পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ

বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:- উৎসবের মরশুমে “কল্পতরু” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তার লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের গরিব অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য পুজোর উপহার পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত সাত টি বিধানসভা এলাকায় তার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গরিব মানুষের হাতে পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন জামা কাপড় তুলে দেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় প্রায় দুই লক্ষের বেশি মানুষের কাছে প্রিয় সাংসদের এই শারদীয়া উপহার পৌছে গিয়েছে। এদিন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডায়মন্ড হারবার এলাকার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে এই উপহার। সারা বিধান সভার পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নেতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে দুর্গা পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ, এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন ডায়মন্ড হারবার টাউন তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,টাউন যুব সভাপতি পুষ্পেন্দু মন্ডল,পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রাজশ্রী দাস,ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মিজানুর রহমান সহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও অন্যান্যরা।পুজোর মুখেই এই উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ। বিধায়ক পান্নালাল হালদার বলেন,সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে পুজোয় দুঃস্থ মানুষদের নতুন বস্ত্র দিয়ে আসছেন,আমরা সাংসদের প্রতিনিধি হিসেবে এগুলো প্রত্যেকের বাড়িতে বাড়িতে পোঁছে দিচ্ছি। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ বলেন,সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৪ থেকে প্রতি বছর এলাকার দুঃস্থ অসহায় মানুষদের নতুন বস্ত্র দিয়ে আসছেন,এবছরও দেওয়া হচ্ছে। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার পুজোর উপহার স্বরূপ বস্ত্র পাঠিয়েছেন আমাদের সাংসদ।তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর একটা মঞ্চ থেকে অনুষ্ঠানের মধ্যে জাঁকজমক করে দেওয়া হতো, গত দু বছর আগে আমাদের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন কাউকে এসে উপহার নিতে হবে না, গরীব হলেও তাদের প্রত্যেকের একটা সেন্টিমেন্ট আছে,তারা কষ্ট করে যাতে না আসে তার ব্যবস্থা করেন। সেই জন্য প্রত্যেক মানুষের বাড়িতে বাড়িতে পোঁছে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। সেই মতো আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে নতুন বস্ত্র পোঁছে দিচ্ছি। তিনি বিরোধীদের নিশানা করে বলেন,আমাদের সাংসদ পুজোর সময় প্রত্যেক অসহায় মানুষদের জন্য বস্ত্র দিচ্ছে,তাই তাদের হিংসা হচ্ছে। তারা তো কোনদিন গরীব অসহায় মানুষদের এমন উদ্দ্যেগ নিতে দেখা যায় না, তারা একবার আমাদের সাংসদের মত কর্মকাণ্ড করে দেখাক তার পর বুঝবো,গরিবদের পাশে সব সময় কে থাকে। এমন উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এলাকার মানুষজন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *