
রাজ্য সরকারের সংস্কৃতি দফতর ও ক্রীড়া দফতরের যৌথ উদ্যোগে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
ভাই-বোনের ভালোবাসার প্রতীক হলো রাখি বন্ধন উৎসব। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে। এই দিন বোনেরা ভাইদের মঙ্গল কামনা করে তাদের হাতে রাখি নামে একটি পবিত্র সূতো বেঁধে দেয়। অন্যদিকে বোনদেরও সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয় ভাইয়েরা।
ধীরে ধীরে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করতে শুরু করে। এই আন্দোলনের মূল আঁতুর ঘর ছিল বাংলা। আন্দোলনকে দুর্বল করার লক্ষ্যে বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনাকে প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে হাজার হাজার বাঙালি রাস্তায় নামে। তখন হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে একতার প্রতীক হিসাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখি বন্ধন উৎসব পালন করেন। ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তিনি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের হাতে রাখি বেঁধে ভ্রাতৃত্বের বার্তা প্রচার করেন। তাঁর এই প্রচেষ্টা রাখি বন্ধন উৎসবকে নতুন মাত্রা এনে দেয়। তারপর থেকেই দেশ জুড়ে পালিত হতে থাকে এই উৎসব।
শনিবার যুব আবাসনের সামনে রাজ্য সরকারের সংস্কৃতি দফতর ও ক্রীড়া দফতরের যৌথ উদ্যোগে রাখি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক,পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা শাসক পোন্নমবলম এস, আসানসোল মহকুমা শাসক (সদর) বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য, আসানসোল পৌর নিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চ্যাটার্জী, ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক, গুরুদাস চ্যাটার্জী সহ আরও অনেকে।
রাজ্য সরকারের সংস্কৃতি দফতর ও ক্রীড়া দফতরের যৌথ উদ্যোগে রাখি উৎসব এর ভূয়সী প্রশংসা করে এলাকাবাসী।