হৃদসঙ্গ

নীহার চক্রবর্তী (বেথুয়াডহরি, নদীয়া)

বাস-ভর্তি মেয়েরা বেশ নাচল। আর এক গাড়িতে ছেলেরা।
মূলত ওদের ট্যুর ছিল। ভূগোলের সার্ভে আর কি। যাক, সুযোগটা আমিও নিলাম।
গাড়িতে বেশ নৃত্যগান চলছিল।
হ্যাঁ, আমারও কানে আসে। কখনও-সখনও শরীরও নেচে ওঠে।
ভাদর-আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে…’
ওরা দল বেঁধে নাচছিল বেশ। আমার আর তর সইল না। নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে ওদের সঙ্গে যেটুকু পারি নাচতে শুরু করলাম।
পাশে বসা উনি আমার হাত টেনে বসিয়ে দিতে চাইল।
ধুস… কে শোনে তখন কার কথা।
বললাম, ‘ছাড়ো তো। এখন শীত হলেও আমার এখন দুরন্ত দুপুরবেলা। এমন সুযোগ আর মিলবে?’
মেয়েরা বড্ড খুশি। অভিভাবিকারা চমকে উঠে খুশিতে ফেটে পড়ল।
হ্যাঁ, আমার উনি হাততালি দিতে শুরু করল।
তারপর আরও কিছু নাচ…
আমার দেহ নাচতে নাচতে বারবার হৃদয়কে বলে গেল, ‘মোরে আরও আরও দাও প্রাণ
তব ভুবনে তব ভবনে মোরে আরও দাও স্থান…’

TAGS
Share This

COMMENTS

Wordpress (0)
Disqus (0 )