পালিত হলো সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবর্ষ

পালিত হলো সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবর্ষ

নীহারিকা মুখার্জ্জী চ্যাটার্জ্জী, কলকাতা -: 

       বাংলা কাব্যজগতে আজও একসঙ্গে উচ্চারিত হয় তিনজন বিখ্যাত কবির নাম – রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও সুকান্ত। এবার ছিল ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবর্ষ। যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে কলকাতার হালতু নেলীনগরের বিশিষ্ট সাহিত্য সংগঠন ‘উচ্ছ্বাস’ এর উদ্যোগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্দুমতি সভাগৃহে একগুচ্ছ সাহিত্যপ্রেমী মানুষের উপস্থিতিতে একটি ছোট্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হলো সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবর্ষ দিনটি। কিশোর কবি রচিত নানা কবিতা, ছড়া, অনুগল্প, নাটক দিয়ে সাজানো ছিল সান্ধ্য  অনুষ্ঠানটি। 

        অনুষ্ঠানের শুরুতে কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত অতিথিরা। সমবেত উদ্বোধনী কবিতা 

‘ছাড়পত্র’ ও ‘জাগবার দিন আজ’ পরিবেশন করেন স্বাতী পালচৌধুরী ও ‘উচ্ছ্বাস’-এর সকল সদস্য। এও এক নতুন ভাবনা। ‘সুকান্ত স্মরণ’ করেন সম্রাট দত্ত ও সায়ন্তনী দত্ত রায়। একে একে  

‘উচ্ছ্বাস’-এর শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত কবির লেখা      কবিতা, নাটিকা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। সুমিতা তালুকদারের ‘রানার’ এবং হৃদিয়া সান্যাল  ‘অবাক পৃথিবী’ সঙ্গীতের উপর পরিবেশিত নৃত্য 

অনুষ্ঠানটিকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। ফলে   এক অসাধারণ ‘সুকান্ত সন্ধ্যা’ উপভোগ করার সুযোগ পান উপস্থিত দর্শকরা।

       সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শর্মিষ্ঠা মল্লিক ও পৃথা মন্ডল এবং পরিচালনা করেন স্বাতী পালচৌধুরী।

        প্রসঙ্গত গত ২৩ বছর ধরে ‘উচ্ছ্বাস’-এর শিক্ষার্থীরা বাংলার সাহিত্য প্রেমী মানুষদের একের পর এক ভিন্ন স্বাদের অনুষ্ঠান উপহার দিয়ে চলেছেন। ‘উচ্ছ্বাস’ এমন একটি সংগঠন যেখানে সমস্ত সমস্যা দূরে সরিয়ে রেখে সবাই মিলে খুব ভালো থাকেন, আনন্দে থাকেন। 

        শর্মিষ্ঠা, পৃথা, বিনতা, অচেনা কুসুম, সুসীমা, সর্বানী, শর্মিষ্ঠা, শুক্লা, কৃষ্ণা, শম্পা  প্রমুখদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংস্থার কর্ণধার স্বাতী পালচৌধুরী বললেন, এদের নীরব সহযোগিতার জন্যেই এতবড় একটি অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে  আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি সংস্থার ক্ষুদেদের তিনি ‘অক্সিজেন’ হিসাবে চিহ্নিত করেন।

CATEGORIES

COMMENTS

Wordpress (0)
Disqus ( )