কবিতা

কবিতা

প্রত্যাশা

ববি সরকার (কলকাতা) অভিমানী মনযখন তখনআলতো ছুঁয়ে যায়, ভালোবাসি তাইপাই বা না পাই,তোকে ভুলে থাকা দায়। মেঘ কুয়াশারআসাযাওয়া ছাড়থেকে যা স্বপ্ন হয়ে। কথা কাটাকাটিআমি নই খাঁটিতবুও তো নিলি সয়ে। পুরোনো সময়,যন্ত্রনাময়,চল,সব ভুলে ভালো থাকি। আয় তোর নামেরঙিন খামেভালোবাসা লিখে রাখি।।

✍ Final Exposer
কবিতা

ভুলে যাওয়া

বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) আসলে কেউ কাউকে ভুলে যায়না।আমরা নিজেকে জোর করে বোঝাই -যে ভুলে গেছি।একটা ফোন নাম্বার মুছে ফেললেই কিসব আবঝা হয়ে যায়? সে থেকে যায় সেই চেনা সুরে,থেকে যায় পরিচিত সেই গন্ধে।কিছু পিছু টান থেকে ই যায়সেই কথায়, যে কথা বলবো বলেও হয়নি বলা। সেই ব্যস্ত ট্রেনে পাশে থাকে অনেকেই,গন্তব্যে সবাই সরে যায়,আবার নতুন মানুষ এসে সাথ দেয়।আমরা নিত্যদিন এই চলে যাওয়াটাঅনুভব করি।চেনা ছায়া কে দেখে সরে যাইচে

✍ Final Exposer
কবিতা

কবিতার প্রেম

সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) কবিতা তোর প্রেমেপড়েছি যে আমিতুই তো আমার অন্তর্যামী।তোকে নিয়ে কত স্বপ্নউড়িয়ে দি ই আকাশে,শব্দের উপর শব্দ সাজিয়েগড়ে তুলি কথার মালা। খাতার পাতার শব্দ মিলিয়েসাজাই কবিতা তোর থালাউড়িয়ে দিই পাঠকের কাছেতোর বরণ ডালা। কবিতা তুই আমার নিঃশ্বাসকবিতা তুই আমার বিশ্বাস,কল্পনায় তোকে নিয়েকত ছবি আঁকি-তুই যে আমারসুখের দুঃখের চাবিকাঠি।তুই আমাকে কোনদিন,দিসনা যেন ফাঁকি। কবিতা তুই

✍ Final Exposer
কবিতা

"বালিকা হতে বধূ"

মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) গল্পের নাম শুনেই কি একটু খাবারের সুগন্ধ নাকে আসছে বন্ধুদের? ??ভাবছো বুঝি এক রন্ধনবিদ্যায় পারদর্শী নারীর গপ্পো করবো তোমাদের সাথে!!তোমাদের সুবিধার্থে বলে রাখি এই গল্পের নায়িকা স্বয়ং আমি। আমার মা বাবা আমাকে খুব অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছিলেন। তরকারিতে কি ফোড়ন দিতে হয় বা এক কাপ চা করতে ক'চামচ চা পাতা দিতে হয় সেটাও জানতাম না। কি জানি ওই সময় বোধহয় মা বাবার কাছে আমি কন্যাদায়গ্রস্থ

✍ Final Exposer
কবিতা

ভোট, তুই কবে সত্যি হবি

মহ ফরিদুল জামান (পূর্ব বর্ধমান) হায়রে ভোট, তুই ভাগ্যিস এলি,তাই পেলাম সেলিব্রিটির দেখা।পেলাম হাজার প্রতিশ্রুতি,শুনলাম নেতাদের মনভরা কথা।দেখিস ভোট, মারিস না আরকোনো অজানা বাণ,স্বপ্ন দিয়ে ব্যথা দিস না,বড় কষ্ট পায় প্রাণ।করিস না মানুষের হৃদয়টুকরো টুকরো খান,মিথ্যে আশায় ভাঙিস না আরসাধারণ মানুষের প্রাণ।কয়েক বছর অন্তর এনে দিস নতুন স্বপ্ন,ঝুলি ভরে সুখের বুলি,দিস শুধু আশার গল্প,থাকে না তার কোনো মূলই।তু

✍ Final Exposer
কবিতা

অস্তিত্ব

করবী সাঁতরা (হরিপাল, হুগলী) আমি দেবদাসী নইনই সেবাদাসীনই আমি রক্ষিতানই বারবনিতা,আমি শুধু নারীসকলের মঙ্গলকামী। আমি জননী,দিদি,বোনপিসি,মাসি,দিদা,সম্বোধনে থাক যে নামআমি থাকি সাধাসিধা। আমি অবলা,সহ্যশীলাগোপনে বালিশ ভেজেকখনও পাথর প্রতিম শীলাসারারাত রয় জেগে। কখনও মনের অগ্নিপাতআগুনের ফুলকি ঝরেবিদ্রোহী মনে রক্তপাতমুখে বাক্য না সরে। উপোসী মন শুভকামনায়উদরের জ্বালায় নীরবসবাই পরিতৃপ্তির বাসনায়বোবামন হয় না স

✍ Final Exposer
কবিতা

সভ্যতার উপাখ্যান

রাই প্রিয়া (ক্যানিং) অলক্ষ্য নক্ষত্রের মতো ম্রিয়মাণ মানবিকতার আলোকমালা,নগরীর নিয়ন-আলোয় আজ বিবেক যেন নির্বাসিত এক তপস্বী।অভিলাষের অগ্নিগর্ভ লোভে আমরা নির্মাণ করি কংক্রিট সাম্রাজ্য,তবু অন্তঃস্থ শূন্যতার গহ্বরে প্রতিধ্বনিত অদৃশ্য হাহাকার দিবানিশি। সময়ের এই ক্যালেন্ডারে জমে ওঠে অসংখ্য অনুলিখিত পাপ,অবচেতনের আর্কাইভে সঞ্চিত যত অবদমিত অনুতাপ।আমরা ইতিহাসের প্রান্তরে লিখি উন্নতির দীপ্ত উপাখ্যান,তথাপি

✍ Final Exposer
কবিতা

অভিশপ্ত দোল

গীতা বণিক দত্ত (চুঁচুড়া, হুগলী) দোলের দিনেই এসেছিলে দেবদূতের মতো,ছড়িয়ে দিলে আলোর রাশি আঁধার ছিল যত ।ভরসার হাত ভালোবাসার হাত দিলে বাড়িয়ে,নতুন করে দুটি চোখে স্বপ্ন এঁকে দিলে।দুঃখ গুলো জমানো ছিল মনের গোপন কোণে,তুমি এসে সোনার কাঠি বুলিয়ে গেলে চলে।আবীর রঙে রাঙিয়েছিলে ফাগুন পূর্ণিমাতে,দুটি হৃদয় ভরলো উঠে রঙের ছোঁয়াতে।ইচ্ছে গুলো বন্দী ছিল চিলেকোঠায় চুপিসারে,তোমার পরশ পেয়ে তারা মেললো ডানা নতুন কর

✍ Final Exposer
কবিতা

চলো ঘুরে আসি

নদেরচাঁদ হাজরা (কলকাতা) চলো ঘুরে আসি বাগানেআমার মনের উঠোনজুড়ে ফুটে আছে ফুলকবিতারা কথা কয়;হয়তো আধো আধো বুলিতবুও আমার সন্তান তারা।হৃদয়ের রসে জন্ম নিয়েছে একদিন।কোনো ধোঁয়াশা নেই আমার কাছেমুক্ত বিহঙ্গের মত ডানা মেলে সাহিত্যের আকাশে।তারপর!উড়ে যায় একদিনকোন সে সুদূরেজানিনা।

✍ Final Exposer
কবিতা

মহারণ

কণিকা বর্মন(রাজাপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর) মহারণদিকে দিকে তার‌ই আয়োজনসাজো সাজো রববাংলার ঘরে ঘরেঅমায়িক দরবারেমতামত জেনে নিতেফুল আর ফল পেতেদুয়ারে নাড়ছে কড়াজনতার‌ই জন উৎসব নানান কালিতেনানান ছবিতেপোস্টারে দেওয়ালেসমাবেশে মিছিলেঝুনো শহর থেকে বুনো গ্রামক্ষমতা দখলের এই মহারণেস্লোগানের পিছে পাল্টা স্লোগানেনীতি ও কৃতিত্বে চলছে দলীয় বনাম আসছে প্রবাসীআসছে পরিযায়ীছিল যারা দূরেসুখ সাধ পুড়েসব দায় ফেলেব্রত ব

✍ Final Exposer
কবিতা

গায়ে পড়া ​ভালোবাসা

অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) ​ভালোবাসা ঝুলিয়ে রেখো না আর,এবার গায়ে পরোএখন পলাশ ফোটা উদাস বসন্ত—কাশি বাড়লে, এঁটে দিও বাড়তি বোতাম-ঘর ও।​মাপা আদরের ওমে যদি অস্বস্তি জাগে,তবে না হয় খুলে রেখো একপাশেযদি কোনো গোপন ক্ষত কিম্বা রোমশ ঠিকানায়--সে ভালোবাসা কুটকুট করে বিষণ্ন আক্রোশে।​অবহেলা করো না সেই ওমটুকু,'গায়ে পড়া' বলে হেসো না তুচ্ছতায়সবাই কি আর এমন শক্ত বুনন পায়?কতজন তো হিমশীতল শূন্যতা গুনে চলে যায়।​পুরোনো খা

✍ Final Exposer
কবিতা

সুপ্ত 'লাবণ্য'

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) ছেলেটির সাথে প্রথম দেখা প্রিন্সেপ ঘাটের এক আলো আঁধারিতেসুদর্শন, সুপুরুষ তীব্র আকুতিতে জড়ানোচোখে চোখ পড়তেই কেমন একটা ভালো লাগার টান অনুভব হলোকাছাকাছি এক মোবাইলের রিংটোনে বেজে উঠলো'প্রেমের‌ও জোয়ারে ভাসাবে ….'সন্ধ্যার মোহনীয় আলোর মায়ায় নদীও প্রেমে পড়েআমি তো মানবী মাত্র!ছেলেটি এগিয়ে এসে হাতে একটা চিরকুট গুঁজে দিলোএকটু রাত হতেই শুরু হলো মিষ্টি ফোনালাপএতদিন কোথায় ছিলো এত কথা

✍ Final Exposer