কবিতা

কবিতা

অভিশপ্ত দোল

গীতা বণিক দত্ত (চুঁচুড়া, হুগলী) দোলের দিনেই এসেছিলে দেবদূতের মতো,ছড়িয়ে দিলে আলোর রাশি আঁধার ছিল যত ।ভরসার হাত ভালোবাসার হাত দিলে বাড়িয়ে,নতুন করে দুটি চোখে স্বপ্ন এঁকে দিলে।দুঃখ গুলো জমানো ছিল মনের গোপন কোণে,তুমি এসে সোনার কাঠি বুলিয়ে গেলে চলে।আবীর রঙে রাঙিয়েছিলে ফাগুন পূর্ণিমাতে,দুটি হৃদয় ভরলো উঠে রঙের ছোঁয়াতে।ইচ্ছে গুলো বন্দী ছিল চিলেকোঠায় চুপিসারে,তোমার পরশ পেয়ে তারা মেললো ডানা নতুন কর

✍ Final Exposer
কবিতা

চলো ঘুরে আসি

নদেরচাঁদ হাজরা (কলকাতা) চলো ঘুরে আসি বাগানেআমার মনের উঠোনজুড়ে ফুটে আছে ফুলকবিতারা কথা কয়;হয়তো আধো আধো বুলিতবুও আমার সন্তান তারা।হৃদয়ের রসে জন্ম নিয়েছে একদিন।কোনো ধোঁয়াশা নেই আমার কাছেমুক্ত বিহঙ্গের মত ডানা মেলে সাহিত্যের আকাশে।তারপর!উড়ে যায় একদিনকোন সে সুদূরেজানিনা।

✍ Final Exposer
কবিতা

মহারণ

কণিকা বর্মন(রাজাপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর) মহারণদিকে দিকে তার‌ই আয়োজনসাজো সাজো রববাংলার ঘরে ঘরেঅমায়িক দরবারেমতামত জেনে নিতেফুল আর ফল পেতেদুয়ারে নাড়ছে কড়াজনতার‌ই জন উৎসব নানান কালিতেনানান ছবিতেপোস্টারে দেওয়ালেসমাবেশে মিছিলেঝুনো শহর থেকে বুনো গ্রামক্ষমতা দখলের এই মহারণেস্লোগানের পিছে পাল্টা স্লোগানেনীতি ও কৃতিত্বে চলছে দলীয় বনাম আসছে প্রবাসীআসছে পরিযায়ীছিল যারা দূরেসুখ সাধ পুড়েসব দায় ফেলেব্রত ব

✍ Final Exposer
কবিতা

গায়ে পড়া ​ভালোবাসা

অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) ​ভালোবাসা ঝুলিয়ে রেখো না আর,এবার গায়ে পরোএখন পলাশ ফোটা উদাস বসন্ত—কাশি বাড়লে, এঁটে দিও বাড়তি বোতাম-ঘর ও।​মাপা আদরের ওমে যদি অস্বস্তি জাগে,তবে না হয় খুলে রেখো একপাশেযদি কোনো গোপন ক্ষত কিম্বা রোমশ ঠিকানায়--সে ভালোবাসা কুটকুট করে বিষণ্ন আক্রোশে।​অবহেলা করো না সেই ওমটুকু,'গায়ে পড়া' বলে হেসো না তুচ্ছতায়সবাই কি আর এমন শক্ত বুনন পায়?কতজন তো হিমশীতল শূন্যতা গুনে চলে যায়।​পুরোনো খা

✍ Final Exposer
কবিতা

সুপ্ত 'লাবণ্য'

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) ছেলেটির সাথে প্রথম দেখা প্রিন্সেপ ঘাটের এক আলো আঁধারিতেসুদর্শন, সুপুরুষ তীব্র আকুতিতে জড়ানোচোখে চোখ পড়তেই কেমন একটা ভালো লাগার টান অনুভব হলোকাছাকাছি এক মোবাইলের রিংটোনে বেজে উঠলো'প্রেমের‌ও জোয়ারে ভাসাবে ….'সন্ধ্যার মোহনীয় আলোর মায়ায় নদীও প্রেমে পড়েআমি তো মানবী মাত্র!ছেলেটি এগিয়ে এসে হাতে একটা চিরকুট গুঁজে দিলোএকটু রাত হতেই শুরু হলো মিষ্টি ফোনালাপএতদিন কোথায় ছিলো এত কথা

✍ Final Exposer
কবিতা

শালিক

বানী পাল (কলকাতা) দিগন্তের শেষে একঝাঁক শালিকের ঘরআলপথে দেখা এক শাবকের প্রথম সূর্যোদয়,সদ্য প্রস্ফুটিত দুটি ডানায় রক্তাভ সকালপ্রকৃতির কোলে উড়তে চাওয়ার বড় ঝোঁক। নরম বাতাসের চুম্বন মুক্তির স্বাদ মেটায়বিকেলের ধুলোঝড়ে আরো মজবুত হতে শেখে,এক পা দু'পা করে হেঁটে চলে চৌকাঠ বরাবরপাখিটা তখনও তুফানের দাপট দেখেনি। গুল্মের উপর থেকে ঘাসফুল দেখেছেদেখেছে পাতার উপর নরম শিশিরের আদর।সে ভেবেছিলো জীবন বড় সরল অধ্য

✍ Final Exposer
কবিতা

আলাপ

সঞ্চিতা সিকদার (নদীয়া) কষ্ট কি জানি না, তবে মাঝে মাঝে বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে ওঠে।সাফল্য কী তাও জানি না, কারণ হাজার চেষ্টা করেও কখনো কেউ সফল হতে পারবে না। সত্যিই কি সফল হওয়া যায় এক জীবনে?একটা জিনিসে সফলতা পেলে আর একটা সফলতায় এগিয়ে যেতে ইচ্ছে করে।তবে ব্যর্থতা থাকলে জীবনে সফলতার আস্বাদ পাবে।সুখ কী আমি জানিনা, কখনো সুখি হতে চাইনি৷ তবে হ্যাঁ, একটা জিনিস আমি মনে প্রাণে চেয়েছি, সেটা হল ভালোবাসা৷ কি

✍ Final Exposer
কবিতা

নির্বাচন

রাজা চৌধুরী (হরিপুর) অবশেষে পশ্চিমবঙ্গেএলো নির্বাচন,নেতা খুশি নেত্রী খুশিখুশি ভোটার গন। জিততে ভোটে ভিড়ছে জোটেযে যেদিকে পারে,টাকা বেশি শক্ত পেশিটানছে সবাই তারে। মার্কা হাতে প্রার্থী সাথেগাইছে ভোটের গান,আকাশ ছোঁয়া প্রতিশ্রুতিনাইকো অভিমান। সুখে পাবে দুঃখে পাবেপাবে মানির মান,জেনে বুঝে ভোটার তারেইভোট'টি করো দান।

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার শৈশবের বিকাল

কবিতা মুখার্জি বিশ্বাস (কলকাতা) জানো মা গো ইচ্ছে করে আবার ফিরে যেতেফেলে আসা ছোট্ট বেলার সেই দিনগুলোতে,,দুপুর গড়িয়ে যখন হতো ঠিক বিকেল বেলাছাদের পরে শুরু হতো আমার বন্ধু বন্ধু খেলা। ছাদ ভর্তি ছিল কতো বাবার রঙিন ফুলের টববিকেলবেলা ওরাই তো হতো আমার বন্ধু সব,,আমার সঙ্গে গল্প করতো তারা মাথা নেড়ে নেড়েসেই গল্পে আসতো দোয়েল-টুনি দূ-র থেকে উড়ে। বকবকিয়ে আমি যখন খুব ক্লান্ত হয়ে যেতামমাদুর পেতে ছাদের পরে

✍ Final Exposer
কবিতা

তোমাতে মগ্ন

মালবিকা পাণ্ডা (পশ্চিম মেদিনীপুর) আমার কবিতা, কলমের খোঁচা দিয়ে যদি বোঝাতে পারতাম তোমার প্রেমে মগ্ন থাকে মন।সীমাহীন অনন্ত সাগরে ডুব দিয়ে শব্দরত্নকে তুলেএনেছি ….পেরিয়ে এসেছি অনেক গুলো বসন্ত ,শুনেছি ঝরে পড়া পাতার মর্মর ধ্বনি,আহ্বান করেছি অনাগত বসন্ত কে !শুষ্ক মন সিক্ত করার এক পশলা আবেগের বৃষ্টি !বসন্তের জৈষ্ঠ্যে দহনে সবকিছু পুড়ে খাক হয় পলকে! সব শব্দরত্ন গুলো এলোমেলো হয়ে গেলো পারিনিসাজাতে …সব শ

✍ Final Exposer
কবিতা

আমার কবিতা

মধুছন্দা গাঙ্গুলী (কলকাতা) যাকে আমি খুঁজেছিলাম কত বছর ধরে…সেই তো তুমি এলে ওগো এতো বছর পরে,তোমার পরশে ফুটলো মন, শান্ত হলো দগ্ধ কায়া,যেখানে তাকাই সেখানেই দেখি, স্নিগ্ধ মেঘের ছায়া।মনে হয় আকাশের চাঁদ নেমে এলো বুঝি আমার এই হাতে,আলোর কাছে আজ নিশি হার মানে, ছেয়ে যায় উজ্জ্বল প্রভাতে।তপ্ত বালুকারাশির শুষ্ক মরু, আজ হলো যেন সবুজ বনভূমি…আমার আঙিনায় এলে ওগো কবিতা , আমি আজ তোমাকে চুমি।কখনও তুমি বিরহ বেদনা

✍ Final Exposer
কবিতা

অব্যক্ত নদী

জয়া ঘোষ (উত্তর চব্বিশ পরগণা) বুকের গভীরে আমি এক দীর্ঘ নদী গোপন রেখেছি,যার উৎস কোনো জন্ম নয়,কোনো নাম নয়,শুধু বুকের ভেতর থমকে থাকা জল। তাকে আমি শিখিয়েছিকিভাবে কাশফুলের গায়ে আঙুল ছুঁয়ে দিতে হয়,কিভাবে কুঁড়েঘরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষাণীআলো ফোটায় মাটির প্রদীপে।তাকে শিখিয়েছিনক্ষত্র কিভাবে আলো হয়ে ওঠেশব্দহীন শীতল রাত কেমন লাগে চাঁদের জোছনায়। এই নদী কথা বলে না,তবু সে জানেকোন বাঁশিটি শুধু একবারই ডাকে “প্রিয়

✍ Final Exposer