রাত
প্রতীক মজুমদার (বারাসত, উত্তর চব্বিশ পরগণা) কেউ রাত জাগে রাতকে সাক্ষী রেখেকেউ কেউ অঘোরে ঘুমায় না খেয়েক্ষিদে টাকে আটকে
প্রতীক মজুমদার (বারাসত, উত্তর চব্বিশ পরগণা) কেউ রাত জাগে রাতকে সাক্ষী রেখেকেউ কেউ অঘোরে ঘুমায় না খেয়েক্ষিদে টাকে আটকে
নীহার চক্রবর্তী (বেথুয়াডহরি, নদীয়া) পাঁচ ইঞ্চি ইঁটের গাঁথনির ওপর দিয়ে সাবলীলভাবে হেঁটে গেল মধ্য-তরুণ মিস্ত্রী।আমি তো দেখ
মায়া সাহা (কলকাতা) আমি কৃষ্ণবর্ণা রূপেএকাধিবার জন্মাতে চাই -যদি সে বর্ণ থেকে শব্দচাষের অমূল্য রসদ পাই । যদি কৃষ্ণবর্ণা হ
রুমা মন্ডল (বর্ধমান) পারবো না হতে নাইটিঙ্গেলসাধ্যমতো করি চেষ্টা তাই,চোখের কোণে ক্লান্তির ছাপআশার আলো দেখাতে চাই। চলার প
রীতিশা পাল (বনগাঁ, উত্তর চব্বিশ পরগণা) কলম ধরেছি কেবল বেঁচে থাকার জন্য,ভালোবাসার সত্ত্বার রক্তক্ষরণ আমার সাদা পাতারক্তাক
শোভনা মিশ্র (পুণে, মহারাষ্ট্র) সুন্দরতা তুমি কার?তন বলে আমার মন কহে আমারসুন্দরতা বলে যে রাখে যতনে মোরেআমি শুধুই থাকি তার
মিষ্টি মণ্ডল (কান্দি, মুর্শিদাবাদ) কবিদের জীবন মসৃণ নয়,এবড়োখেবড়ো হয়।কবিরা নিজেকে নিংড়ে দেয় কবিতার গায়ে।নিজেকে কেটে ছিঁড়ে
সঙ্গীতা কর (কলকাতা) ছেলেটির সাথে প্রথম দেখা প্রিন্সেপ ঘাটের এক আলো আঁধারিতেসুদর্শন, সুপুরুষ তীব্র আকুতিতে জড়ানোচোখে চোখ
পূজা দাস বোস (কলকাতা) শূন্যতা আসলে একটা পূর্ণ নদীর নামএখানে নারী পুরুষের আলাদা কোনো হাড়ের সমাধিস্থ নেই,যা আছে তা পাহাড় আ
লিপিমিতা তনুশ্রী (কলকাতা) এই যে তোমার নিত্যদিনের খোঁজএই যে তোমার আকুল-ব্যাকুল মন —কোথায় আছি কেমন আছিকেমনভাবে কাটছে অষ্টপ
রাজা চৌধুরী (হরিপুর, পশ্চিম বর্ধমান) বন্ধ করো প্রকৃতির সাথে শতরঞ্চ খেলালোক দেখানো গাছ লাগিয়ো না সভ্যতার মাথায়,শিকড়ে জল
অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) রঙ জমে বুঁদ হয়ে দীপচাঁপা ফুলেমেঘ রাগে রোদ হাসে,নাচ ওঠে দুলেস্নান সারে সাদা বক,ডিমডিম আলোহে আকাশ