ভয় পেয়ো না ভয় পেয়ো না
গোপা মল্লিক (কলকাতা) ভয় পেয়ো না ভয় পেয়ো নাতোমায় আমি ডাকবো নাএসো এসো আমার ঘরেআদর করে আর বলবো না। এতদিনে বুঝেছি এটাতোষামোদ
গোপা মল্লিক (কলকাতা) ভয় পেয়ো না ভয় পেয়ো নাতোমায় আমি ডাকবো নাএসো এসো আমার ঘরেআদর করে আর বলবো না। এতদিনে বুঝেছি এটাতোষামোদ
সুমিতা সিনহা (দুর্গাপুর) আমাদের আলাপ হয়েছিল Facebook-এ।আমিই প্রথম আলাপ জমাতে চেয়েছিলাম কেন চেয়েছিলাম এর সদুত্তর আজ আর ন
কাকলি ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) অনেক দিন পর শ্রাবণ এল পথেমাটির মত ভিজল জমা আবেগ,হাতের স্পর্শ কলমদানির পরেসিক্ত স্মৃতি তার নি
শুক্লা সরকার (কলকাতা) কালের যাত্রাপথে ফিরে ফিরে আসে জীবন,সময়ের ঘড়ি থেকে ক্রমশঃ ঝরে যায় বিষণ্ন দিন,সেদিন নেহাতই ছিল আম
বানী পাল (কলকাতা) দারিদ্রতা…এক নাগরিক অসুখ।মহামারীর মত ছড়িয়ে আছে চতুর্দিকে।বাসে ট্রেনে রাস্তায় স্টেশনে।চতুর্দিকে হট্ট
গীতা বণিক (হুগলী) স্মৃতির আঁধারে হারিয়ে গেছে অতীতের কত কথা,পড়ে যে মনে আজ সেই সব দিন মুছে যায়নি সব গাথা। ভুলতে চাই না
মৌসুমী মুখার্জী (পশ্চিম মেদিনীপুর) আমি আছি, তাই তুমি আছো হে ঈশ্বর.. তোমার করুণায় তৃপ্ত বন জঙ্গল পশুপাখি মানুষ সকলেই,তোমা
বৃষ্টি নুপূর (কলকাতা) এই তো সেদিন ছিল শুরুর দিন-অনন্ত সম্ভাবনার উষার আলোয় ভরা, অচেনা পথের প্রথম পদক্ষেপ, স্বপ্নে ভেজা, আ
মৌসুমী মন্ডল (কলকাতা) ছেলেঃএই মেয়ে শুনছো?কি এত ভাবছো তুমি বসে আনমনে? মেয়েঃভাবছি, বৃষ্টির ফোঁটা যখন ঝরঝরিয়ে নামে,তখন আমার
মৌমিতা মৌ (কলকাতা) আঙুল উঁচিয়ে একটা 'স্পর্ধা' লেখার কথা ছিল,জীবনের অগ্নিলিপি'তে খোদাই করেউচিৎ ছিল লেখার "খবরদার"!যেন দগ
শিবানী চক্রবর্তী (শ্রীরামপুর) ভোরে কুকিল সুনা, ডাক দিল রে সুযি্্যর , আলোফুটি ফুটি,গামছা কাঁধে লাঙ্গল লিয়া মাঠে হাটি।পান
রানু মজুমদার (কলকাতা) আমার পৃথিবীছোট্ট শহরতার মাঝে ছোট্ট একটা ফ্ল্যাটআসবাবপত্র আর স্নেহ দিয়েসাজানো আমার ছোট্ট সংসার ভোর