দহনজ্বালায় হাঁসফাঁস শিল্পাঞ্চল: চাহিদা তুঙ্গে আখের রস ও ডাবের

দহনজ্বালায় হাঁসফাঁস শিল্পাঞ্চল: চাহিদা তুঙ্গে আখের রস ও ডাবের

অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:

        বৈশাখের শুরুতেই তপ্ত রোদে পুড়ছে পশ্চিম বর্ধমান। পারদ চড়তেই শিল্পাঞ্চলের জনজীবন ওষ্ঠাগত। আর এই তীব্র দাবদাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে সাধারণ মানুষের ভরসা এখন রাস্তার ধারের আখের রস ও ডাব। গত কয়েকদিনে আসানসোল, দুর্গাপুর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এই দুই পানীয়ের চাহিদা আকাশছোঁয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।

         ​বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাস্তার মোড়ে মোড়ে আখের রসের মেশিন ও ডাবের পসরা সাজিয়ে বসা দোকানগুলিতে ভিড় জমছে। পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে শ্রমজীবী – প্রাণ জুড়োতে সবাই ভিড় করছেন সেখানে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার গরমের তীব্রতা বেশি হওয়ায় বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। আসানসোলের এক ডাব বিক্রেতার কথায়, “চাহিদা এতটাই যে দুপুর শুরু হওয়ার আগেই  স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে।”

        আকার ভেদে প্রতি পিস ডাব বিকোচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। এক গ্লাস টাটকা আখের রস পাওয়া যাচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়। আখের রসের পাশাপাশি ঘোল ও লস্যির দোকানেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

       ​চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই গরমে শরীরকে আর্দ্র রাখতে কৃত্রিম পানীয়ের চেয়ে আখের রস বা ডাবের জল অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে থাকা প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। তবে রাস্তার ধারের বরফ মিশ্রিত রস খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আপাতত বৃষ্টির দেখা নেই, তাই দহনজ্বালা থেকে বাঁচতে প্রকৃতিদত্ত এই পানীয়গুলোই এখন আমজনতার প্রধান অবলম্বন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *