সব পেয়েছির আসর
সোমেন চ্যাটার্জী (কলকাতা) যা পেয়েছি তা পাবার ছিলযা শুনেছি তা শোনারযা দেখেছি তা দেখার ছিলকারন জীবনটা তো আমার। যা ছিল তা
সোমেন চ্যাটার্জী (কলকাতা) যা পেয়েছি তা পাবার ছিলযা শুনেছি তা শোনারযা দেখেছি তা দেখার ছিলকারন জীবনটা তো আমার। যা ছিল তা
সুজান মিঠি (পূর্ব বর্ধমান) শিমূল ফুল! শিমূল ফুল!খোঁপায় বাঁধা আবির চুল!রাঙা রোদে স্নানটা করে,সুখ গাইছ ফাগুন ভরে? বন্ধু এখ
বিদিশা চৌধুরী (কলকাতা) আসলে কেউ কাউকে ভুলে যায়না।আমরা নিজেকে জোর করে বোঝাই -যে ভুলে গেছি।একটা ফোন নাম্বার মুছে ফেললেই কি
মৌমিতা মৌ (কলকাতা) যেই ভেবেছি..অমলতাসের সোনালি অলংকারে সাজাবো নিজেকে,সূর্যের ফোঁটা ঝরে পড়বে কপালের সিঁথিতে। মাধবীলতা লা
অরিন্দম ব্যানার্জ্জী (গুসকরা) "বাবা--ই আশা, বাবা--ই ভরসা বাবা--ই ভালোবাসা, বাবা ছাড়া পৃথিবীটায় চারিদিক দেখি ধোঁয়াশা! " "
জয়া সান্যাল (কলকাতা) বসন্তের আকাশে ক্ষণিকের দামাল হাওয়ায়কৃষ্ণবর্ণের মেঘের ঘনঘটানিস্তব্ধ রাতের বেলাশেষে, বিদ্যুতের ঝলক
শরদিন্দু ঘোষ (বর্ধমান) ছেলেটা হাঁটছে।তার দিকে খেয়াল নেই কারও।সবাই একে অপরকে নানা রঙের আবিরেরাঙিয়ে দিতে ব্যস্ত।সেই রাঙি
রুনা মুখার্জী (কলকাতা) মা আমার প্রাণের প্রিয়আমার সব আশামা ছাড়া জীবন বৃথাথাকে না বাসা। মা আমার নয়ন তারানেইকো তার তুল্য
সঙ্গীতা কর (কলকাতা) সামনে দাঁড়িয়ে আছে অগভীর জীবন সমুদ্রদুহাতে ঘৃণা সরিয়ে সাঁতার কেটে এগিয়ে চলেছিক্লান্ত অবসন্ন দেহতা
মহুয়া গাঙ্গুলী (কলকাতা) সেদিন জানা ছিলোনা পূর্বার, অথচ বসন্ত উৎসবে কাকতালীয়ভাবে প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর পর আবার দেখা হয়ে
শুভা রায় (কলকাতা) এই বাড়ির প্রতি ইঁট,কাঠ,পাথরেলেগে আছে আমার ছোট্ট আমি,এই বাড়ি আমার স্বর্গভূমিআমি জানি, আর জানেন অন্তর্
রাসমণি ব্যানার্জী (হরিপাল) এই কাঞ্চু এই কাঞ্চু এলাম তোদের পাড়াতেতোদের বাড়ি যাবো না আজকে বিকেল বেলাতে।এই কাঞ্চু আয় না