কবিতা

কবিতা

"নিয়মের ঐকান্তিক অক্ষরেখা জুড়ে"

রাকা ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) আগমনী বসন্ত হরিদ্রাভ সরিষা প্রান্তর জুড়েজুড়িয়ে যাওয়া নয়নাভিরামে জড়িয়ে ধরেছিআশৈশবী এ উদাসী হলুদ আঁচল, হাত বুলিয়েবুলিয়ে ছুঁয়ে দেখেছি মা কে, আমার পৃথিবীকে…আমার আকাশ, আমাদের উন্মুক্ত স্বাধীন নীলাচল,হারিয়ে যেতে যেতে এ দেশ ও দেশ ছড়িয়ে ছিটিয়েমাতৃত্বের কোল ঘেঁষে আমাদের ই ভাই বোন….উত্তাল বাতাসে বিদেশী প্রেমিকের মর্মর স্মৃতি ..গঙ্গা পদ্মা যমুনা নর্মদা ত্রিবেণী সঙ্গমে

✍ Final Exposer
কবিতা

পাত্রী চাই

তিতলী রায় (কলকাতা) নীল সাদা কাপড় পড়ে খুব ধীর গতিতে মেয়েটি সামনে এগিয়ে এলো,হাতজোর করে সবাইকে প্রণাম জানিয়ে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে রইলোপাত্র পক্ষের সবাই নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বড্ড বেশিই ব্যস্তপ্রায় মিনিট পাঁচেক পর কেউ একজন বলে উঠলো আরে তুমি বোসো বোসো,মেয়েটি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকিয়ে সামনের চেয়ারে বসে পড়লো;শাড়ির আঁচলে আঙুল দিয়ে পাকাতে পাকাতে দু'টি পা মেঝেতে ঘষতে লাগলো।সুনয়না মনে মনে নিজেকেই বললো এরা কী

✍ Final Exposer
কবিতা

১৭ বসন্ত পার

সুমন বিশ্বাস (দুর্গাপুর) ১৭ বছর পার করে আজশুরুর সেদিন মনে পড়ে।লালবাড়িতে জয়েন করে,ATI এর ক্লাস ঘরে। মনে পড়ে ঢপের ক্লাসচায়ের কাপ আর বকুল তলা,পেরিয়ে এলাম অনেকটা পথ,তবুও চলুক এ পথ চলা। চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়েপথ হারিয়ে থামলো যারা।তারা থাকুক স্মৃতি জুড়ে,আকাশ জুড়ে দুটি তারা । কেউ সুখে কেউ দুঃখে আছি,যেমন আছি ভালই আছি।কেউ আছি সেই তেপান্তরে,কেউবা বাড়ির কাছাকাছি। মাঝে মধ্যে দেখা হয়কোলকাতাতে মিটিং হলে।প্রবেশনটা

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার রাই

গোপা মল্লিক (কলকাতা) মনটা যখন গুমোট ভারীবুকের কাছটায় তোকে ধরিসরে গিয়ে সব উদাসীনদিনটা হয় বড্ড রঙিন। বিপদ যখন মাথার পরেতোর হাসি জোছনা ধরেঅন্ধকারে পথ খুঁজে পাইবিপদ তখন পালাই পালাই। কুহু কুহু কোকিল ডাকেফুল ফোটে বাঁকে বাঁকেআলো আসে আঁধার চিরেআমার মনের মন্দিরে।

✍ Final Exposer
কবিতা

সমাজের ইতিকথা

তৃপ্তি রায়চৌধুরী (কলকাতা) আজব দেশে মজার মানুষওড়ায় শুধু মিথ্যে ফানুস। আপন স্বজন মারামারিআমি তুমি'র কাড়াকাড়ি। ওপর ওপর দেখনদারিভেতরে সব ফুটো হাঁড়ি। সুখ বলে যায় গেলাম আমিতুই বুঝে নিস কোনটা দামি। কামাই টাকা ছলে বলেযাক না সমাজ রসাতলে! মন্দ কথা যতোই বলোপিঠটাকে ভাই চুলকে চলো। দেখলে বিপদ ঘাপটি মেরেউধাও হবে মুলুক ছেড়ে। সুখের পাশে ভিড় স্বজনেরদুঃখ মেটায় দায় ক'জনের? পরের ভাগ্যে চোখটা টাটায়সর্বনাশে

✍ Final Exposer
কবিতা

ফাঁকা ফাঁকা

সঙ্গীতা মুখার্জী মণ্ডল (দুর্গাপুর) তারপর যখন চোখ খুলে গেলোপাল্টে গেলো সবটাবুঝে নেওয়ার আগেই শেষতবুও জল দিলামখড় কুটো দিলামকিন্তু নাআমার লেখার কিছু নেইসবটা লেখায় ছিলোফলে দৃশ্য জানা পেহেচানা। এখনআবছা নয়এখন সবটা স্থিরগাছ পালা আর হাঁটে নাকারণ বাবার সাথে আমি ট্রেনে চাপি না। অনেক কিছু প্রকাশিতএখন শুধু মুছতে মুছতে ক্লান্তযেদিকে তাকাইসবই ধুলোহাতের মুঠো ফাঁকা ফাঁকা।

✍ Final Exposer
কবিতা

মায়ের কাছে প্রার্থনা

রাসমণি ব্যানার্জী (হরিপাল) কর্ম যদি করাও শ্যামাকর্ম কেন করবো না মা।তোমার কৃপায় চলছি আমিশুধু আমায় করো ক্ষমা। গঞ্জনা দেয় লোকে আমায়রুগ্ন বলে তানা মারেকি করি আর বল মা শ্যামাশরীর খানা ভালো নারে। কৃপা করে বোঝাস ওদেরকষ্ট ব্যথা দেয় না যেনরুগ্ন আমি তাইতো রাগীকষ্ট এতো দেয় যে কেন। কৃপা করে ও মা শ্যামাসবার ভালো করিস যেমনএকটু কৃপা করিস মাগোআমার উপর তুই মা তেমন।

✍ Final Exposer
কবিতা

স্নিগ্ধ জল ও জন্মান্তর

লিপিমিতা তনুশ্রী (কলকাতা) স্নিগ্ধ জলের আবেশ নিয়ে মুহুর্তরা সমুখে এসে দাঁড়ায় যখনপল্লবিত হয় সবুজ মন ক্ষণিকের অনুভব সিক্ত শিহরণ,অথচ দীর্ঘ যাপন পথে আসন্ন রাত্রি, গোধূলিবেলাপড়ন্ত ছায়াপথ ধরে এখনও যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলারণভূমে ক্লান্ত শ্রান্ত দেহ, নতজানু আভূমি প্রার্থনায়,এক কুশি জল, এক মুঠো ফুলের সুবাস প্রতীক্ষায়।অস্তমিত সূর্যের বিষণ্ণ আলোয় মুদিত পাপড়িদলবেহাগ সুরে বনতল কম্পিত কায় — ক্রমশঃ ভাঁটার টান,সন্ধ্যাদীপ

✍ Final Exposer
কবিতা

মা শান্ত হয়েছে আজ

মারুফ খাঁন (কলকাতা) বিচারের আশায় সুর বদলে মা শান্ত হয়েছে! মা শান্ত হয়েছে… অন্তঃদগ্ধ যন্ত্রণা বুকে! দেখুন দেখুন আজ মা শান্ত হয়েছেকামদুনির নিরুপায় মা শান্ত হয়েছেআনিসে'র অসহায় মা শান্ত হয়েছেনীরব তিলোত্তমার মা শান্ত হয়েছেউমার মা কেঁদে কেঁদে শান্ত হয়েছে। অজানা অচেনা কত হাজার হাজার মা এভাবে নীরবে কাঁদতে কাঁদতে শান্ত হয়েছে।। সেদিন দেখেছিলাম প্রতিবাদের রণ হুংকাররাত গভীর উপত্যকা! বিচারের পথ অন্ধ

✍ Final Exposer
কবিতা

যুবতী এক বৃদ্ধার কুমকুম লাবন্য ভেজা দিনে..

শ্রী র জ ত (কলকাতা) বসে আছি বসন্তের অদ্ভূত বেদনায়লালরং, হলুদে হলুদে ভেজা যুবক পাতারাটুপ টাপ ঝরে আছে, করমচা রঙের স্মৃতি মেখে-নীল চেতনায়। শোল মাছ ঘাই করে, মৃদু চন্দ্র আলো ভেজা বাঁশের মাথায়.. বসন্তের বাতাসে তবু শীতের আনা গোনা..যাকে আমি মৃত্যু বলে জানি,আবীরে ভেজানো এক আকন্ঠ মাতাল,চুমু দিয়ে মৃত্যু কে শিশু করে দেয়…বাধ্য করে - জীবনের ডাং গুলি নিয়ে বেদুইন হতে। একদা যুবতী - সেই বৃদ্ধার জীবনে অনাহুত বসন্তের

✍ Final Exposer
কবিতা

চেনা মানুষ অচেনা যখন

ববি সরকার (বারাসত) একই মানুষ এক একটা পরিবেশে তার আলাদা রূপ দেখতে পাবেন। রূপ বলতে সৌন্দর্যের কথা বলছি না। রূপ বলতে তার আচরণ আর ব্যবহার এর কথা বলছি।অনলাইনে যাকে আপনি ভীষণ চেনেন ,দেখা হলে দেখবেন সেই মানুষটি কিন্তু সেইরকম নয় যেমনটি আপনি ভেবেছিলেন। শুধু অনলাইন নয় বাস্তবের চেনা মানুষের কখনো কখনো অচেনা রূপ টা চোখে পড়বে।তখন মনে হবে আরে!! এ কে!! একে তো আমি চিনিনা। কেবল পরিবেশ নয় বিভিন্ন মানুষের কাছেও এ

✍ Final Exposer
কবিতা

ফাগুন

মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) "লাইচবি নাকি বিটি"..!পিছন ফিরে কুসুম দেখে, এত্তগুলো পলাশ মালা রিমলি দিদির হাতে।"কত্ত দিন পর দেখলাম রে বিটি তুকে!গেরামটাকে ভুললি বটে, ডাক্তার দিদিটো হয়ে "!কুসুমের চোখ ভরা নদী, অভিমানের ঢেউ,মনের নাগাল পেতেই ফেরে উড়োজাহাজ চড়ে। মাকে যে কথা দিয়েছে আসবেই এবার ঘরে !কুসুম বলে,"মাথার পাশে লাগিয়ে দেনা, একটা মালা তবে," মনের সুখে লাইচবো আজ তুদের সাথে হাটে!"রিমলির হাসি আকাশ মাতায়

✍ Final Exposer