প্রত্যাশা
ববি সরকার (কলকাতা) অভিমানী মনযখন তখনআলতো ছুঁয়ে যায়, ভালোবাসি তাইপাই বা না পাই,তোকে ভুলে থাকা দায়। মেঘ কুয়াশারআসাযাওয
ববি সরকার (কলকাতা) অভিমানী মনযখন তখনআলতো ছুঁয়ে যায়, ভালোবাসি তাইপাই বা না পাই,তোকে ভুলে থাকা দায়। মেঘ কুয়াশারআসাযাওয
বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) আসলে কেউ কাউকে ভুলে যায়না।আমরা নিজেকে জোর করে বোঝাই -যে ভুলে গেছি।একটা ফোন নাম্বার মুছে ফেললেই কি
সোমা দেবনাথ দাস (বালি, হাওড়া) কবিতা তোর প্রেমেপড়েছি যে আমিতুই তো আমার অন্তর্যামী।তোকে নিয়ে কত স্বপ্নউড়িয়ে দি ই আকাশে
মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) গল্পের নাম শুনেই কি একটু খাবারের সুগন্ধ নাকে আসছে বন্ধুদের? ??ভাবছো বুঝি এক রন্ধনবিদ্যায় পারদর্শী
মহ ফরিদুল জামান (পূর্ব বর্ধমান) হায়রে ভোট, তুই ভাগ্যিস এলি,তাই পেলাম সেলিব্রিটির দেখা।পেলাম হাজার প্রতিশ্রুতি,শুনলাম নে
করবী সাঁতরা (হরিপাল, হুগলী) আমি দেবদাসী নইনই সেবাদাসীনই আমি রক্ষিতানই বারবনিতা,আমি শুধু নারীসকলের মঙ্গলকামী। আমি জননী,দি
রাই প্রিয়া (ক্যানিং) অলক্ষ্য নক্ষত্রের মতো ম্রিয়মাণ মানবিকতার আলোকমালা,নগরীর নিয়ন-আলোয় আজ বিবেক যেন নির্বাসিত এক তপস
গীতা বণিক দত্ত (চুঁচুড়া, হুগলী) দোলের দিনেই এসেছিলে দেবদূতের মতো,ছড়িয়ে দিলে আলোর রাশি আঁধার ছিল যত ।ভরসার হাত ভালোবাসা
নদেরচাঁদ হাজরা (কলকাতা) চলো ঘুরে আসি বাগানেআমার মনের উঠোনজুড়ে ফুটে আছে ফুলকবিতারা কথা কয়;হয়তো আধো আধো বুলিতবুও আমার স
কণিকা বর্মন(রাজাপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর) মহারণদিকে দিকে তারই আয়োজনসাজো সাজো রববাংলার ঘরে ঘরেঅমায়িক দরবারেমতামত জেনে নিতে
অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) ভালোবাসা ঝুলিয়ে রেখো না আর,এবার গায়ে পরোএখন পলাশ ফোটা উদাস বসন্ত—কাশি বাড়লে, এঁটে দিও বাড়তি বো
সঙ্গীতা কর (কলকাতা) ছেলেটির সাথে প্রথম দেখা প্রিন্সেপ ঘাটের এক আলো আঁধারিতেসুদর্শন, সুপুরুষ তীব্র আকুতিতে জড়ানোচোখে চোখ