ল্যাম্পোস্ট
অপর্ণা মুর্মু (ওন্দা, বাঁকুড়া) শ্রাবণের বৃষ্টিভেজা শহরনিঃশব্দে নামে সন্ধ্যা অলকানন্দাশহরের রাস্তা জুড়ে টিমটিম আলোদূর
অপর্ণা মুর্মু (ওন্দা, বাঁকুড়া) শ্রাবণের বৃষ্টিভেজা শহরনিঃশব্দে নামে সন্ধ্যা অলকানন্দাশহরের রাস্তা জুড়ে টিমটিম আলোদূর
শ্রাবণী বসু (হলদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর) বুকের কাছে পাথর হয়ে আছে বোবা কষ্ট,ধানচারায় ছোপ ছোপ রক্তছাপ -একশো পশলা বৃষ্টির প
মহুয়া বিশ্বাস (বনগাঁ, উত্তর ২৪ পরগনা) সে খরস্রোতা নদী হয়ে বয়ে যেতে চেয়েছিল বহুযুগ ধরে।হঠাৎ দেখলো প্রকাণ্ড বাঁধ!সে আটক
শোভনা মিশ্র (পুণে, মহারাষ্ট্র) তোমার আমার দূরত্ব অনেকটাধূসর মেঘ দেখলে তোমার মনে পুলক জাগেতুমি বলো বৃষ্টি নামুক মুষলধারে।
সুনন্দা হালদার (কলকাতা) শ্রাবণ রিমঝিম তালে নুপুর বাজিয়েছে সারাদিন।বিকেলের সূর্যটা একটু সুযোগ পেতেইগোধূলিকে সাজিয়েছে মন
শিউলি নন্দন (হাটগোবিন্দপুর, পূর্ব বর্ধমান) একটানা ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকের মতো শব্দটা কানের কাছে ক্ষীণ থেকে তীব্র হয়ে উঠতেই আর
জয়া ঘোষ (বনগাঁ, উত্তর চব্বিশ পরগণা) দুপুর জুড়ে শ্রাবণের অঝোর বৃষ্টি,তুমি নেই—তবুও তুমি আছো,ভেজা জানালায় ধরা দেয় স্পষ্ট ম
বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) যে কথা বলার ছিলহয়নি বলা তা যে,শব্দ গুলো বড্ডো পাজিশুধুই আড়াল রাখে।বৃষ্টি ভেজা এই সকালেমনের আবেশ জ
রীতিশা পাল (বনগাঁ, উত্তর চব্বিশ পরগণা) প্রবেশ দ্বারে খিল দিয়েছি আজ,একদিন ছিল অবাধ প্রবেশ,যতবার প্রবেশ করেছে ততবার আহত হ
রুনা মুখার্জী (কলকাতা) উদ্ভিদ প্রাণী সবার কাছেইজল টা অনেক আপন,জলের জন্যই সবাই করেসুস্থ জীবন যাপন। কৃষিকার্যে,শিল্পে যেমন
কৃষ্ণকলি কৃষ্ণা (কলকাতা) গতর বেচা হরি দাসী পাঁচ বাড়ী কাজ করেকাদম্বরীর যশের জীবন সবই মেধার বরেমেছুনীর দারুণ ব্যবসা মাছের
অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) চোখের আষাঢ় কেউ দেখেনাভার্চুয়ালি রোজ হাসিমিহিন সুরের গুঞ্জরনেলাভ চিহ্নে ভালোবাসি। নাছোড়বান্দা বন