উত্তর হাওড়ার একমাত্র মেয়েদের উর্দু মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও  আবর্জনার সমস্যা, প্রশাসন কে জানানো সত্বেও নির্বিকার প্রশাসন

উত্তর হাওড়ার একমাত্র মেয়েদের উর্দু মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও  আবর্জনার সমস্যা, প্রশাসন কে জানানো সত্বেও নির্বিকার প্রশাসন

সুলেখা চক্রবর্তী, হাওড়া:- উত্তর হাওড়ার একমাত্র উর্দু মিডিয়াম মেয়েদের স্কুল অবস্থিত পিলখানা তে। স্কুলে ছাত্রী সংখ্যা ২৫০ র বেশি। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে নানা ভাবে জানানো সত্বেও কোনরকম সুরাহা পায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্কুলের ছাত্রীরা। কারণ স্কুলে আসার মেইন রাস্তাটা প্রথমত আবর্জনা স্তুপে পরিণত হয়েছে। প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক মিলে বহুবার উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে জানানো সত্বেও কোনরকম প্রতিকার দেখা যায়নি এছাড়াও সবথেকে অসুবিধার কথা হচ্ছে ওই রাস্তা জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় চলছে নেশার আড্ডা কোথাও মত কোথাও গাঁজা। সাতক্ষীরা নিজে মুখে জানিয়েছে তাদের স্কুলে আসতেও ভয় লাগে, প্রথমত নেশাগ্রস্ত লোকেরা চারদিকে বসে রয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে আবর্জনা স্তূপ এবং এই স্তুপ এর কারণেই রয়েছে গরু ও কুকুরদের অত্যাচার। এমনকি স্কুলের বড় দিদিমণিকে একটি গরু একদিন গুঁতিয়ে দেয় বলে আমাদের কাছে জানিয়েছেন। আর এই নিয়ে প্রশাসনে তারা দেখতে পাচ্ছে না। যখন স্কুলে কোন প্রোগ্রাম হয় বিধায়কের আশার থাকে বা অন্য কোন নেতার আশা থাকে শুধু সেই সময়টুকুর জন্য রাস্তাটা পরিষ্কার করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা। ছাত্রীরা এও জানিয়েছে যে স্কুলে যতগুলো শিক্ষিকার দরকার ততগুলো নেই মাত্র দুজন অফিসিয়ালি শিক্ষক বা শিক্ষিকা রয়েছে। স্কুল চালু থাকলে আরো শিক্ষক ও শিক্ষিকার প্রয়োজন। দিদিমণি দের সঙ্গে কথা বলল জানা গেছে একই কথা। পুলিশ এবং বিধায়ক কে জানানো সত্বেও ছাত্রীদের চোখে পড়ে না তাদের কোন কর্মকান্ড। এই নিয়ে বিজেপি নেতা উমেশ রায় বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদ্রাসা ও উর্দু স্কুলের উন্নতির জন্য ৫৭১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কিন্তু তার কোন কিছুই আমাদের জেলাতে দেখা যাচ্ছে না। অসুরক্ষিত অবস্থায় ছাত্রীদের স্কুলে আসতে হচ্ছে কিন্তু লোকাল এম এল এ বা প্রাক্তন কাউন্সিলর এ ব্যাপারে নির্বিকার সঙ্গে পুলিশও রয়েছে। তিনি এক কথায় জানিয়েছেন এটাই হল উত্তর হাওড়ার আসল উন্নয়নের পাঁচালী। আর এই নিয়ে হাওড়া সদর TMC সভাপতি ও উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেন কিন্তু এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদ্রাসার উন্নতির জন্য যে পরিমাণ টাকা এবারের বাজেটে পাস করেছেন তার প্রতিফলন কবে পাবে? স্কুল ছাত্রীরা সেটাই এখন দেখার।

CATEGORIES

COMMENTS

Wordpress (0)
Disqus ( )