শহরের নীরবতা
তুহিনা চক্রবর্তী (কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর) নিওন আলোয় ভিজে থাকে রাত,ফুটপাথে পড়ে থাকে কাগজের স্বপ্ন।বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে
তুহিনা চক্রবর্তী (কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর) নিওন আলোয় ভিজে থাকে রাত,ফুটপাথে পড়ে থাকে কাগজের স্বপ্ন।বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে
মিষ্টু চৌধুরী মজুমদার (কলকাতা) সভ্যতার বর্বরতার চেয়ে আদিম মানুষের আদিমতা ঢের ভালো ছিল।তারা অন্তত নিজেদের সভ্য বলে দাবী ক
অনন্যা হালদার (মুকুন্দপুর, কলকাতা) বিয়ের সাতদিন পরেই আয়ত্রীকে রেখে চাকরির সুবাদে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমিয়েছিল রণধীর। আজ
নীহার চক্রবর্তী (বেথুয়াডহরি, নদীয়া) মধ্যবয়সী মানুষ। বৈষ্ণব। কপালে তিলক কাটে।পথে আমাকে দেখলেই মধুরসুরে 'জয় নিতাই' বলে ওঠে
মায়া ঘোষ মাইতি (কলকাতা) বিবেক সেদিন প্রশ্ন করেছিল ---এতো অন্ধকার কেনো চারিদিকে?কেনো এত বিশৃঙ্খলা?নৈরাজ্যৈর চূড়ায় বসে
শোভনা মিশ্র (পুণে, মহারাষ্ট্র) জীবন সাগরে শুধুই দিকবিভ্রমচলার পথে ঘুরপাক খাইনাবিকহারা জাহাজ আমি একঠিকানার কোন সন্ধান নাই
মালা মুখোপাধ্যায় (কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান) দূর থেকে চলে যাওয়া দেখি…তখন নদী তুমিএক মায়ের মতোআমাদের লালন পালনে ব্যস্ত। আর
শিবানী চক্রবর্তী (শ্রীরামপুর, হুগলী) নানান রঙের রূপের ডালি তুমি শালুক রানী,সকল বন্ধুদের শোনাই আজ তোমার কাহিনী।দিঘী ,পুকু
শুভা রায় (কলকাতা) কেমনে তোমারে করি গো বিরত,হে নাথ মোর হৃদয় হরণে!ছল করে প্রিয় আমিও তো যাইযমুনার ঘাটে গাগরি ভরণে! দিনরাত
গোপা ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) আলমারিটায় কথাদের গুছিয়ে রেখেছি …বোঝাই করা গুচ্ছের আবেগ এঁটে সেঁটে একে অপরের পিঠে চড়ে বসে আ
শ্রাবনী চক্রবর্তী (কলকাতা) ভাদ্রের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মিলে দেবকী নন্দন,কংশের কারাগারেই হলো তোমার শুভ জন্মক্ষন।
সঙ্গীতা কর (কলকাতা) সামনে দাঁড়িয়ে আছে অগভীর জীবন সমুদ্রদুহাতে ঘৃণা সরিয়ে সাঁতার কেটে এগিয়ে চলেছিক্লান্ত অবসন্ন দেহতা