কবিতা

কবিতা

প্রণাম নেতাজী

মুনমুন মুখার্জ্জী (বার্ণপুর) আজ তেইশে জানুয়ারী, ভারতবাসীর গৌরবের দিন;শাঁখ বাজিয়ে উলুধ্বনি দিয়ে পালন করি তাঁর জন্মদিন। তিনি দেশনায়ক, বীরের বীর; ভারতবর্ষের মহান নেতা,পরাধীনতার শৃঙ্খল ঘোচাতে বহু ছুটেছেন জানি তা-- আজও সমাজের অনেক মানুষ প্রতি কদমে করছে লড়াই,রাষ্ট্র হোক বা সমাজবিরোধী নানা ভাবে দেখালেও ভয়। রাজনৈতিক নেতারা দেখছি শুধু তাঁকে নিয়ে রাজনীতি করে,মতের মিল না থাকলেও তাঁদের আদর্শ বলে তুলে ধ

✍ Final Exposer
কবিতা

বীর সুভাষ

অন্তরা চ্যাটার্জ্জী (কলকাতা) স্বাধীনতার সূর্য, উজ্জ্বল দীপনেতাজি ভারতবাসীর দেশপ্রেমের প্রতীক,তাঁর সাহসী পদক্ষেপ, ইতিহাসের পাতায়,লিখেছে নতুন কাহিনী, সংগ্রামের প্রেরণায়।জন্মেছিলে তুমি, এই বাংলার মাটিতেস্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল, তোমার দুই চোখে।তোমার কাঁধে ছিল, ভারী দায়িত্বদেশের মুক্তি ছিল, তোমার কর্তব্য।জীবন বাজি রেখে, করেছ সংগ্রাম।নেতাজি, তুমি ভারতের গর্বের নাম।অগ্নির শিখা, তোমার চেতনায়স্বাধীনতার স্বপ্ন

✍ Final Exposer
কবিতা

ষোড়শী যৌবন

রনিতা মল্লিক (পুরশুড়া, তারকেশ্বর) ষোড়শী যৌবন- ছটফটে মন।মনের মাঝে -অস্থির গুঞ্জন। আলতো জড়ানো- নিজেকে হারানো।তোমাতে মত্ত- হারায় দূরত্ব। দেখেছি কাজল- ছুঁয়েছি বাতাস।তোমার ঘ্রাণেতে- পেয়েছি আকাশ। নিদ্রাহীন চোখ- তোমাতে ক্লান্ত।ফুটেছে ফুল- মনে আজ বসন্ত। চোখে চোখ রেখে- প্রেম বিনিময়।সারা গায়ে ঝড়- বইয়ে দেয়। শ্বাসের স্পর্শ-ঢাকে তমস্র।চন্দ্রমা ডোবে-সময় হিংস্র। তখন দামিনীর বাস- স্পৃহার সুবাস ।নয়নে নয়নে

✍ Final Exposer
কবিতা

রাতের ঠিকানা

তোমাদেরই ইন্দু (কলকাতা) আজো একদল মানুষের রাতের ঠিকানানাগরিক ল্যাম্পপোষ্টের সংকির্ণ তলদেশ।এখনো কিছু মানুষের খাদ্যের উৎস।দামী হোটেলের উচ্ছিষ্ট।দামী উচ্ছিষ্টেই তৃপ্ত হয়সাধারন রাতের আনন্দ।অথচ প্রতিদিন এইসব সংগ্রামী মানুষদেরউদ্ভাসিত সবপ্নেশুরু হয় দিন।বেড়ে উঠে সুন্দর হয় সভ্যতা।মুখরিত হয় পৃথিবীর রাত।সুঠাম বাহু আর শক্ত পেশির মানুষরাইঅবিশ্রান্ত পরিশ্রমে তৈরি করেরাতের ক্যাসিনোর আলোসজ্জা।মধুচক্রের শোভিত নারী

✍ Final Exposer
কবিতা

তোমাকে বলছি

সোমা নায়ক (কলকাতা) একদিন হুট করেই তোমার কাছে পৌঁছে যাব।চোখে চোখ রেখে বলবো, ভালোবাসি। তো?ভুল করেছি কোনো? অন্যায় হয়ে গেছে আমার?পাপ করেছি আমি?শাস্তি দাও তবে।বলো, কি শাস্তি দেবে তুমি?কথা বলবে না? এড়িয়ে যাবে আমায়?না চেনার ভান করে মুখ ফিরিয়ে বসে থাকবে? নাকি এগিয়ে যাবে দূরে? আচ্ছা, এসবের কোনো কিছুই কি তুমি আগে কখনো করোনি আমার সাথে? কি হয়ে গেছে? বদলেছে কিছু?না তুমি, না আমার ভালোবাসা সবই তো সেই আগে

✍ Final Exposer
কবিতা

অশোককানন

অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) ​আমি যখনই বিষণ্ণ আয়নায়নিজের 'বিরহী' মুখ দেখতে চেয়েছি--তুমি অলক্ষ্যে আমার ললাটে এঁকেছোএক প্রশান্ত 'রোহিণী' নক্ষত্রের টিপ।চোখের কোণে জমে থাকা এক ফোঁটা 'জল'যখনই ঝরতে চেয়েছে--তুমি তাকে মুক্তো করে গেঁথেছো এক নিটোল 'অঞ্জলি'তে​আমি শুষ্ক ঠোঁটে যখনই উচ্চারণ করতে গিয়েছি নামহীন 'ব্যথা',তুমি আমার চিবুক ছুঁয়ে তাকে বানিয়ে দিলেএক অনুচ্চারিত প্রেমের 'কাব্যগাথা'।আমার এই ম্লান 'আনন' যখনইঅভি

✍ Final Exposer
কবিতা

স্বপ্নে আমি দুর্গা সাজি

অনন্যা হালদার (কলকাতা) ঘুমের-ঘোরে স্বপ্নে দেখিপঙ্খিরাজে চড়ে এ-কীযাচ্ছে রাজার মেয়ে!হঠাৎ করে অসুর-দলেকটু কথা বলে বলেপিছে আসছে ধেয়ে। সামনে এসে বললো পরেগলার মাঝে অস্ত্র ধরেকী আছে বের কর,আমি তখন গেলাম তেড়েআঙুলেতে তুরি মেরেবলছি বেটা সর। আরো একটু সামনে এলেমারব লাথি নিচে ফেলেকরছি হুশিয়ার,তোদের চুলের মুঠোয় ধরেমারবো শালা, জবাই করেথাকবে না-রে ঘাড়! ঢাল-তলোয়ার হাতে নিয়েরাজকন্যাকে অভয় দিয়েবলছি ওরে শোন্অ

✍ Final Exposer
কবিতা

প্রেম নয় অবুঝ মন

স্বপ্না ব্যানার্জী তিয়াসা (শিলিগুড়ি) তুমি ভালো আছো তো?প্রতিশোধ নিতে নিতে বোধ হয়এই অধিকার টাই হারিয়ে ফেলেছ। শরীরের যত্ন কি নাও?ভালোবাসা ভুলে গেলেও এটা তোতুমি জানতে চাইতেই পারো। সময় করে ওষুধ গুলো খাও তো?তোমার যত্ন তুমি নিজেই নিও কিন্তু ।এই কথাগুলোই তুমি ক্ষণে ক্ষণেজানতে চাইতে। সুনীল আকাশের কৃত্রিম ভালোবাসাআর বাতাসের সুমিষ্ঠ গন্ধ ছড়িয়ে থাকততোমার সারা শরীরে।মনের আঙিনা জুড়ে ফুটে থাকতকামিনী ফুলের সুবাস,

✍ Final Exposer
কবিতা

বিপ্লবের ঈশ্বর

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) আপনাকে শুধুমাত্র নেতাজি ভাবতে আমার একটু আপত্তি আছেআপত্তি আছে নেতাদের মতো দূরের নক্ষত্র ভাবতে!যাঁরা মাটিতে নামেন না সহজেযাঁরা দূর থেকে বজায় রাখেন উচ্চতাযাঁদের কাছে পৌঁছানো যায় নাযাঁদের দেখলে ভয় হয়আপনি তো তাঁদের মতো ননআপনার কথা ভাবলেই আমার নতজানু মস্তিষ্ক শ্রদ্ধায় ভালোবাসার বার্তা পাঠায়। আপনাকে শুধুমাত্র নেতাজি ভাবতে আমার আপত্তি আছেআমি জানি নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখে

✍ Final Exposer
কবিতা

কবিতার ঘরে শূন্যতা

ছবি বিশ্বাস (নদীয়া) কবিতায় সেই বসন্ত কোথায়দোলা তো দেয়না মনের অভ্যন্তরে,চাঁদের গোলাপী চুম্বনে কেন আর কবিতারাশয্যা ছাড়ে না জ্যোৎস্না উঠোনে। কারণ সেই 'সহজ' শব্দটিআজকাল কবিতায় খুঁজে পাওয়া যায় না,কবির পান্ডিত্য আর অহংকার একসাথে জুড়ে ভীষণ কম্প দিয়ে দুর্বোধ্য উচ্চারণের জ্বরে আক্রান্তকবিতা। জ্যোৎস্নাময় রাতের আকাশ জটিল,কান পাতলেই এখন আর শুনতে পাওয়া যায় নাথৈ থৈ জলে কলকল শব্দ,শনশন বাতাসে গুনগুন গ

✍ Final Exposer
কবিতা

একটু উষ্ণতার জন্য

কৃষ্ণা গুহ (কলকাতা) একটু উষ্ণতার জন্য ওরা আগুন জ্বালায় খড়কুটো দিয়ে ,প্রতীক্ষা করে ভোরের রোদ্দুরের !!রোদ্দুর সেও তো লুকিয়েছে মুখ ! ওরা চলেছে রোদ্দুরের সন্ধানে -- একটু রোদ চাই ,রোদ-- শীতের কামড়ে ভিজছে শহর !! এ শহরে একদিকে শীতের সভ্যতার চাদর --অন্যদিকে জ্বলছে খড়কুটোর আগুন । নিঝুম রাত কুয়াশার চাদর ঢাকা ,আগুনে সেঁকে নেয় শরীর ওরা চায় একটু উষ্ণতা। কোথায় স্বাধীনতা ?তিরঙ্গা পতপত করে উড়লেই কি স্বাধ

✍ Final Exposer
কবিতা

চল…কোথাও চলে যাই…

মৌসুমী মুখার্জী (খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর) ওই ট্রেন লাইন ধরে অমোঘ খুশিতে অচিনপুরে,চল কোথাও চলে যাই সেই তেপান্তরে। হাতে হাত রেখে অচেনা কোনো পথে,দিগন্ত যেথায় মাটিতে মেশে আপন মনোরথে। চলে যাই তুই আর আমি নয়তো পাখি হয়ে উড়ে বনান্তরে,বাঁধবো বাসা, সুখের নীড়, গাছের কোটরে। উড়বো আকাশে মুক্ত মনে মেলে আনন্দ ডানা,সন্ধ্যাবেলায় ফিরবো বাসায়, পাখসাট জল্পনা। এ পৃথিবী জটিল বড়ো, পরিযায়ী মন,গুনে গুনে পা ফেলা, তবুও বিপদ

✍ Final Exposer