘ একবিন্দু জল দেওয়ার কার্পন্যে অবিচল
চাতকের ছাতিতে তাই শুষ্ক মরুভূমির পিপাসা
মরুদ্যানের আশায় দিকভ্রান্ত পথিকের মতো ছোটে
আর ছোটে, চোখের কোনে জমে মেঘ
কিন্তু বৃষ্টি নামার আগেই
শুকিয়ে যায়।
গোধূলির রাঙা রং পলক ফেলে
জ্বালা ধরানো বৈশাখে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে
মেঘবালিকা অনন্ত ঘুমে আচ্ছন্ন
রাক্ষসের পুরীতে।
বৃষ্টি খোঁজে মেঘ কে না
মেঘ খোঁজে বৃষ্টি কে
নাকি চাতকে ভালোবেসে
ঈশানের কোন কালো করে জমাট বাঁধবে ।
