কবিতা

কবিতা

নারী দিবসে

সোমা দেবনাথ দাস (হাওড়া) নারী তুমি স্নেহময়ী মমতাময়ীনারী তুমি সৃষ্টিদায়িনী,নারী তুমি জগৎ জননীনারী তুমি মহিষাসুরমর্দিনী। নারী তুমি স্রোতস্বিনী নদীনারী তুমি ভালোবাসার জোয়ারিনী,নারী তুমি ভোরের নির্মল আকাশনারী তুমি সন্ধ্যার দক্ষিণা বাতাস। নারী তুমি প্রজাপতির মতো মেলো পাখানারী তুমি বিহাঙ্গের মতো কখনো যে বালিকা,নারী তুমি সৃষ্টির আলোক দিশারীনারী তুমি ত্যাগের পূজারিণী। নারী তুমি কাটার মুকুটধারিনীনারী তু

✍ Final Exposer
কবিতা

একান্ত চাওয়া

সুজান মিঠি (পূর্ব বর্ধমান) কোনো নারী দিবস চাই না।ধর্ষণ মুক্ত দিন চাই।কোনোখানে কোথাও কোনো নারীর দিকে লোভ-চোখ উঠবে না। দৃষ্টিতে থাকবে না ধারালো অস্ত্র।মেপে ফেলা হবে না তার বুকের মাংসের পরিমাণ।পায়ের গোড়ালি উন্মুক্ত করে সে নারী নৃত্যে উন্মত্ত হবে। হাসবে। তার হাসিতে পাখি উড়বে। বাতাস গাইবে। বৃষ্টি সুখ সুখ গন্ধ দেবে মাটিকে। কোনো নারী দিবস চাই না।ধর্ষণ মুক্ত দিন চাই। ধর্ষণের আগে ধর্ষকের যেন মনে পড়ে যা

✍ Final Exposer
কবিতা

হাওয়া বদলের ডাক

শোভনা মিশ্র (নয়ডা) আজ তুমি গালে হাত দিয়েভাবতে বসেছো সমাজ ?ভাবতে তো হবেই, তুমিই যে দায়ি-হিসেবে গরমিল, সোজা মিলছে না কিছুই ।নর নারী প্রকৃতির সর্বোত্তম সৃষ্টিকিন্তু তোমার পক্ষপাতিত্বে আজতার অসামঞ্জস্যতা, বিষাদময় বৈষম্যতা। তোমার সংসারে কন্যা ভ্রুণের হত্যা হয়মাতৃজঠরে আগাছার মত উপড়ে ফেলোপৃথিবীর বাতাস তাদের জুটে না।কিন্তু তারই মাঝে যেসব ফুল ফুটছেকখনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিচ্ছোনা হয় জঙ্গলে জ্যান্ত ছুঁড়ে ফেলছো

✍ Final Exposer
কবিতা

আমি সেই নারী

মালবিকা পণ্ডা (পশ্চিম মেদিনীপুর) আমি সেই নারী,যার জন্ম ক্ষণে ছিলনা উলু ধ্বনি,ছিল না শঙ্খ ধ্বনি।শঙ্খ ধরা ছিল বাড়ির মহিলাদের হাতে,উলু দেবার জিভ ঠোঁট পর্যন্ত এসেভিতরে ঢুকে গেল।সবাই যখন ঠোঁট বাঁকিয়ে চেঁচিয়ে বললমেয়ে হলো গো!শঙ্খ মুখ পর্যন্ত গিয়েও ধীরে ধীরে নেমে এলো।যারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলতারা ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে গেল।আমি সেই সদ্য জন্ম নেওয়া এক নারী।যার বিছানা হয়েছিল খড়ের উপরচট বিছিয়ে।ধীর

✍ Final Exposer
কবিতা

নারী দি বস

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) আমি আদি নারীসৃষ্টির প্রথম লগ্ন থেকে লোভাতুর দৃষ্টি চিনিআমি নিজেই নিজেকে দীক্ষা দিয়েছি প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়তেআমি লড়তে জানি, আবার গড়তেও জানিআমার সহায়তায় পুরুষ হয়েছে স্রষ্টাআমার সাহচর্যেই পৃথিবী সম্পূর্ণআমি স্বয়ংসিদ্ধা। আমি প্রাগৈতিহাসিক নারীআমি কোমল হৃদয়াআমার সঙ্গীর কষ্টে আমি আকুলাযাযাবর জীবনকে গৃহমুখী করতে আমিই প্রথম শিখিয়েছি ফসল রোপনআমার হাত ধরেই সভ্যতা এগিয়ে চলেছ

✍ Final Exposer
কবিতা

সব পেয়েছির আসর

সোমেন চ্যাটার্জী (কলকাতা) যা পেয়েছি তা পাবার ছিলযা শুনেছি তা শোনারযা দেখেছি তা দেখার ছিলকারন জীবনটা তো আমার। যা ছিল তা আমারই ছিলশুধু সময়ের অপেক্ষায়,যা কিছু ঘটার ঘটেই গেলথাকে না বোঝার উপায়। যা আজ ঘটবে ঘটেই যাবেভালো-নয়তো মন্দ,যা পেয়েছি তা সামান্যই হোকহৃদয়ে থাক আনন্দ। যা দেখে আমরা আমার বলিযা নিয়ে হৃদয় ভার,আসলে "আমার আমার" শব্দটাইমিথ্যার অহংকার। যা আসলে আসা-যাওয়াযা যতটুকুই জীবন ধারণ,কি পেলাম

✍ Final Exposer
কবিতা

শিমূল ফুল! শিমূল ফুল!

সুজান মিঠি (পূর্ব বর্ধমান) শিমূল ফুল! শিমূল ফুল!খোঁপায় বাঁধা আবির চুল!রাঙা রোদে স্নানটা করে,সুখ গাইছ ফাগুন ভরে? বন্ধু এখন কত তোমার!কোকিল কন্ঠে সুর বাহার,রোদ কুড়িয়ে গাং শালিকে,তোমার শাখায় স্বপ্ন রাখে। আমি কি আর এমন পারি?দেখি কেবল তোমার বাড়ি। শিমূল ফুল! শিমূল ফুল!রাঙা বেণী বাঁধছ চুল?ভোলোনি আমায়? বেশ তো বেশ।আয় না খেলি রঙের দেশ! কী বলছ? বাঁধবে চুল?দুলবে হাওয়ায় তোমার ফুল?যুদ্ধ নাই কোনো দিকে?সুখ নিয়েছে

✍ Final Exposer
কবিতা

ভুলে যাওয়া

বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) আসলে কেউ কাউকে ভুলে যায়না।আমরা নিজেকে জোর করে বোঝাই -যে ভুলে গেছি।একটা ফোন নাম্বার মুছে ফেললেই কিসব আবঝা হয়ে যায়? সে থেকে যায় সেই চেনা সুরে,থেকে যায় পরিচিত সেই গন্ধে।কিছু পিছু টান থেকে ই যায়সেই কথায়, যে কথা বলবো বলেও হয়নি বলা। সেই ব্যস্ত ট্রেনে পাশে থাকে অনেকেই,গন্তব্যে সবাই সরে যায়,আবার নতুন মানুষ এসে সাথ দেয়।আমরা নিত্যদিন এই চলে যাওয়াটাঅনুভব করি।চেনা ছায়া কে দেখে সরে যাইচে

✍ Final Exposer
কবিতা

আজও দাঁড়িয়ে আছি

মৌমিতা মৌ (কলকাতা) যেই ভেবেছি..অমলতাসের সোনালি অলংকারে সাজাবো নিজেকে,সূর্যের ফোঁটা ঝরে পড়বে কপালের সিঁথিতে। মাধবীলতা লাজুক জানালার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে বলে-- “ও মেয়ে, আমাকে ছাড়া সাজবি?তবে তো বসন্তের রঙের বাহার হবে পুরোটা ফিকে।” এমন সময় আঁজলা ভরে,কে যেন মুঠো মুঠো কৃষ্ণচূড়া ছুঁড়ে দেয় আকাশে..লাল আগুন ঝরে পড়ে পুষ্পবৃষ্টির মতো। ডালের আড়াল থেকে পলাশ গুলো,জ্বলন্ত প্রদীপের মতো চেয়ে থাকে!কতক্ষণ ধ

✍ Final Exposer
কবিতা

বাবার দায়িত্ব

অরিন্দম ব্যানার্জ্জী (গুসকরা) "বাবা--ই আশা, বাবা--ই ভরসা বাবা--ই ভালোবাসা, বাবা ছাড়া পৃথিবীটায় চারিদিক দেখি ধোঁয়াশা! " "পৃথিবীতে জন্মে যেদিন দেখি সূর্যের আলো, সেদিন থেকেই বাবার অনেক দায়িত্ব এসে গেল!" "দায়িত্ব গুলো নিয়েও বাবা থামেনি কোনো দিন, সঠিক পথে চলবে ছেলে জীবনটাকে করবে যে রঙ্গিন!" "তিনটে বছর যেদিন ছেলের বয়স হয়ে গেল, চিন্তা শুরু সেদিন থেকেই কোন স্কুল টা ভালো!" "ভালো স্কুলে ভর্তি হলাম শুরু হলো

✍ Final Exposer
কবিতা

রং দে

জয়া সান্যাল (কলকাতা) বসন্তের আকাশে ক্ষণিকের দামাল হাওয়ায়কৃষ্ণবর্ণের মেঘের ঘনঘটানিস্তব্ধ রাতের বেলাশেষে, বিদ্যুতের ঝলকেভিজে ঝড়া পাতার বুকে লেখাএই শহরটার গোপন কথা গুলোহতাশার শ্রাবণ উপভোগ করছে নির্দ্বিধায়। কালবৈশাখী তাণ্ডবে বিধস্ত জীবনের সারাংশেকবিতা বেলায় আমার হারিয়ে যাওয়া মেয়েবেলাআঁধার আঁকড়ে স্মৃতির বায়োস্কোপ দেখে। ভোর হয়, দিন শুরু হয় নিত্য নৈমিত্তিক রুটিনেমনুষ্যত্বের ভণ্ডামির পূজো হয়

✍ Final Exposer
কবিতা

আবির

শরদিন্দু ঘোষ (বর্ধমান) ছেলেটা হাঁটছে।তার দিকে খেয়াল নেই কারও।সবাই একে অপরকে নানা রঙের আবিরেরাঙিয়ে দিতে ব্যস্ত।সেই রাঙিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ঝড়ে পড়ছেআনন্দ, উচ্ছ্বাস।তার দিকে নজর নেই কারও।রঙের কোনও আভা স্পর্শ করেনি তাকে।ছেলেটা হাঁটছে।একটা সময় ছেলেবেলা, খেলার সাথী সব ছিল তার।মুঠোভরা দু হাতে আবির নিয়ে তার মিস্টি দুটো গাল ভরিয়ে দিত দিদি।সেই স্পর্শ ছিল বড় আদরের।তাতে ছিল মায়ের হাতের পরশ।আজ তার ক

✍ Final Exposer